ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা আমরা তো ওই রাজনৈতিক দল না, যে নিশি রাতের ভোট করব : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোসলে নেমে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা : উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কী করতে পারেন, কী পারেন না? শপথ নিতে যাওয়া ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বদলি নিয়ে অপপ্রচার, জাতিসংঘ মিশনে নতুন দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু, বেতন–ভাতাসহ যেসব সুবিধা পান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি সংশোধন হবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি ভোটের মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমেদ ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন দীপু মনি অবশেষে বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদে মনোনোয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট
জাতিসংঘের বিবৃতি

৪২৭ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আচমকাই ডুবলো দুই নৌকা

  • আপলোড সময় : ২৪-০৫-২০২৫ ০৪:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৫-২০২৫ ০৪:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন
৪২৭ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আচমকাই ডুবলো দুই নৌকা
বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে পৃথক দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪২৭ জন রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়েছেন। আজ শনিবার (২৪ মে) জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন নারী, পুরুষ ও শিশুরা।

বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ৯ মে। ওইদিন মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের উপকূল থেকে ২৬৭ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে রওনা হয় একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা। তবে কিছুদূর এগোনোর পরই তা ডুবে যায়। নৌকাডুবির পর মাত্র ৬৬ জন যাত্রী জীবিত ফিরে আসেন, বাকিদের আর খোঁজ মেলেনি।

এর ঠিক পরদিন, ১০ মে ঘটে আরও একটি অনুরূপ দুর্ঘটনা। ওইদিনও আরাকান উপকূল থেকে একটি কাঠের ইঞ্জিনচালিত নৌকা রওনা দিয়েছিল ২৪৭ জন যাত্রী নিয়ে। একইভাবে কিছুদূর গিয়েই সেটিও ডুবে যায়। এবার বেঁচে ফেরেন মাত্র ২১ জন। নিখোঁজ বাকি ২২৬ জনের কোনো সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

এই দুই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক ব্যুরোপ্রধান হাই কিউং জুন বলেন, "মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে চলা সহিংসতা এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর লাগাতার নির্যাতন-নিপীড়ন তাদেরকে এমন বিপজ্জনক পথ বেছে নিতে বাধ্য করছে।"

রোহিঙ্গা সংকটের সূত্রপাত ২০১৭ সালের আগস্টে, যখন আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) রাখাইনের পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে একযোগে হামলা চালায়। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ভয়াবহ হামলা শুরু করে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে। নির্যাতন, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মুখে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবির স্থাপন করে তাদের আশ্রয় দেয়। এরপর জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর সহায়তায় খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদান শুরু হয়। বর্তমানে কুতুপালংসহ অন্যান্য শিবিরে ১৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন।

৯ ও ১০ মে নিখোঁজ হওয়া রোহিঙ্গা যাত্রীরা কোথায় যাচ্ছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা উন্নত জীবনের আশায় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য কোনো দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা