ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন দল চায়নি, নিজে থেকেই পদত্যাগ করছি: ইশরাক আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সাথে প্রতারণা হবে: প্রধানমন্ত্রী জুলাই একদিনে সংঘটিত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু দুপুরে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, জানালেন ফেসবুকে মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা আজ ২২ অক্টোবর খুলনা-বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর ভিত্তিহীন: প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চাইল বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেফতার অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই দুর্গাপূজার মূল দর্শন: রাষ্ট্রপতি ১৭ বছরে তথ্য কমিশনকে কাজ করতে দেওয়া হয়নি: প্রধান তথ্য কমিশনার প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ: ডিবি প্রধান ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করল গ্রামীণ কল্যাণ কলকাতায় ভেঙে পড়ল দুর্গাপূজার মণ্ডপ, পদদলিত হয়ে নিহত ১৯ জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
শরীয়তপুরে তিন নারীসহ ইউএনওর গাড়িচালক আটক

শরীয়তপুরে তিন নারীসহ ইউএনওর গাড়িচালক আটক