ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ , ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সবুজ বাংলাদেশ গড়তে মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী সবুজ বাংলাদেশ গড়তে মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রিজভীর! সীতাকুণ্ডে শিশু ইরামনি ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড আলমাস সুপার শপকে গুঁড়াদুধসহ নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে জরিমানা ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ বন্যা-পাহাড়ধসে সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে, বড় ধরনের আশঙ্কা নেই : ত্রাণমন্ত্রী আর মুক্তি নয়, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন তরুণদের ট্রেন্ড লাখো মানুষের ঢল, সম্পন্ন হলো খামেনির জানাজা ৪২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টি চট্টগ্রামে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভোট কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৬ দিনে এসেছে ৮৫৪৩ কোটি টাকা রেমিট্যান্স বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ২৩, আহত শতাধিক ‘১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি’ হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৩৩ চট্টগ্রামে হবে চাইনিজ ইকোনমিক জোন: অর্থমন্ত্রী বান্দরবানে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য গ্রেপ্তার ‘আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম...’

৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই

  • আপলোড সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন
৫ রাজাকারকে হত্যা করা বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই
মহীয়সী নারী মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম আর নেই।

বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মঙ্গলবার (১৭ জুন) ভোরে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নের বড়মাইপাড়া গ্রামে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক নাহিদ।

সখিনা বেগম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া এক সাহসী নারী যোদ্ধা, যিনি নিজ হাতে ধারালো দা দিয়ে নিকলীতে পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন। সেই দা বর্তমানে সংরক্ষিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।

সখিনার জন্ম কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল নিকলী উপজেলার গুরুই গ্রামে। তার পিতার নাম সোনাফর মিয়া, মাতার নাম দুঃখী বিবি। স্বামী কিতাব আলী মুক্তিযুদ্ধের আগেই মারা যান এবং তিনি নিঃসন্তান ছিলেন।

যুদ্ধে সখিনার ভাগনে মতিউর রহমান শহীদ হন, যার প্রতিশোধ নিতে সখিনা সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রাঁধুনির কাজ করতেন, একই সঙ্গে গুপ্তচর হিসেবে রাজাকার ও পাকিস্তানি সেনাদের গতিবিধির খবর দিতেন। একসময় ধরা পড়েন এবং সেখান থেকেও পালিয়ে আসেন।

সখিনা বেগম প্রায় ৪০ বছর ধরে তার ভাগ্নি ফাইরুন্নেছা আক্তারের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এলাকাবাসী জানায়, ছোটবেলা থেকেই তারা তার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা শুনেছেন। তিনি একজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

তার এই বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস জাতির জন্য গর্ব এবং অনুপ্রেরণা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সবুজ বাংলাদেশ গড়তে মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী