ঢাকা , সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬ , ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ নিউইয়র্কের কারাগারে মাদুরো, ভেনেজুয়েলা শাসন করবেন ট্রাম্প মাদুরো ও তার স্ত্রীকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান চীনের ১৮ হাজার যুবককে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেবে সরকার যে ১০ লক্ষণ থাকলে প্রেমিকাকে অবশ্যই বিয়ে করবেন প্রতিদিন গোসল করা কি সত্যিই জরুরি ক্ষমতায় গেলে সকল নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান এনসিপি ছাড়ায় ফেরত চাওয়া হচ্ছে টাকা, যে বার্তা দিলেন তাসনিম জারা তারেক রহমানের একান্ত সচিব ও প্রেস সচিব হলেন যারা তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল আইপিএলে খেলা হচ্ছে না মোস্তাফিজের দীর্ঘদিন পর দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে যাচ্ছে তথ্যের গড়মিল পাওয়ায় মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল আইএস বধূ শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তে অনড় যুক্তরাজ্য তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদের, শোক বইতে স্বাক্ষর হাদি হত্যার বিচারের দাবি ফের শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় নিয়ে বিতর্ক, যে ব্যাখ্যা দিল এনসিপি যেখানে মায়ের পথচলা থেমেছে, সেখান থেকেই এগিয়ে নেব শেষবার গুলশানের বাসায় খালেদা জিয়া খালেদা জিয়ার জানাজা কখন, কে পড়াবেন?

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ

তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ