ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ , ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গুলশানে বার ড্যান্সারের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষিত তরুণদের ওপর সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক কিছুদিন দেরি করে হলেও সুষ্ঠু নির্বাচন আমাদের প্রায়োরিটি: আসিফ মাহমুদ বিয়ে করলেই ১৬ লাখ টাকা উপহার, সন্তান হলে মিলবে ৩২ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সিরিয়া থেকে ছাগল চুরি করল ইসরায়েলি সেনারা কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি সন্দেহে শ্রমিক হত্যা, বিক্ষোভ মুর্শিদাবাদে বিয়ে করছেন ধানুশ-ম্রুণাল! ২৬৮ আসনে এককভাবে লড়বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লায় গুলি করে দুজনকে হত্যা প্রেমিকার জন্মদিনে ২৬ কিলোমিটার দৌড়ালেন প্রেমিক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে পলাতক প্রধান শিক্ষক, মাদরাসায় আগুন ভাইরাল শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট চুরির দায়ে পুকুরে ২০ ডুব চোরের, শাস্তির পর মানবিকতাও দেখাল বরিশালবাসী হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রান্না, তদন্তে যা জানা গেলো মঈনুল রোডের সেই বাড়িটিই খালেদা জিয়ার শেষ স্থায়ী ঠিকানা আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ উচ্ছ্বাস নিয়ে জীবনের প্রথমবার স্কুলে জুনায়েদ, বাড়ি ফিরলো নিথর দেহে

গির্জায় সুব্রত বৈদ্য হত্যা মামলায় সব আসামি খালাস

  • আপলোড সময় : ১৩-০৩-২০২৫ ০২:৪৮:২৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৩-২০২৫ ০২:৪৮:২৮ অপরাহ্ন
গির্জায় সুব্রত বৈদ্য হত্যা মামলায় সব আসামি খালাস
রাজধানীর মিরপুরের একটি গির্জায় শিক্ষক সুব্রত বৈদ্য হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮-এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল হোসেন রায় ঘোষণা করেন।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন — রিপন দাস, শিমন শিকদার ও প্রভুদান বাড়ৈ। এর মধ্যে প্রভুদান বাড়ৈ পলাতক। রিপন দাস ও শিমন শিকদারকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

২০১১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, মিরপুরের মেথড লিস্ট চার্চে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার পর প্রেমিকা নীপা দাসের ডাকে ৪র্থ তলায় যান সুব্রত। কিছুক্ষণ পর নীপা দাস ফোন করে সুব্রতার পরিবারকে জানায়, সুব্রত অসুস্থ। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নীপার পরিবার দাবি করে, সুব্রত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবে ময়নাতদন্তে জানা যায়, শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

সুব্রতের বোন সুবর্ণা বৈদ্য প্রথমে দারুস সালাম থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যা মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে আদালতে মামলা করলে, আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা রুজু করা হয়।

২০১৩ সালের ২৭ অক্টোবর, এসআই শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। কিন্তু বিচার চলাকালে নীপা দাস, তার বাবা নিবারণ দাস ও মা লিন্ডা দাস মারা যান। ফলে আদালত তাদের অব্যাহতি দেন।

১৩ বছর পর প্রমাণের অভাবে সব আসামি বেকসুর খালাস পেলেও, সুব্রতের পরিবার হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সুবর্ণা বৈদ্য বলেন, “আমার ভাই সুব্রত হত্যার ন্যায়বিচার পাইনি। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।”

স্থানীয়রা বলছেন, সুব্রতের অকালমৃত্যু ও তার পরিবারের লড়াই-এর চূড়ান্ত সমাধান যেন এখনো অপূরণীয় থেকে গেল।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল

দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল