ঢাকা , রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ , ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোজাফফরের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সংসদের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা অনেক : ডেপুটি স্পিকার ক্ষমতায় যেতে তারা জুলাইকে ব্যবহার করতে চায়: বিএনপি মহাসচিব আগামী সপ্তাহে ৭ জেলায় বন্যার আভাস ঠান্ডা মাথায় রাষ্ট্রপতি জিয়াকে প্রথম গুলিটি করেন মোজাফফর! মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ধরা খেলেন জিয়ার খুনি মোজাফফর! চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সেই কালরাতে মেজর মোজাফফরের যে ভূমিকা ছিল জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের আসামি মোজাফফর সেনা হেফাজতে আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১৩ জেলায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যারিয়াল ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার আজিম খান রনি বাউল আব্দুল করিম শাহ্: লালনগীতির আদি সুরের সাধক টানা বৃষ্টির পর রাজধানীতে মিলেছে সূর্যের দেখা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা মডেল মসজিদ প্রকল্পের ব্যয় কীভাবে বেড়েছে, তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালে তরুণ প্রজন্মের নিশানায় প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ বৃহস্পতিবার থেকে আবারও শুরু হতে পারে অতিভারী বর্ষণ জলাবদ্ধতা কিছুটা কমলেও দুর্ভোগ কাটেনি রাজধানীবাসীর আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০০৯

সরকারি চাকরির অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ

  • আপলোড সময় : ২৬-০৫-২০২৫ ১২:৪০:১৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৫-২০২৫ ১২:৪০:১৭ অপরাহ্ন
সরকারি চাকরির অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল করছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা।আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ের বাদামতলায় এসে তারা জড়ো হন কর্মচারীরা। পরে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে তারা এই জমায়েত করেন।‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদনের প্রতিবাদে সচিবালয়ের ভেতরে গতকাল রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ-মিছিল করেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা। তারা এই অধ্যাদেশকে ‘নিবর্তনমূলক ও কালাকানুন’ আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তা না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।




এর আগে, গতকাল রোববার ২৫ মে সকাল ১০টায় সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে এক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি পুরো সচিবালয় প্রদক্ষিণ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে এসে অবস্থান নেয়।জানা গেছে, সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের দমন নিপীড়নের জন্য যে বিবর্তনমূলক ‘কালোআইন’ প্রণয়ন করেছে। সে আইন বাতিল করাসহ কর্মচারীদের রেশন ও সচিবালয় ভাতা চালুর দাবীতে এই বিক্ষোভ।




বিক্ষোভে অংশ নেওয়ারা বলেন, কালাকানুন যুক্ত করে প্রণীত অধ্যাদেশ কেউ মানবে না। ১৯৭৯ সালের সরকারি চাকরির বিশেষ বিধান ইতোমধ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করেছেন। এই বাতিল বিধান পুনরুজ্জীবিত করার মানে নতুনভাবে বিতর্ক তৈরি করা। বর্তমান সরকার সেই কাজটিই করেছে। এর ফলে কর্মচারীদের অধিকার খর্ব হবে, তারা কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়বে। কাজেই এই অধ্যাদেশ বাতিল করতে হবে। অন্যথায় যে কোনো মূল্যে এটা প্রতিহত করা হবে। প্রয়োজনে তারা আইন মন্ত্রণালয়ের সব রুমে তালা দেবেন বলে ঘোষণা করেন।



অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের চারটি বিষয়কে অপরাধের আওতাভুক্ত করা হয়। সেগুলো হলো সরকারি কর্মচারী যদি এমন কোনো কাজে লিপ্ত হন, যা অনানুগত্যের শামিল বা যা অন্য যেকোনো সরকারি কর্মচারীর মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে; অন্যান্য কর্মচারীর সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে ছুটি ছাড়া বা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হন; অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে বা বিরত থাকতে বা তার কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেন বা প্ররোচিত করেন এবং যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তাহলে তিনি অসদাচরণের দায়ে দণ্ডিত হবেন। অধ্যাদেশে এসব অপরাধের শাস্তি হিসেবে বলা হয়েছে, দোষী কর্মচারীকে নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া, চাকরি থেকে অপসারণ বা বরখাস্ত করার দণ্ড দেওয়া যাবে।





অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। আর অভিযুক্ত কর্মচারীকে দোষী সাব্যস্ত করা হলে কেন দণ্ড আরোপ করা হবে না, সে বিষয়ে আরও সাত কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তার ভিত্তিতে দণ্ড আরোপ করা যাবে। এভাবে দণ্ড আরোপ করা হলে দোষী কর্মচারী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। তবে রাষ্ট্রপতির দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করা যাবে।




উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে ১৫ লাখের মতো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন। আইন অনুযায়ী সবাই কর্মচারী।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইসরায়েলকে হারানোর ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের দিল নরওয়ে

ইসরায়েলকে হারানোর ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের দিল নরওয়ে