ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ , ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে লক্ষাধিক ইভিএম

  • আপলোড সময় : ১৬-০৩-২০২৫ ১০:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৩-২০২৫ ১০:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন
নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে লক্ষাধিক ইভিএম

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে, তীব্র রাজনৈতিক বিরোধিতার মাঝেও হুদা কমিশনের মাধ্যমে দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনা হয়েছিল। এই প্রকল্পে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয় এবং তখন বলা হয়েছিল যে, ইভিএমগুলো ১০ বছর কোনো ঝামেলা ছাড়াই চলবে। তবে, আশ্চর্যের বিষয়, মাত্র ৬ বছরের মধ্যেই এক লাখ মেশিনই নষ্ট হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা এখন এ প্রকল্পে নয় ছয় নিয়ে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

ইভিএম প্রকল্পটি ছিল বিতর্কিত। ২০১০ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহৃত হয়, যদিও বিভিন্ন কেন্দ্রে তা নিয়ে নানা অসঙ্গতি দেখা যায়। ২০১৭ সালে ১১০০ সেট ইভিএমে ত্রুটি দেখা দিলে তা বাতিল করে দেওয়া হয়, এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় সংস্করণ আনে কমিশন। এরপর রংপুর সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহৃত হয়, তবে ত্রুটির কারণে সেই মেশিনগুলোও বাতিল করা হয়।

২০১৮ সালে নুরুল হুদা কমিশন ৪ হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করে, যার আওতায় দেড় লাখ ইভিএম কেনা হয়। কিন্তু ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এর মধ্যে এক লাখ মেশিন নষ্ট হয়ে গেছে। সাবেক নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে কিছু মনে করতে পারেননি, তবে তিনি বলেছিলেন যে, এটি প্রশাসনিক বিষয় ছিল এবং সচিবালয় ও সিইসি-এর দ্বারা পরিচালিত হতো।

ইভিএমগুলো থার্ড জেনারেশনের হলেও তাদের রক্ষণাবেক্ষণ ছিল অত্যন্ত দুর্বল, এবং দীর্ঘ সময় ধরে অযত্নে পড়ে ছিল মেশিনগুলো। প্রকল্পের পরিচালক নির্বাচনের ওয়্যারহাউজ তৈরি করার জন্য নির্বাচন সচিবকে বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছিলেন, কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনও ইভিএমের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত। কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমদ জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ইভিএম প্রকল্পের দুটি উদ্দেশ্য ছিল—একটি ছিল রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন, আরেকটি ছিল এর মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশঙ্কা। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ইভিএম কেনার উদ্দেশ্য এবং জনগণের টাকার সঠিক ব্যবহার নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন।


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা

উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা