ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কমলো জেট ফুয়েলের দাম ৬৮৯ কোটি টাকার ইউরিয়া-ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিল সরকার ঈদযাত্রার শুরুতেই সড়কে মৃত্যু ১২, ভয়াবহ দুর্ঘটনার ছড়াছড়ি ৫ জেলায় রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী হামে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছাড়াল,বেশি গুরুতর ঢাকা বিভাগ জাতীয় সাইবার ড্রিল ২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’ ২০২৬ বিশ্বকাপে বিদেশি কোচদের দাপট, শীর্ষে আর্জেন্টিনা ড্রোন হামলা প্রতিরোধে তেল ডিপোতে লোহার সুরক্ষা কাঠামো বসাচ্ছে আমিরাত ঝিনাইদহে এনসিপি নেতার ওপর হামলা: জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ বাড্ডায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশা চালকের মৃত্যু জুমার নামাজের পর মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেলো বৃদ্ধ বাবার আলোচিত রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে 'ব্লকেড কর্মসূচি' পাটগ্রাম সীমান্তে চোরাকারবারীদের লক্ষ্য করে বিজিবির গুলি এবারও বিনা টিকিটের যাত্রী ঠেকাতে কমলাপুরে বাঁশের বেড়া সিলেটে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারালেন এক র‌্যাব সদস্য মুঠোফোনে এক চাপেই সর্বনাশ, মুহূর্তেই খালি ব্যাংক হিসাব ‘হানিমুন’-এর জন্য ৭৫ হাজার সাপ প্রতিবছর ভিড় করে কানাডার নারসিসে চট্টগ্রামে ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা পিআইসিইউ সংকটে চমেকে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর শঙ্কা, দিশেহারা স্বজনরা ৮৩ দিনে গড়াল ইরানের ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন দেশটি

২২ বছরে ১১ স্বামীকে হত্যার অভিযোগ ইরানি এক নারীর বিরুদ্ধে

  • আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৫ ০১:২৫:৫২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৫ ০১:২৫:৫২ অপরাহ্ন
২২ বছরে ১১ স্বামীকে হত্যার অভিযোগ ইরানি এক নারীর বিরুদ্ধে
ইরানে এক নারীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। কোলসুম আকবারি নামের এক নারীকে ২২ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার ১১ জন স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে বিষ প্রয়োগে হত্যা করার অভিযোগে আদালতে তোলা হয়েছে।সরকারি নথি অনুসারে, তার বয়স এখন ৫০-এর কোঠায় হলেও ভুক্তভোগীদের পরিবারের দাবি— আসল বয়স আরও বেশি। আদালতে তার বিরুদ্ধে ১১টি প্রথম ডিগ্রির হত্যাকাণ্ড এবং একটি হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০০১ সাল থেকে শুরু করে আকবারি বয়স্ক পুরুষদের টার্গেট করতেন। তাদের সঙ্গে বিয়ে করে ধীরে ধীরে বিষ প্রয়োগে হত্যা করতেন। তার উদ্দেশ্য ছিল— উত্তরাধিকার, দেনমোহর এবং বিবাহ-পরবর্তী সম্পদ অর্জন।প্রসিকিউটরদের দাবি, তিনি এতটাই সাবধানে কাজ করতেন যে অধিকাংশ মৃত্যুই স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হতো। বয়স ও অসুস্থতা ছিল তার হত্যাকাণ্ড ঢাকার বড় অস্ত্র।




২০২৩ সালে আজিজুল্লাহ বাবায়ি নামে এক প্রবীণ ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যুর পর বিষয়টি তদন্তে আসে। মৃত ব্যক্তির পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে ময়নাতদন্তের আবেদন করা হয়। যদিও প্রাথমিকভাবে কোনো প্রমাণ মেলেনি, কিন্তু পরবর্তীতে এক পারিবারিক বন্ধুর সাক্ষ্য তদন্তে মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ওই ব্যক্তি জানান, তার বাবা একসময় আকবারির স্বামী ছিলেন এবং তাকেও বিষ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়েছিল। সে সময় ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়ে আকবারিকে তালাক দেন।আকবারির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ধীরে ধীরে স্বামীদের দুর্বল করতে ডায়াবেটিস ও যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির ওষুধের সঙ্গে বিষাক্ত উপাদান মিশিয়ে খাওয়াতেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অজ্ঞান করে তোয়ালে দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। একাধিক ঘটনায় দেখা গেছে, ভুক্তভোগীরা কিছু সময় সুস্থ থাকলেও, পরে আবার বিষ প্রয়োগে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।



প্রত্যেক হত্যাকাণ্ডের পরই আকবারি সম্পদের দাবি তোলেন। প্রথম হত্যার ঘটনা ২০০১ সালে ঘটেছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আকবারি হত্যাকাণ্ডগুলোর দায় স্বীকার করেন। তবে আদালতে প্রথমে দায় অস্বীকার করেন। তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরে আদালতে দায় স্বীকার করেন, যদিও বিস্তারিত বর্ণনা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।এই মামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৫ জন ব্যক্তি (মূলত নিহতদের স্বজন) বাদী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে চারটি পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছে।
আকবারির আইনজীবী তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষা করার আবেদন জানালেও, এক ভুক্তভোগীর আত্মীয় এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, যিনি এত পরিকল্পিতভাবে একের পর এক হত্যাকাণ্ড চালাতে পারেন, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হতে পারেন না।



বর্তমানে মামলার শুনানি শেষ হয়েছে এবং বিচারক রায় ঘোষণার জন্য পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছেন। সূত্র : আল-আরাবিয়া ও গালফ নিউজ।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কনডমের ব্র্যান্ড এ‍্যাম্বাসেডরের মাধ‍্যমে বাড়ছে সচেতনতা-স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নকল পণ্য ঝুঁকি ও পরিবার পরিকল্পনায় কনডম ব্যবহারে নতুন মাত্রা

কনডমের ব্র্যান্ড এ‍্যাম্বাসেডরের মাধ‍্যমে বাড়ছে সচেতনতা-স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নকল পণ্য ঝুঁকি ও পরিবার পরিকল্পনায় কনডম ব্যবহারে নতুন মাত্রা