ঢাকা , সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ , ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাইওয়ের পাশে টিকিট কাউন্টার থাকবে না : সড়কমন্ত্রী ১১ জেলায় নতুন ডিসি লালমনিরহাটে রেললাইনে শুয়ে থাকা বৃদ্ধ ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ থাকছে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী ৮ বছর বন্ধ ছিল হামের টিকা, নতুন করে কিনতে ব্যয় হচ্ছে ৬০৪ কোটি- স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগরিকায় কোল্ড স্টোরেজে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট খাবারের অভাবেই মারা গেছেন সুনামগঞ্জের ১০ জন, লাশ ফেলে দেওয়া হয় ভূমধ্যসাগরে দরকষাকষিতে মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স, নবজাতকের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন সেনাপ্রধান আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বগতি হলেও দেশে বাড়ছে না তেলের দাম- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন এই ৫ ফল তেল না পেয়ে পাম্পের ম্যানেজারকে ট্রাকচাপায় হত্যা ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিগত সংসদ ছিল রাবার স্ট্যাম্প, এখন গণতন্ত্র উদ্ধার হয়েছে: ডেপুটি স্পিকার ঢাকায় বাড়তে পারে গরমের অনুভূতি, আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক ১৩ দিন বিরতির পর বিকেলে বসছে সংসদ অধিবেশন এআই চরিত্রের প্রেমে ৮৪ বয়সি নারী, লিখলেন প্রেমপত্র দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন খাল খননে জিয়াউর রহমানের নাম সামনে আসবে বলে উদ্যোগ নেয়নি বিগত সরকার স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী আর নেই

গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কবি রফিক আজাদের স্মৃতিস্মারক বাড়ি

  • আপলোড সময় : ১৬-০৪-২০২৫ ০৪:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৪-২০২৫ ০৪:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন
গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কবি রফিক আজাদের স্মৃতিস্মারক বাড়ি
প্রয়াত কবি রফিক আজাদের ধানমণ্ডির বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দিয়েছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। প্রায় ২৯ বছর তিনি এই বাড়িতে সপরিবারে বসবাস করেছেন এবং এখানেই রচনা করেছেন ২০টিরও বেশি কাব্যগ্রন্থ। বুধবার সকালে পূর্ব পাশে থাকা দুটি ইউনিট ভাঙার কাজ শুরু হয়।

ধানমণ্ডির ১ নম্বর সড়কের ১৩৯/৪এ নম্বর বাড়িটিতে মোট চারটি ইউনিট ছিল। এর মধ্যে একটি ইউনিটে এখনও বসবাস করছেন কবির স্ত্রী কবি দিলারা হাফিজ। বাকি তিনটি ইউনিট অন্যদের নামে বরাদ্দ ছিল। বাড়িটির আয়তন প্রায় ৫ কাঠা জমির ওপর।

১৯৮৮ সালে দিলারা হাফিজের নামে বাড়িটি সাময়িকভাবে বরাদ্দ দেয় ‘এস্টেট অফিস’। সে সময় তিনি ইডেন কলেজের প্রভাষক ছিলেন। বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়, এতে স্থায়ী মালিকানা দাবি করা যাবে না, তবে পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে বসবাস করা যাবে।

দীর্ঘদিন পর সৈয়দ নেহাল আহাদ নামের একজন ব্যক্তি বাড়িটির মালিকানা দাবি করেন এবং ২০১২ সালে আদালত তার পক্ষে রায় দেন। এরপর দিলারা হাফিজ মামলা করলে আদালত বাড়িটির স্থিতাবস্থা দেন, যা পরবর্তীতে স্থায়ী করা হয়। মামলাটি এখন ঢাকার সপ্তম সহকারী জজ আদালতে বিচারাধীন এবং ২৫ মে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার দিলারা হাফিজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দিয়ে বাড়ির স্মৃতিমূল্য বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। পরদিনই, বুধবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য। সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ এবং পরে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে অবসর নেন তিনি। তার স্বামী কবি রফিক আজাদ ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের দুই সন্তান অভিন্ন আজাদ ও অব্যয় আজাদ বর্তমানে প্রবাসে আছেন।

এ বিষয়ে দিলারা হাফিজ বলেন, কবি রফিক আজাদের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে বাড়িটির অংশবিশেষ সংরক্ষণের জন্য তিনি বহুবার চেষ্টা করেছেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে, তা তিনি কল্পনাও করেননি।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
১১ জেলায় নতুন ডিসি

১১ জেলায় নতুন ডিসি