ঢাকা , শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ , ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিশার বিরুদ্ধে অভিনয়শিল্পী সংঘে অভিযোগ দিলেন অথই ইউরোপের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে ইরান: ন্যাটো মহাসচিব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ায় ইরানের ওপর চটল তুরস্ক ইরানের ৭৫টি ক্ষেপণাস্ত্র, ১২৩টি ড্রোন আটকানোর দাবি বাহরাইনের পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে নিয়ে ‘ভিত্তিহীন’ খবর, কঠোর অবস্থানে পিসিবি প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে থাকবে না মন্ত্রী-আমলাদের লম্বা লাইন বন্ধ হয়ে পড়া পাটকল চালুর জন্য কাজ করছে সরকার: পাটমন্ত্রী চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও বাজারমুখী করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টনের গেজেট প্রকাশ কাতারে রেভল্যুশনারি গার্ডের ১০ গুপ্তচর গ্রেপ্তার আনসারকে জনসেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজও ২৫টি ফ্লাইট বাতিল, ৫ দিনে মোট ১৭৩ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস অগ্রাধিকার কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনায় কর্মব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখন নতুন নেতৃত্বকে আঘাত হানতে ‘তৃতীয় ঢেউ’ আসছে, ইরানের প্রতি সতর্কবার্তা ট্রাম্পের ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইরানের হামলা, নেতানিয়াহুর পরিণতি অস্পষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২২ লাখ টাকার ১০ ভারতীয় গরু জব্দ আলোচনার মাধ্যমে ঢাকা-দিল্লি বাণিজ্য সমস্যার সমাধান করবে সরকার

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তিশার বিরুদ্ধে অভিনয়শিল্পী সংঘে অভিযোগ দিলেন অথই

তিশার বিরুদ্ধে অভিনয়শিল্পী সংঘে অভিযোগ দিলেন অথই