ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ , ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতকে নারীরাই বেশি ভোট দেবেন, কারণ তারা শান্তিপ্রিয়: তাহের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ইনসাফ নিয়ে শঙ্কা হাসনাত আবদুল্লাহর আঘাত এলে এখন থেকে পাল্টা আঘাত : নাহিদ ইসলাম মোস্তাফিজকে খেলতে না দেওয়া ‘চরম অপমান’: জামায়াত আমির ময়মনসিংহে সমাবেশ মঞ্চে তারেক রহমান, নেতাকর্মীদের ঢল নারী কর্মীদের ওপর হামলা, ৩১ জানুয়ারি নারী সমাবেশ জামায়াতের পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন জ্বালানি উপদেষ্টা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওমানের সুখবর ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ একদিকে ফ্যামিলি কার্ড, অন্যদিকে নারীদের গায়ে হাত মেনে নেয়া হবে না যশোরে নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াত আমির দেশে ৬১ লাখ গাঁজাখোর! জাতীয় গবেষণা প্রতিবেদন পাকিস্তানে সতর্কতা জারি, পর্যটকদের ভ্রমণ এড়ানোর পরামর্শ সাদ্দামের লগে কি করছস’ বলে বাগেরহাটের ডিসি-এসপিকে ফোনে হুমকি অসুস্থ দাদাকে দেখতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু চট্টগ্রামে বিএনপির জনসভার ১৮টি মাইক, ৫ কয়েল তার চুরি “আর ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নয়”—ঢাকা–১১ তে ড. কাইয়ুমের কড়া বার্তা শেষবারের মতো পান্ডা দেখতে টোকিওতে দর্শকের ভিড় শেষবারের মতো পান্ডা দেখতে টোকিওতে দর্শকের ভিড় পে কমিশনের সুপারিশ: ‘আশার আলো’ সরকারি চাকরিজীবীদের, শঙ্কায় বেসরকারিখাত! স্বামীর তথ্যে অভিযান, স্ত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার

গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কবি রফিক আজাদের স্মৃতিস্মারক বাড়ি

  • আপলোড সময় : ১৬-০৪-২০২৫ ০৪:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৪-২০২৫ ০৪:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন
গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কবি রফিক আজাদের স্মৃতিস্মারক বাড়ি
প্রয়াত কবি রফিক আজাদের ধানমণ্ডির বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দিয়েছে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। প্রায় ২৯ বছর তিনি এই বাড়িতে সপরিবারে বসবাস করেছেন এবং এখানেই রচনা করেছেন ২০টিরও বেশি কাব্যগ্রন্থ। বুধবার সকালে পূর্ব পাশে থাকা দুটি ইউনিট ভাঙার কাজ শুরু হয়।

ধানমণ্ডির ১ নম্বর সড়কের ১৩৯/৪এ নম্বর বাড়িটিতে মোট চারটি ইউনিট ছিল। এর মধ্যে একটি ইউনিটে এখনও বসবাস করছেন কবির স্ত্রী কবি দিলারা হাফিজ। বাকি তিনটি ইউনিট অন্যদের নামে বরাদ্দ ছিল। বাড়িটির আয়তন প্রায় ৫ কাঠা জমির ওপর।

১৯৮৮ সালে দিলারা হাফিজের নামে বাড়িটি সাময়িকভাবে বরাদ্দ দেয় ‘এস্টেট অফিস’। সে সময় তিনি ইডেন কলেজের প্রভাষক ছিলেন। বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়, এতে স্থায়ী মালিকানা দাবি করা যাবে না, তবে পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে বসবাস করা যাবে।

দীর্ঘদিন পর সৈয়দ নেহাল আহাদ নামের একজন ব্যক্তি বাড়িটির মালিকানা দাবি করেন এবং ২০১২ সালে আদালত তার পক্ষে রায় দেন। এরপর দিলারা হাফিজ মামলা করলে আদালত বাড়িটির স্থিতাবস্থা দেন, যা পরবর্তীতে স্থায়ী করা হয়। মামলাটি এখন ঢাকার সপ্তম সহকারী জজ আদালতে বিচারাধীন এবং ২৫ মে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার দিলারা হাফিজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দিয়ে বাড়ির স্মৃতিমূল্য বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। পরদিনই, বুধবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য। সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ এবং পরে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে অবসর নেন তিনি। তার স্বামী কবি রফিক আজাদ ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের দুই সন্তান অভিন্ন আজাদ ও অব্যয় আজাদ বর্তমানে প্রবাসে আছেন।

এ বিষয়ে দিলারা হাফিজ বলেন, কবি রফিক আজাদের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে বাড়িটির অংশবিশেষ সংরক্ষণের জন্য তিনি বহুবার চেষ্টা করেছেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে, তা তিনি কল্পনাও করেননি।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জামায়াতকে নারীরাই বেশি ভোট দেবেন, কারণ তারা শান্তিপ্রিয়: তাহের

জামায়াতকে নারীরাই বেশি ভোট দেবেন, কারণ তারা শান্তিপ্রিয়: তাহের