ঢাকা , সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির ইচ্ছা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন: উপদেষ্টা আদিলুর দুর্বল কাঁধে বিশাল দায়িত্ব, বহনের চেষ্টা করবো: মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার সমুদ্রবন্দর বিধ্বস্ত দেশ ছেড়ে পালানোর সময় ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী গ্রেপ্তার ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় কাস্টমারকে কুপিয়ে জখম মুখ খুললে অনেকের আন্ডারঅয়্যারও খসে পড়ার চান্স আছে, হিসাব করে পাঙ্গা লড়তে আইসেন-ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ফেসবুক পোস্ট ব্যাঙের বিষ দিয়ে নাভালনিকে হত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২ আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল স্মৃতিসৌধে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বিএনপির আগ্রহে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান : আইন উপদেষ্টা মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করে পুলিশের কাছে বাবার আত্মসমর্পণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: মঙ্গলবার শপথ পাঠ করাবেন সিইসি মোদি-শেহবাজসহ আরও যেসব বিশ্বনেতা পেলেন শপথ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে নিহত ২ নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দুই বিষয়ে শপথ নেবেন: আলী রীয়াজ ভোটে জিতে হাঁস কোলে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা পরাজয়ের পর ফেসবুক পোস্টে যা বললেন তাসনিম জারা

১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ

  • আপলোড সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৩-২০২৫ ০২:০৫:১৮ অপরাহ্ন
১২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেও মৃতপ্রায় কুমার নদ
কখনো পানির প্রবাহে ভরা, কখনো বিশাল জলরাশির গর্জন—এভাবেই একসময় প্রবাহিত হতো মাদারীপুরের কুমার নদ। সময়ের বিবর্তনে অযত্ন, অবহেলা ও দখল-দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এই নদ।

নদীর জৌলুস ফেরাতে সরকার দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করলেও ফিরে আসেনি আগের স্রোত। বর্ষাকালে কিছুটা পানি দেখা গেলেও শুষ্ক মৌসুমে তা শুকিয়ে খালে পরিণত হয়। নদীর পানি ঠিক রাখতে পুনরায় খননের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খননের আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুমার নদের তীর ঘেঁষে একসময় গড়ে উঠেছিল মাদারীপুর জেলার চরমুগরিয়া ও রাজৈরের টেকেরহাট বন্দর। দুই দশক আগেও মাদারীপুর থেকে খুলনা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নৌপথে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ছিল এই নদ।

তখন নদীর পানিতে ছিল গভীরতা, ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। খুলনা থেকে বড় বড় স্টিমার এসে ভিড়ত মাদারীপুরের চরমুগরিয়ায়। পাল তুলে ছুটে যেত বিশাল নৌকা। কিন্তু এখন সেই নদ শুধুই স্মৃতি।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কুমার নদ পুনরুজ্জীবিত করতে দুই দফায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে খনন না হওয়ায় নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। বর্ষার পানি কিছুদিন স্থায়ী থাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় নদীর জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। কোথাও কোথাও নদীর মাঝেই সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকসেদ শেখ বলেন, “আগে এই নদীর পানি সব কাজে ব্যবহার করা হতো। এখন ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হয়ে গেছে। গোসল করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাওয়া যায় না।”

স্থানীয় যুবক হাফিজ তালুকদার জানান, “খনন করলেও কাজের কাজ হয়নি। মাঝখানে বেশি খোঁড়াখুঁড়ি করায় দুই পাশে মাটি জমে গেছে। এতে মানুষ সহজেই দখল করতে পারছে। টেকেরহাটের বাশহাটা অংশে ভালোভাবে খনন না করায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হচ্ছে না।”

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের চৌধুরী বলেন,“নদ খননের জন্য নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদে কাজ চলছে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া কুমার নদ বাঁচানো সম্ভব নয়। তারা দ্রুত দখল উচ্ছেদ ও স্থায়ীভাবে খননের দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দুর্বল কাঁধে বিশাল দায়িত্ব, বহনের চেষ্টা করবো: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

দুর্বল কাঁধে বিশাল দায়িত্ব, বহনের চেষ্টা করবো: মন্ত্রিপরিষদ সচিব