ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন কুড়িগ্রামে ট্রাকচাপায় ইজিবাইকের ৫ যাত্রী নিহত উত্তরায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, ছয় জনই একই পরিবারের শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজারে মেরিনড্রাইভে টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, নিহত ৬ বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল

অবৈধ অভিবাসী বহিষ্কারে যুদ্ধকালীন আইন প্রয়োগ করতে চান ট্রাম্প

  • আপলোড সময় : ১৬-০৩-২০২৫ ০৩:৪০:২৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৩-২০২৫ ০৩:৪০:২৮ অপরাহ্ন
অবৈধ অভিবাসী বহিষ্কারে যুদ্ধকালীন আইন প্রয়োগ করতে চান ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলাভিত্তিক গ্যাং ‘ত্রেন দে আরাগুয়া’–এর সদস্যদের ফেরত পাঠাতে যুদ্ধকালীন আইন ব্যবহার করতে চান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই পদক্ষেপে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন মার্কিন ফেডারেল আদালতের এক বিচারক। গতকাল শনিবার আদেশটি স্থগিত করেন বিচারক জেমস বোয়াসবার্গ।আজ রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৭৯৮ সালের ‘বহিঃশত্রূ আইন’ ব্যবহার করে ভেনেজুয়েলার ওই গ্যাং সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দিতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।



তবে, স্থগিতাদেশ দেওয়া বিচারক বলেছেন, আইনটি শত্রু দেশের দ্বারা সংঘটিত আক্রমণ মোকাবিলার জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যা শুধু যুদ্ধের সময় প্রয়োগ হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই আইনের ব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই স্থগিতাদেশের কারণে ট্রাম্প আগামী ১৪ দিন নিজের আদেশ বাস্তবায়নে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবেন না।


গতকাল শনিবারই গ্যাংটির বিরুদ্ধে নানা অপরাধের অভিযোগ এনে তাদের বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় হোয়াইট হাউস। ত্রেন দে আরাগুয়া নামের গ্যাংটি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘গোপনযুদ্ধ’ চালাচ্ছে বলে দাবি করছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের ভাষ্য, গ্যাংটি দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে। ট্রাম্পের দাবি, এই গ্যাং যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ, চাঁদাবাজি, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও ভাড়াটে খুনের মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের কার্যকলাপ মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।


বিশ্লেষকেরা বলছেন, ১৭৯৮ সালের বহিঃশত্রূ আইনটি যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে, এটিকে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তা করা হলে অভিবাসীদের আইনগত অধিকার ক্ষুণ্ন করা হবে। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (এসিএলইউ) আইনজীবী লি গেলার্ন্ট বলেছেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন যা করছে, তা পুরোপুরি আইনবহির্ভূত। আমরা একটা বিপজ্জনক অবস্থায় চলে যাচ্ছি, যেখানে সরকার যুদ্ধকালীন ক্ষমতা অভিবাসন নীতিতে প্রয়োগ করতে চাচ্ছে।’

এই আইন কুখ্যাতি পেয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। ওই সময় জাপানি, জার্মান ও ইতালীয় বংশোদ্ভূতদের এই আইনের আওতায় গণহারে বন্দীশিবিরে পাঠানো হয়েছিল। অনেক নাগরিক অধিকার সংগঠন এবং কিছু ডেমোক্র্যাট নেতা এই আইনের পুনর্ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, এটি মূলত গণ নির্বাসনের একটি হাতিয়ার।

উল্লেখ্য, বহিঃশত্রূ আইনের অধীনে মার্কিন সরকার চাইলেই কোনো অনাগরিককে যে কোনো মুহূর্তে দেশ থেকে বের করে দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয় না।

এদিকে, আদালতের স্থগিতাদেশেরও সমালোচনা করছেন অনেকে। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি স্থগিতাদেশটির কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, ‘এই রায়ে (বিচারক) বোয়াসবার্গ আমেরিকানদের নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে ত্রেন দে আরাগুয়া গ্যাংয়ের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এটি মার্কিন আইনশৃঙ্খলার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।’

ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানরত যেসব ভেনেজুয়েলার নাগরিকের বয়স ১৪ বা তার বেশি এবং যারা এই গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ বাসিন্দা নন বা নাগরিকত্ব পাননি—তারা ‘বিদেশি শত্রু’ হিসেবে বিবেচিত হবেন। যত দ্রুত সম্ভব তাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হবে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডিওএইচএস পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার

ডিওএইচএস পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার