ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর ঢাকার বাজারে মার্কিন পণ্য দেখে রাষ্ট্রদূতের উচ্ছ্বাস নতুন ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী বিয়ের ঘোষণা দিলেন রাশমিকা ও বিজয় একই দিনে বিয়ে, আগের রাতে আত্মহত্যা দুই বোনের দ্রুতই কৃষক কার্ড চালু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী জেনে নিন ইফতারে কোন খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী রায়েরবাজারে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৪ মাদক সম্রাট ‘এল মেনচো’র হত্যা ঘিরে মেক্সিকোতে ব্যাপক সহিংসতা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পুরনো কর্মচারীদের ডেকে কথা বললেন তারেক রহমান দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন তারেক রহমান নোংরামি করলে বরদাশত করব না, জামায়াতকে কাদের সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আনলেন জুমা ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫ ট্রাম্পকে ইরানে নয়, নিজ দেশে নজর দিতে বলছেন উপদেষ্টারা এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপ অবৈধ : সুপ্রিম কোর্ট মানুষের দুয়ারে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল

ফেনীতে ভুল চিকিৎসায় শিশুর দেহ পুড়ে যাওয়ার অভিযোগে মামলা

  • আপলোড সময় : ২০-০৩-২০২৫ ০৬:৩১:০১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৩-২০২৫ ০৬:৩১:০১ অপরাহ্ন
ফেনীতে ভুল চিকিৎসায় শিশুর দেহ পুড়ে যাওয়ার অভিযোগে মামলা
ফেনীতে ভুল চিকিৎসায় আরাফাত ইসলামের (১১) নামে এক শিশুর দেহ পুড়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছে পরিবার। চোখের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় দেয়ার অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী নামে ওই চক্ষু চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ফেনী সদর আমলি আদালতে ভুক্তভোগী শিশু আরাফাত ইসলামের মা বকুল চৌধুরী (৩৮) মামলাটি দায়ের করেন।


আদালতের বিচারক অপরাজিতা দাস অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করে ফেনীর সিভিল সার্জনকে ঘটনা তদন্তের আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ জানুয়ারি বকুল চৌধুরী তার ছেলে আরাফাতের চোখ দিয়ে পানি পড়া সংক্রান্ত অসুস্থতা নিয়ে ফেনী রেল গেইট এলাকায় একমাত্র আসামি চক্ষু চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত চেম্বার ফেনী আই সেন্টারে যান। এ সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডা. জাহাঙ্গীর Tab. Tegretol সহ ৪টি ঔষধের নাম লিখে একটি চিকিৎসাপত্র প্রদান করেন। বাদী প্রদত্ত ঔষধসমূহ ভিকটিমকে নিয়ম মাফিক সেবন করাতে থাকেন। ৬-৭ দিন পর ভিকটিমের গায়ের রঙ ধীরে ধীরে বিবর্ণ হওয়াসহ সমস্ত শরীর ফুলে গিয়ে ব্যথা ও জ্বর আসে। এক পর্যায়ে আরাফাতের মা তাকে দাগনভুঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানের পরামর্শ মতে ফেনী শহরে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. প্রশান্ত কুমার শীলের কাছে ভিকটিমকে নিয়ে যায়। ডা. প্রশান্ত কুমার ভিকটিমকে দেখে ও চোখের আসামির চিকিৎসাপত্র ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যালোচনা করে ভিকটিমের খারাপ পরিস্থিতির জন্য ঔষধের বিক্রিয়াকে দায়ী করেন। তিনি জানিয়েছেন, আসামির দেয়া চিকিৎসাপত্রের ১ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত ‘‘Tab. Tegretol'' নামীয় ঔষধটি সেবনের ফলে শরীরে ভয়াবহ বিক্রিয়া তৈরি হয়। যার ফলে ভিকটিম মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। ডা. প্রশান্ত কুমার শীল উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরামর্শ মতে ১৪ ফেব্রুয়ারি আরাফাতকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ভিকটিমের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে ভর্তির পর চিকিৎসা শুরু করে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভিকটিমের ছাড়পত্রে উল্লেখ করেন ‘After taking Tab Tegreto।’ যা আসামির অবহেলাজনিত ভুল চিকিৎসার কারণেই ভিকটিমের এ ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যা দণ্ডনীয় অপরাধ।


এদিকে ছেলের ভুল চিকিৎসায় শারীরিক পরিবর্তন এবং গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে বকুল চৌধুরী চক্ষু চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে বেশ কয়েকবার মোবাইলে কল করে জানান। এতে আসামি উল্টো তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করে এবং বেশি বাড়াবাড়ি করিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়।
 
ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে প্রতি ৭ দিন পর পর ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হয়। এরইমধ্যে বাদী বিধবা বকুল চৌধুরী মানসিক ও আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হন। এখন পর্যন্ত ভিকটিমের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।

মামলার আইনজীবী হুমায়ন কবির বাদল বলেন, ‘সমাজ সচেতনতার জন‍্য মামলাটি একটি ফলক হবে। ন্যায় বিচার পেলে জীবন নিয়ে চিকিৎসকদের অবহেলা নিয়ন্ত্রণ হবে।’

কমেন্ট বক্স
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ