ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ , ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ বন্যা-পাহাড়ধসে সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে, বড় ধরনের আশঙ্কা নেই : ত্রাণমন্ত্রী আর মুক্তি নয়, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন তরুণদের ট্রেন্ড লাখো মানুষের ঢল, সম্পন্ন হলো খামেনির জানাজা ৪২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টি চট্টগ্রামে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভোট কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৬ দিনে এসেছে ৮৫৪৩ কোটি টাকা রেমিট্যান্স বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ২৩, আহত শতাধিক ‘১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি’ হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৩৩ চট্টগ্রামে হবে চাইনিজ ইকোনমিক জোন: অর্থমন্ত্রী বান্দরবানে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য গ্রেপ্তার ‘আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম...’ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজা : বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার ব্রাজিলের কাছে এখনও যে সমীকরণে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা থেমে যেতে পারে আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ কেপ ভার্দে ম্যাচে যেসব রেকর্ড হতে পারে মেসি-স্কালোনি-আর্জেন্টিনার

আদানিকে ১৭৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করলো বাংলাদেশ

  • আপলোড সময় : ০৯-১১-২০২৪ ০৮:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-১১-২০২৪ ০৮:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
আদানিকে ১৭৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করলো বাংলাদেশ
ভারতের আদানি গ্রুপকে বিদ্যুতের বকেয়া বিল বাবদ ১৭৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যে অবস্থিত আদানির গোড্ডা পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখা হয়, তারই অংশ হিসেবে এই বিদ্যুৎ বিলের বকেয়ার কিছু অংশ পরিশোধ করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানি গ্রুপ বিদ্যুতের বকেয়া হিসেবে বাংলাদেশের কাছে পাওনা ৮৪৩ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নানা কারণে সেই বকেয়া পরিশোধে জটিলতা তৈরি হয়। কিছুদিন আগে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে আনে। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ১৭৩ মিলিয়ন ডলারের একটি নতুন লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) জারি করেছে। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের তরফ থেকে এটি আদানি পাওয়ারকে দেওয়া তৃতীয় এলসি। বাংলাদেশের কৃষি ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই এলসি দেওয়া হয়েছে, ভারতের আইসিআইসিআই ব্যাংককে। আগের এলসিগুলো বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ছিল না।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে আদানি পাওয়ারের দুটি ইউনিট রয়েছে, যেগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা মোট ১৬০০ মেগাওয়াট। এর পুরোটাই আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে রপ্তানি করে। এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশের চাহিদার ১০ শতাংশ পূরণ করে। কোম্পানিটির কাছ থেকে ২৫ বছর মেয়াদে বিদ্যুৎ কিনতে ২০১৫ সালে শেখ হাসিনা সরকার চুক্তিটি করেছিল। যা ছিল এক অসম চুক্তি। সব সুবিধা দেওয়া হয় আদানিকে। যা নিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়। আদানির সঙ্গে একপেশে চুক্তি অনুযায়ী, তাদেরকে প্রতি মাসে ৯৫ থেকে ৯৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয় বাংলাদেশকে।

সমালোচকরা বলেছেন, ভারতের সহায়তায় শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ আদানির গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুত্ ক্রয়ের এই চুক্তি করা হয়েছিল। যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। আর দায় মেটাতে হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণকে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ

৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ