ঢাকা , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ , ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতির কাছে যেসব ওয়াদা ছিল, পালন করতে পেরেছি: সিইসি পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক বান্ধবীকে নিয়ে কেক কাটলেন আমির খান, সঙ্গে প্রাক্তন দুই স্ত্রীও প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাত ৯৮তম অস্কারে সেরা সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস আজ, কাল থেকে ৭ দিনের ছুটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গুলি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব নিহত আড়ংয়ে শপিং ব্যাগের দাম নেওয়া বন্ধে আইনি নোটিশ রিকশাচালককে হত্যার অভিযোগে মধ্যরাতে রণক্ষেত্র উত্তরা, পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঢাকাসহ ১৫ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আশঙ্কা পবিত্র শবে কদর আজ একযোগে ৫৩ খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করল ইরান রাজধানীর খিলক্ষেতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের তিন কর্মীর মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ খাল খননে দুর্নীতির প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে সরকার: এ্যানি শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী সংসদে দেখে দেখে বক্তব্য দেওয়া ‘অ্যালাউড’ না: স্পিকার

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
জাতির কাছে যেসব ওয়াদা ছিল, পালন করতে পেরেছি: সিইসি

জাতির কাছে যেসব ওয়াদা ছিল, পালন করতে পেরেছি: সিইসি