ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

ভারতের কর্নাটকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ছাড়ালো ৭৫

  • আপলোড সময় : ৩১-০৫-২০২৫ ০৪:২৯:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৫-২০২৫ ০৪:২৯:৫৪ অপরাহ্ন
ভারতের কর্নাটকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ছাড়ালো ৭৫
সরকারিভাবে বর্ষা প্রবেশ না করলেও কর্নাটক ইতোমধ্যেই বিপর্যয়ের মুখে। অকাল অতিবৃষ্টিতে রাজ্যের ৩১টি জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কোথাও বন্যা, কোথাও আবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ। পাহাড়ি এলাকায় দেখা দিয়েছে নতুন আতঙ্ক—ভূমিধস।

বিশেষ করে দক্ষিণ কর্নাটকের মেঙ্গালুরু অঞ্চলে একাধিক স্থানে ধস নামার খবর পাওয়া গেছে। মেঙ্গালুরুর উল্লালে ভূমিধসের কারণে মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। এছাড়া রাজ্যজুড়ে বন্যা ও জমে থাকা পানিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৭ জন। শুধু রাজধানী বেঙ্গালুরুতেই জমা পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন ৫ জন।

এ প্রসঙ্গে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, বর্ষা আসার আগেই রাজ্যে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৫০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ লাখ মানুষ সরাসরি এই দুর্যোগের শিকার। সরকার আশঙ্কা করছে, পরিস্থিতি ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছে।

দুই বছর আগের স্মৃতি ঘেঁটে অনেকেই বলছেন, ইতিহাস আবারও ফিরে আসছে। তখন বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টির পানি জমে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল যে, অফিসে যেতে কোম্পানিগুলোকে নৌকা ভাড়া করতে হয়েছিল। এবারও তার পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছেন নগরবাসী।

পরিবেশবিদ ও আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ২০১৮ সালের কেরালার বন্যার মতো ভয়াবহ পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। অথচ এখনো সরকারিভাবে বর্ষা প্রবেশ করেনি কর্নাটকে।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় রাজ্যের দুর্যোগ প্রতিরোধ দফতরের হাতে রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা। সেই অর্থ থেকেই নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির পুনর্নির্মাণ বা সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে—প্রাক-বর্ষার এই দুর্যোগ কেন? সরকারি সূত্র বলছে, অতিবৃষ্টির পাশাপাশি জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হলো নিকাশি ব্যবস্থার বিপর্যয়। সেচ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের ৪১ হাজার নিকাশি খালের মধ্যে ১৪ হাজারই এখন দখলদারদের কবলে। খাল ভরাট করে বানানো হয়েছে ঘরবাড়ি।

এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং যেকোনো ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা