ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ , ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গুলশানে বার ড্যান্সারের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষিত তরুণদের ওপর সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক কিছুদিন দেরি করে হলেও সুষ্ঠু নির্বাচন আমাদের প্রায়োরিটি: আসিফ মাহমুদ বিয়ে করলেই ১৬ লাখ টাকা উপহার, সন্তান হলে মিলবে ৩২ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সিরিয়া থেকে ছাগল চুরি করল ইসরায়েলি সেনারা কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি সন্দেহে শ্রমিক হত্যা, বিক্ষোভ মুর্শিদাবাদে বিয়ে করছেন ধানুশ-ম্রুণাল! ২৬৮ আসনে এককভাবে লড়বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লায় গুলি করে দুজনকে হত্যা প্রেমিকার জন্মদিনে ২৬ কিলোমিটার দৌড়ালেন প্রেমিক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে পলাতক প্রধান শিক্ষক, মাদরাসায় আগুন ভাইরাল শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট চুরির দায়ে পুকুরে ২০ ডুব চোরের, শাস্তির পর মানবিকতাও দেখাল বরিশালবাসী হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রান্না, তদন্তে যা জানা গেলো মঈনুল রোডের সেই বাড়িটিই খালেদা জিয়ার শেষ স্থায়ী ঠিকানা আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ উচ্ছ্বাস নিয়ে জীবনের প্রথমবার স্কুলে জুনায়েদ, বাড়ি ফিরলো নিথর দেহে

ইসরায়েলি বোমা হামলায় গাজার ১১ বছর বয়সী ইনফ্লুয়েন্সার ইয়াকিন হাম্মাদ নিহত

  • আপলোড সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ০৭:০১:০৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ০৭:০১:০৮ অপরাহ্ন
ইসরায়েলি বোমা হামলায় গাজার ১১ বছর বয়সী ইনফ্লুয়েন্সার ইয়াকিন হাম্মাদ নিহত
গাজায় একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। সাম্প্রতিক এই হামলায় গাজার বহু শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ১১ বছর বয়সী ইয়াকিন হাম্মাদ—যিনি গাজার সবচেয়ে কম বয়সী ইনফ্লুয়েন্সার ছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উজ্জ্বল হাসি আর স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত ইয়াকিন উত্তর গাজার দেইর-আল-বালাহ এলাকার আল-বারাকা তীব্র গোলাবর্ষণের শিকার হন। শুক্রবার (২৩ মে) রাতের ওই হামলার সময় সেখানে যুদ্ধের তীব্রতা ছিল।

কাতারভিত্তিক আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়াকিন ও তার বড় ভাই মোহাম্মদ হাম্মাদ বাস্তুচ্যুতদের মাঝে খাবার, খেলনা ও পোশাক বিতরণ করতেন।

ইয়াকিন গাজার কনিষ্ঠ ইনফ্লুয়েন্সারও ছিলেন। গোলাবর্ষণের মধ্যেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেঁচে থাকার সহজ ও কার্যকর টিপস দিতেন, যেমন গ্যাস না থাকলে কীভাবে স্বল্প উপায়ে রান্না করা যায়।

এক পোস্টে ইয়াকিন লিখেছিলেন, “আমি চেষ্টা করি অন্য বাচ্চাদের একটু আনন্দ দিতে, যাতে তারা যুদ্ধ ভুলে যেতে পারে।”

ইয়াকিন ওয়েনা কালেকটিভের সক্রিয় সদস্য ছিলেন—যা গাজাভিত্তিক একটি অলাভজনক সংস্থা, মানবিক সহায়তা দিয়ে থাকে।

তার বড় ভাই মোহাম্মদ প্রায়ই বিভিন্ন শিবির ও অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে যেতেন, যেখানে ইয়াকিন শিশুদের মধ্যে হাসি, আনন্দ ও সাহস ছড়িয়ে দিতেন। যুদ্ধের ভয় তাঁকে হার মানাতে পারেনি—নাচ, হাসি, আইসক্রিম বিতরণ ও শিশুদের সঙ্গে প্রার্থনা করে তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাদের সাহস যোগাতেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল

দরকারি কথা হামেশাই ভুলে যাচ্ছেন? সমস্যা থেকে মুক্তির ৫ কৌশল