ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ , ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দশম বারের মত পেছালো হাদি হত্যার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেয়ার অধিকার নেই: ডা. তাহের টাইটানিক ছবির আদলে ওয়াশিংটনে ট্রাম্প–এপস্টিনের বিকৃত ভাস্কর্য ঋণখেলাপিদের সংসদে বসিয়ে, ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে অর্থনীতি পরিবর্তন সম্ভব নয়- নাহিদ ইসলাম নেপালের নির্বাচন: জেন-জি ঝড়ে উড়ে গেল পুরোনো নেতৃত্ব রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল আনসারীকে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি সংসদ বসছে কাল, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ যুদ্ধ বন্ধের কৌশলে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র খোঁজা হচ্ছে পিছু হটার পথ ভারতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল সুর নরম হলো ইসরায়েলি মন্ত্রীর, বললেন ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ চাই না ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা ক্লিনিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালীতে মাইন বসাচ্ছে ইরান, চরম পরিণতির হুমকি ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ থেকে ট্রাম্পকে দ্রুত সরে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন উপদেষ্টারা আজও দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা তেহরানে রাতভর যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহায়তা দিতে আগ্রহী ভারত ও চীন চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী আরও একটি ট্যাংকার জুলাই সনদের প্রতি শতভাগ অঙ্গীকারাবদ্ধ সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভারতের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ

ভারতের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ