ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর ঢাকার বাজারে মার্কিন পণ্য দেখে রাষ্ট্রদূতের উচ্ছ্বাস নতুন ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী বিয়ের ঘোষণা দিলেন রাশমিকা ও বিজয় একই দিনে বিয়ে, আগের রাতে আত্মহত্যা দুই বোনের দ্রুতই কৃষক কার্ড চালু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী জেনে নিন ইফতারে কোন খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী রায়েরবাজারে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৪ মাদক সম্রাট ‘এল মেনচো’র হত্যা ঘিরে মেক্সিকোতে ব্যাপক সহিংসতা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পুরনো কর্মচারীদের ডেকে কথা বললেন তারেক রহমান দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন তারেক রহমান নোংরামি করলে বরদাশত করব না, জামায়াতকে কাদের সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আনলেন জুমা ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫ ট্রাম্পকে ইরানে নয়, নিজ দেশে নজর দিতে বলছেন উপদেষ্টারা এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপ অবৈধ : সুপ্রিম কোর্ট মানুষের দুয়ারে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল

৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই

  • আপলোড সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই
মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই।

বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মঙ্গলবার (১৭ জুন) ভোরে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নের বড়মাইপাড়া গ্রামে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক নাহিদ।

সখিনা বেগম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া এক সাহসী নারী যোদ্ধা, যিনি নিজ হাতে ধারালো দা দিয়ে নিকলীতে পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন। সেই দা বর্তমানে সংরক্ষিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।

সখিনার জন্ম কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল নিকলী উপজেলার গুরুই গ্রামে। তার পিতার নাম সোনাফর মিয়া, মাতার নাম দুঃখী বিবি। স্বামী কিতাব আলী মুক্তিযুদ্ধের আগেই মারা যান এবং তিনি নিঃসন্তান ছিলেন।

যুদ্ধে সখিনার ভাগনে মতিউর রহমান শহীদ হন, যার প্রতিশোধ নিতে সখিনা সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রাঁধুনির কাজ করতেন, একই সঙ্গে গুপ্তচর হিসেবে রাজাকার ও পাকিস্তানি সেনাদের গতিবিধির খবর দিতেন। একসময় ধরা পড়েন এবং সেখান থেকেও পালিয়ে আসেন।

সখিনা বেগম প্রায় ৪০ বছর ধরে তার ভাগ্নি ফাইরুন্নেছা আক্তারের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এলাকাবাসী জানায়, ছোটবেলা থেকেই তারা তার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা শুনেছেন। তিনি একজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

তার এই বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস জাতির জন্য গর্ব এবং অনুপ্রেরণা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কমেন্ট বক্স
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ