ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অ্যাম্বুলেন্সেই পুত্রসন্তানের জন্ম, মা-নবজাতক সুস্থ কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার রাজপথে হুমকি নয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন: রিজভী দাম বাড়লেও মিলছে না সয়াবিন তেল, ব্রয়লারে ফের ডাবল সেঞ্চুরি সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে সব সেবা মেসির জন্য বিশেষ হাততালি দেবে আর্জেন্টিনা সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস জলবায়ু অর্থায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সমন্বয়ক ড. সাইমুম পারভেজ প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা আমরা তো ওই রাজনৈতিক দল না, যে নিশি রাতের ভোট করব : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোসলে নেমে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা : উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কী করতে পারেন, কী পারেন না? শপথ নিতে যাওয়া ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বদলি নিয়ে অপপ্রচার, জাতিসংঘ মিশনে নতুন দায়িত্ব

ইসরায়েলি বোমা হামলায় গাজার ১১ বছর বয়সী ইনফ্লুয়েন্সার ইয়াকিন হাম্মাদ নিহত

  • আপলোড সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ০৭:০১:০৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ০৭:০১:০৮ অপরাহ্ন
ইসরায়েলি বোমা হামলায় গাজার ১১ বছর বয়সী ইনফ্লুয়েন্সার ইয়াকিন হাম্মাদ নিহত
গাজায় একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। সাম্প্রতিক এই হামলায় গাজার বহু শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ১১ বছর বয়সী ইয়াকিন হাম্মাদ—যিনি গাজার সবচেয়ে কম বয়সী ইনফ্লুয়েন্সার ছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উজ্জ্বল হাসি আর স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত ইয়াকিন উত্তর গাজার দেইর-আল-বালাহ এলাকার আল-বারাকা তীব্র গোলাবর্ষণের শিকার হন। শুক্রবার (২৩ মে) রাতের ওই হামলার সময় সেখানে যুদ্ধের তীব্রতা ছিল।

কাতারভিত্তিক আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়াকিন ও তার বড় ভাই মোহাম্মদ হাম্মাদ বাস্তুচ্যুতদের মাঝে খাবার, খেলনা ও পোশাক বিতরণ করতেন।

ইয়াকিন গাজার কনিষ্ঠ ইনফ্লুয়েন্সারও ছিলেন। গোলাবর্ষণের মধ্যেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেঁচে থাকার সহজ ও কার্যকর টিপস দিতেন, যেমন গ্যাস না থাকলে কীভাবে স্বল্প উপায়ে রান্না করা যায়।

এক পোস্টে ইয়াকিন লিখেছিলেন, “আমি চেষ্টা করি অন্য বাচ্চাদের একটু আনন্দ দিতে, যাতে তারা যুদ্ধ ভুলে যেতে পারে।”

ইয়াকিন ওয়েনা কালেকটিভের সক্রিয় সদস্য ছিলেন—যা গাজাভিত্তিক একটি অলাভজনক সংস্থা, মানবিক সহায়তা দিয়ে থাকে।

তার বড় ভাই মোহাম্মদ প্রায়ই বিভিন্ন শিবির ও অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে যেতেন, যেখানে ইয়াকিন শিশুদের মধ্যে হাসি, আনন্দ ও সাহস ছড়িয়ে দিতেন। যুদ্ধের ভয় তাঁকে হার মানাতে পারেনি—নাচ, হাসি, আইসক্রিম বিতরণ ও শিশুদের সঙ্গে প্রার্থনা করে তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাদের সাহস যোগাতেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সাংবাদিক মাইনুল ইসলামকে ফোবানার সম্মাননা

সাংবাদিক মাইনুল ইসলামকে ফোবানার সম্মাননা