ঢাকা , শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ , ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোট হালাল হলে গণভোট হারাম কেন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের ইরানি তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলো যুক্তরাষ্ট্র তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ শেষে যুদ্ধ বন্ধে প্রার্থনা দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জামায়াত আমিরের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, শনিবার ঈদ মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের পাশে সব সময় থাকবে সরকার: মন্ত্রী আরিফুল হক ৬০ বছরে প্রথমবার ঈদের সময় বন্ধ মসজিদুল আকসা, মুসল্লিদের ওপর হামলা বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম, তবুও টানা তৃতীয় সপ্তাহে পতনের পথে ঈদে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিদের পাশে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে ঘিরে ভয়াবহ জালিয়াতি, হুমকিতে কোটি মানুষের অর্থ-পরিচয় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফাঁকা কমলাপুর, নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন ঈদে সর্বোচ্চ সতর্কতায় র‍্যাব, নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চেনা ঢাকার ভিন্ন রূপ, পথে পথে নেমেছে নীরবতা সৌদিতে ইরানের হামলায় নিহত মোশাররফের মরদেহ দেশে এসেছে পদ্মা ও যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ে ইরানের ড্রোন হামলা

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভোট হালাল হলে গণভোট হারাম কেন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

ভোট হালাল হলে গণভোট হারাম কেন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের