ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৩

  • আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৫ ১০:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৫ ১০:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৩
মাগুরার আট বছরের শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ রায় দেন। আলোচিত এই মামলায় আসামি ছিলেন, শিশুটির বড় বোনের শ্বশুর হিটু শেখ, বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা রোকেয়া বেগম।আদালত মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া মামলার অন্য আসামিরা- বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা রোকেয়া বেগমকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল আলোচিত মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিচার কার্যক্রম। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন ২৯ জন। ছুটির দিন বাদে টানা শুনানি করে ১২ কার্যদিবসে শেষ হয় বিচার।





রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মেডিকেল অ্যাভিডেন্স ও সাক্ষীদের জবানবন্দিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর জানান, এ মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি, মেডিকেল রিপোর্ট, পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য এবং মামলার মৌখিক ও দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা রাষ্ট্রপক্ষ মামলা প্রমাণ করতে পেরেছে।ফলে একটি নিষ্পাপ শিশুকে যেভাবে অমানবিক পাশবিক নির্যাতনে হত্যা করা হয়েছে, তার জন্য আসামিদের আদালত সর্বোচ্চ সাজা দেবে, যা বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। 




এর আগে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বাদীপক্ষের আইনজীবী বলেন, মাগুরায় আট বছরের শিশুর সঙ্গে বর্বর পাশবিক ঘটনায় সারা দেশ প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরাও এ ঘৃণ্য ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি জানায়।মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে গত ৬ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। এ ঘটনার পর মাগুরাসহ সারা দেশের মানুষ প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। গত ৮ মার্চ পুলিশের অভিযুক্ত এ চারজনকেই আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন শিশুর মা আয়েশা আক্তার।ধর্ষণের ঘটনার পর শিশুকে প্রথমে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ফরিদপুর মেডিকেল এবং পরে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।





এ ঘটনার পর পুলিশের রিমান্ড চলাকালে মামলার মূল আসামি হিটু শেখ ১৫ মার্চ মাগুরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। যেখানে এ ঘটনায় সে একাই জড়িত বলে স্বীকারোক্তি দেয়।গত ১৩ এপ্রিল চাঞ্চল্যকর এ মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আলাউদ্দিন সরদার শিশুটির মায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত চার আসামি আছিয়ার বোনের শ্বশুর হিটু শেখ, বোনের শাশুড়ি জাহেদা বেগম, বোনজামাই সজীব শেখ ও সজীবের বড় ভাই রাতুল শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ২৩ এপ্রিল চার্জ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ২৭ এপ্রিল বাদীসহ তিনজনের সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে সাক্ষীর কার্যক্রম শুরু হয়ে ৭ মে অষ্টম কার্যদিবসের মধ্যে সাক্ষ্য পর্ব শেষ হয়। 




৮ মে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। এ ছাড়া ১২ ও ১৩ মে যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ মে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে আদালত। 

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা