ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ  ৩১ অক্টোবর এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে: রাষ্ট্রপতি ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা জাহেদ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫ হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি ২ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংকে নতুন এমডি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকরাই স্বৈরাচারের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন: রিজভী আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১ সব বিভাগে ৮টি ক্যান্সার হাসপাতালের কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজিবি মোতায়েন সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে কাউকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম পুলিশের ৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি, যোগদান না করলে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন

৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই

  • আপলোড সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই
মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই।

বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মঙ্গলবার (১৭ জুন) ভোরে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নের বড়মাইপাড়া গ্রামে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক নাহিদ।

সখিনা বেগম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া এক সাহসী নারী যোদ্ধা, যিনি নিজ হাতে ধারালো দা দিয়ে নিকলীতে পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন। সেই দা বর্তমানে সংরক্ষিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।

সখিনার জন্ম কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল নিকলী উপজেলার গুরুই গ্রামে। তার পিতার নাম সোনাফর মিয়া, মাতার নাম দুঃখী বিবি। স্বামী কিতাব আলী মুক্তিযুদ্ধের আগেই মারা যান এবং তিনি নিঃসন্তান ছিলেন।

যুদ্ধে সখিনার ভাগনে মতিউর রহমান শহীদ হন, যার প্রতিশোধ নিতে সখিনা সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রাঁধুনির কাজ করতেন, একই সঙ্গে গুপ্তচর হিসেবে রাজাকার ও পাকিস্তানি সেনাদের গতিবিধির খবর দিতেন। একসময় ধরা পড়েন এবং সেখান থেকেও পালিয়ে আসেন।

সখিনা বেগম প্রায় ৪০ বছর ধরে তার ভাগ্নি ফাইরুন্নেছা আক্তারের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এলাকাবাসী জানায়, ছোটবেলা থেকেই তারা তার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা শুনেছেন। তিনি একজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

তার এই বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস জাতির জন্য গর্ব এবং অনুপ্রেরণা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কমেন্ট বক্স
বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ