ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ , ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে দিনভর ঘোরাঘুরি, সন্ধ্যায় ধানক্ষেতে মিলল মরদেহ বাংলাদেশ সীমান্তে সাপ-কুমির মোতায়েন করবে ভারত! এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের সরকার না মানলে বাজারে সরবরাহ বন্ধের হুমকি ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে বিধবাকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ, অতঃপর পুলিশের মাথা ফাটিয়ে পালালেন আসামি, দিতে হলো চার সেলাই শাহজালালে ৮৩ লাখ টাকার স্বর্ণ ও ৯ হাজার ডলারসহ হজ কাফেলার মোয়াল্লেম গ্রেপ্তার পাওনা টাকা দিতে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা এত এত রসগোল্লা খায়, তবুও মোটা হয় না: জয়াকে নিয়ে প্রসেনজিৎ গলায় ট্যাবলেট আটকে প্রাণ গেলো দেড় বছরের শিশুর মোদি পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়ে ভারতকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন’ উঠে যান ৭ হাজার ফুট উঁচু দুর্গম পাহাড়ে, যেভাবে ইরানে লুকিয়ে ছিলেন মার্কিনসেনা রায়ে অসন্তুষ্ট আবু সাঈদের বাবা বললেন, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমে যাচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটি আবু সাঈদ হত্যা মামলায় কার কার কী সাজা হলো এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা মারা গেছেন হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড বন্ধুর বিয়েতে দুই লিটার অকটেন উপহার ভাত রান্নায় দেরি হওয়ায় স্ত্রীর গায়ে গরম মাড়, স্বামী গ্রেপ্তার

৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই

  • আপলোড সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই
মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই।

বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মঙ্গলবার (১৭ জুন) ভোরে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নের বড়মাইপাড়া গ্রামে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক নাহিদ।

সখিনা বেগম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া এক সাহসী নারী যোদ্ধা, যিনি নিজ হাতে ধারালো দা দিয়ে নিকলীতে পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন। সেই দা বর্তমানে সংরক্ষিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।

সখিনার জন্ম কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল নিকলী উপজেলার গুরুই গ্রামে। তার পিতার নাম সোনাফর মিয়া, মাতার নাম দুঃখী বিবি। স্বামী কিতাব আলী মুক্তিযুদ্ধের আগেই মারা যান এবং তিনি নিঃসন্তান ছিলেন।

যুদ্ধে সখিনার ভাগনে মতিউর রহমান শহীদ হন, যার প্রতিশোধ নিতে সখিনা সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রাঁধুনির কাজ করতেন, একই সঙ্গে গুপ্তচর হিসেবে রাজাকার ও পাকিস্তানি সেনাদের গতিবিধির খবর দিতেন। একসময় ধরা পড়েন এবং সেখান থেকেও পালিয়ে আসেন।

সখিনা বেগম প্রায় ৪০ বছর ধরে তার ভাগ্নি ফাইরুন্নেছা আক্তারের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এলাকাবাসী জানায়, ছোটবেলা থেকেই তারা তার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা শুনেছেন। তিনি একজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

তার এই বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস জাতির জন্য গর্ব এবং অনুপ্রেরণা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে দিনভর ঘোরাঘুরি, সন্ধ্যায় ধানক্ষেতে মিলল মরদেহ

তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে দিনভর ঘোরাঘুরি, সন্ধ্যায় ধানক্ষেতে মিলল মরদেহ