ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কন্টেন্ট তৈরির সুযোগ দিচ্ছে পাবজি গেম পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর সেই তন্বীর সম্মানে ডাকসুর গুরুত্বপূর্ণ পদ ছেড়ে দিল ছাত্রদল ইসরায়েলি হামলা ও অনাহারে গাজায় নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬২ হাজার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির কোনো প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গুণগত পরিবর্তনের কারিগর: মাহফুজ আলম লাইনচ্যুত ট্রেন উদ্ধারে গিয়ে উদ্ধারকারী ট্রেনও লাইনচ্যুত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি-লেহেঙ্গা জব্দ প্রেসিডেন্ট হওয়ার খবর উড়িয়ে দিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বিদেশে বাংলাদেশি সব মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ যেসব জেলায় বৃষ্টি হতে পারে আজ ফারুকীর সর্বশেষ অবস্থা জানালেন তিশা গাজায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইল শেখ হাসিনা গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে: এ্যানি পাঁচ মেডিকেল কলেজে হচ্ছে বার্ন ইউনিট শেখ মুজিব জাতির পিতা নন, স্বাধীনতায় তার ত্যাগ স্বীকার করি: নাহিদ করমর্দন করলেন ট্রাম্প ও পুতিন ভোলাগঞ্জের পাথর লুটের ঘটনায় মামলা, অজ্ঞাতনামা আসামি ২ হাজার ৪০ মিনিট অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখলো সিন্ডিকেট, ভেতরে নবজাতকের মৃত্যু ভারতে বাংলাভাষীদের হেনস্তার তীব্র সমালোচনা করলেন মমতা

তিন বছরে সর্বনিম্নে ডলারের মান

  • আপলোড সময় : ১২-০৪-২০২৫ ০৪:১৮:৫৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৪-২০২৫ ০৪:১৮:৫৭ অপরাহ্ন
তিন বছরে সর্বনিম্নে ডলারের মান
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে পরিচিত মার্কিন ডলারের মান গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণার পর এই রেকর্ড পতন ঘটে।

বিশ্বজুড়ে লেনদেনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় মার্কিন ডলার। ফোর্বস সাময়িকী ও ডলারের সূচক (DXY) অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ডলারের মান কমে দাঁড়ায় ৯৯ দশমিক ০১-এ। এটি এক বছরের ব্যবধানে ডলারের প্রায় ৮ শতাংশ পতনের নজির।

ফোর্বস জানায়, গত বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের বহু দেশের ওপর নজিরবিহীন আমদানি শুল্ক আরোপ করেন। এরপরই বৈশ্বিক বাজারে টালমাটাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে ব্যাপক ধস নামে। তবে চীন ব্যতীত বাকি দেশগুলোর জন্য তিন মাসের জন্য শুল্ক স্থগিত ঘোষণা করে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হয়।

ডলারের মান পতনের পেছনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কারণ, অধিকাংশ দেশের মুদ্রার মান নির্ধারিত হয় মার্কিন ডলারের সঙ্গে তুলনায়। এটিকেই বলা হয় ‘এক্সচেঞ্জ রেট’।

এক সময় অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মান মার্কিন ডলারের সঙ্গে নির্দিষ্টভাবে বেঁধে দেওয়া ছিল (১৯৯৮ সাল পর্যন্ত)। পরে তা বাতিল করা হলে এখন মুদ্রাটির মূল্য নির্ধারিত হয় চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে।

বিশ্ববাজারে যেসব মুদ্রার চাহিদা বেশি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যেসব দেশের বেশি এবং আন্তর্জাতিক পণ্যের রপ্তানি যেসব দেশের শক্তিশালী—সেসব দেশের মুদ্রা সাধারণত বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। কিন্তু মার্কিন ডলারের মতো মুদ্রার এমন পতন বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কন্টেন্ট তৈরির সুযোগ দিচ্ছে পাবজি গেম

কন্টেন্ট তৈরির সুযোগ দিচ্ছে পাবজি গেম