ঢাকা , সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ , ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উচ্ছ্বাস নিয়ে জীবনের প্রথমবার স্কুলে জুনায়েদ, বাড়ি ফিরলো নিথর দেহে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ বাউফলে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় নারী গ্রেফতার আইপিএল নিয়ে সিদ্ধান্তের কোনো প্রভাব দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়বে না: বাণিজ্য উপদেষ্টা ত্রয়োদশ নির্বাচন: ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে ৫৭ জন বৈধ মুসাব্বিরকে হত্যার কারণ জানালেন ডিএমপির ডিবিপ্রধান স্কুল ব্যাগে মিলল শক্তিশালী বোমা, বিস্ফোরণ ঘটাল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন মাহমুদুর রহমান মান্না হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি এমন সম্পদের মালিককে শাসক হিসেবে চাই না -দুদক চেয়ারম্যান চিন্তা করে ভোট দেবেন, যাতে পরে পস্তাতে না হয়: উপদেষ্টা রিজওয়ানা বেকহ্যামের পরিবারে চরম কলহ, বাবা-মাকে ছেলের আইনি নোটিশ শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপের দাবিতে শিক্ষার্থীরা অনড় খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা ২০২৬ সালে কলেজে বেড়েছে ছুটি, তালিকা প্রকাশ মেঘলা থাকবে ঢাকার আকাশ, কমতে পারে তাপমাত্রা ইরানে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হচ্ছে গুলি, ২ হাজার নিহতের শঙ্কা ১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছি আমি: আসিফ নজরুল একটি বিশেষ দলকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে সিগন্যালিং করা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম ইব্রাহিম (আ.)-এর কোরবানির চেয়েও জামায়াত নেতার কোরবানি বড় চুয়াডাঙ্গায় প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, আটক ২

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
একাধিক বিয়ের অনুমতির প্রক্রিয়াটি স্বেচ্ছাচারী নয়: হাইকোর্ট

একাধিক বিয়ের অনুমতির প্রক্রিয়াটি স্বেচ্ছাচারী নয়: হাইকোর্ট