ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

যুক্তরাষ্ট্রকে পাত্তাই দিচ্ছে না চীন, জিতবে কে?

  • আপলোড সময় : ১৬-০৪-২০২৫ ০৫:০৮:৫৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৪-২০২৫ ০৫:০৮:৫৩ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রকে পাত্তাই দিচ্ছে না চীন, জিতবে কে?
বিশ্বের দুই শীর্ষ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে শুল্কযুদ্ধ কোনোভাবেই যেন থামছে না। প্রতিদিনই এই যুদ্ধ নিচ্ছে নতুন মোড়, কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। ওয়াশিংটন শুল্কের পরিমাণ বাড়ালে পাল্টা শুল্ক চাপাচ্ছে বেইজিংও। কিন্তু এই বাণিজ্য যুদ্ধের শেষ কোথায়?ডোনাল্ড ট্রাম্প ৯০ দিনের জন্য বিভিন্ন দেশের ওপর কিছু শুল্ক স্থগিত করেছিলেন। কিন্তু চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেয়ায়, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট চীনা আমদানির ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ২৪৫ শতাংশ করেছেন। বিপরীতে মার্কিন পণ্যের ওপর তার শুল্ক ১২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে চীন।

 

শুল্ক সংক্রান্ত এই দ্বন্দ্ব বিশ্বের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক শৃঙ্খলাকে ওলটপালট করে দেয়ার ঝুঁকিতে ফেলেছে। তবে অনেক বিশেষজ্ঞের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই বাণিজ্য যুদ্ধে চীন এগিয়ে আছে বলেই মনে হচ্ছে।ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে, ২০১৮ সালে চীনের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেন। সেই সময়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চীনের রফতানির পরিমাণ ছিল দেশটির মোট রফতানির ১৯.৮ শতাংশ। দ্য কনভারসেশনের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে এই অনুপাত কমে ১২.৮ শতাংশে নেমে আসে।
 




দ্য কনভারসেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদিও যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি রফতানি কমেছে চীনের, তবু এখনও তৃতীয় দেশের মাধ্যমে আমদানি করে ওয়াশিংটন।
 
এনওয়াইটি নিউজ সার্ভিসের প্রতিবেদন অনুসারে, চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ইস্পাত তৈরির মতো কয়েকটি শিল্প লাভবান হবে, যদিও সামগ্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে অর্থনীতি। একদিকে আমদানি মূল্য বৃদ্ধি, অন্যদিকে মুদ্রাস্ফীতিজনিত চাপের মুখে পড়তে হবে ছোট-বড় সব খুচরা বিক্রেতাদের। কৃষক এবং অন্যান্য রফতানিকারকরা মার্কিন বাণিজ্য অংশীদারদের কাছ থেকে ‘প্রতিশোধমূলক’ শুল্কের লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন। 
 

 
এনওয়াইটি নিউজ সার্ভিস জানিয়েছে, জটিল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের মালিকানাধীন অটোমেকার, প্রযুক্তি কোম্পানি এবং অন্যান্য নির্মাতাদের দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং অনিশ্চিত বাণিজ্য ব্যবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বিশেষভাবে কঠিন সময় কাটাতে হবে। যেকোনো স্তরের প্রায় সব মার্কিন নির্মাতাই কিছুটা হলেও আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তা সে যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল অথবা তাদের কারখানায় ব্যবহৃত সরঞ্জামের জন্যই হোক। 
 
প্রতিবেদন অনুসারে, তত্ত্বগতভাবে শুল্ক, ভর্তুকি এবং অন্যান্য প্রণোদনার সঠিক মিশ্রণের মাধ্যমে সরকার কোম্পানিগুলোকে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খলের আরও বেশি অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করতে চাপ দিতে সক্ষম হতে পারে।
 
কিন্তু এতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ কোম্পানিগুলোকে নতুন কারখানা তৈরি করতে হবে এবং নতুন সরবরাহকারী খুঁজে বের করতে হবে। যেসব যন্ত্রাংশ এবং সরঞ্জাম আর স্থানীয়ভাবে তৈরি হয় না, তাদের জন্য কোম্পানিগুলোকে নতুন করে সরবরাহ শৃঙ্খল পুনর্নির্মাণ করতে হবে। এছাড়া মার্কিন শ্রমশক্তিতে ইতোমধ্যেই দক্ষ কর্মীর বেশ ঘাটতি রয়েছে। 
 

 
ফলে নতুন প্রজন্মের ওয়েল্ডার, সিএনসি মেকানিক্স এবং সিএডি টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ দিতে বছরের পর বছর সময় লাগবে যুক্তরাষ্ট্রের। সবমিলিয়ে, এই বাণিজ্য যুদ্ধে কি সত্যিকার অর্থেই কেউ জয়ী হবে? এর উত্তর কেবল সময়ই বলবে।
 
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস

 

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা