ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কন্টেন্ট তৈরির সুযোগ দিচ্ছে পাবজি গেম পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর সেই তন্বীর সম্মানে ডাকসুর গুরুত্বপূর্ণ পদ ছেড়ে দিল ছাত্রদল ইসরায়েলি হামলা ও অনাহারে গাজায় নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬২ হাজার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির কোনো প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গুণগত পরিবর্তনের কারিগর: মাহফুজ আলম লাইনচ্যুত ট্রেন উদ্ধারে গিয়ে উদ্ধারকারী ট্রেনও লাইনচ্যুত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি-লেহেঙ্গা জব্দ প্রেসিডেন্ট হওয়ার খবর উড়িয়ে দিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বিদেশে বাংলাদেশি সব মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ যেসব জেলায় বৃষ্টি হতে পারে আজ ফারুকীর সর্বশেষ অবস্থা জানালেন তিশা গাজায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইল শেখ হাসিনা গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে: এ্যানি পাঁচ মেডিকেল কলেজে হচ্ছে বার্ন ইউনিট শেখ মুজিব জাতির পিতা নন, স্বাধীনতায় তার ত্যাগ স্বীকার করি: নাহিদ করমর্দন করলেন ট্রাম্প ও পুতিন ভোলাগঞ্জের পাথর লুটের ঘটনায় মামলা, অজ্ঞাতনামা আসামি ২ হাজার ৪০ মিনিট অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখলো সিন্ডিকেট, ভেতরে নবজাতকের মৃত্যু ভারতে বাংলাভাষীদের হেনস্তার তীব্র সমালোচনা করলেন মমতা
জাতিসংঘের বিবৃতি

৪২৭ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আচমকাই ডুবলো দুই নৌকা

  • আপলোড সময় : ২৪-০৫-২০২৫ ০৪:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৫-২০২৫ ০৪:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন
৪২৭ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আচমকাই ডুবলো দুই নৌকা
বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে পৃথক দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪২৭ জন রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়েছেন। আজ শনিবার (২৪ মে) জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন নারী, পুরুষ ও শিশুরা।

বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ৯ মে। ওইদিন মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের উপকূল থেকে ২৬৭ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে রওনা হয় একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা। তবে কিছুদূর এগোনোর পরই তা ডুবে যায়। নৌকাডুবির পর মাত্র ৬৬ জন যাত্রী জীবিত ফিরে আসেন, বাকিদের আর খোঁজ মেলেনি।

এর ঠিক পরদিন, ১০ মে ঘটে আরও একটি অনুরূপ দুর্ঘটনা। ওইদিনও আরাকান উপকূল থেকে একটি কাঠের ইঞ্জিনচালিত নৌকা রওনা দিয়েছিল ২৪৭ জন যাত্রী নিয়ে। একইভাবে কিছুদূর গিয়েই সেটিও ডুবে যায়। এবার বেঁচে ফেরেন মাত্র ২১ জন। নিখোঁজ বাকি ২২৬ জনের কোনো সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

এই দুই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক ব্যুরোপ্রধান হাই কিউং জুন বলেন, "মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে চলা সহিংসতা এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর লাগাতার নির্যাতন-নিপীড়ন তাদেরকে এমন বিপজ্জনক পথ বেছে নিতে বাধ্য করছে।"

রোহিঙ্গা সংকটের সূত্রপাত ২০১৭ সালের আগস্টে, যখন আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) রাখাইনের পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে একযোগে হামলা চালায়। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ভয়াবহ হামলা শুরু করে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে। নির্যাতন, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মুখে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবির স্থাপন করে তাদের আশ্রয় দেয়। এরপর জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর সহায়তায় খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদান শুরু হয়। বর্তমানে কুতুপালংসহ অন্যান্য শিবিরে ১৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন।

৯ ও ১০ মে নিখোঁজ হওয়া রোহিঙ্গা যাত্রীরা কোথায় যাচ্ছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা উন্নত জীবনের আশায় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য কোনো দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কন্টেন্ট তৈরির সুযোগ দিচ্ছে পাবজি গেম

কন্টেন্ট তৈরির সুযোগ দিচ্ছে পাবজি গেম