ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর ঢাকার বাজারে মার্কিন পণ্য দেখে রাষ্ট্রদূতের উচ্ছ্বাস নতুন ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী বিয়ের ঘোষণা দিলেন রাশমিকা ও বিজয় একই দিনে বিয়ে, আগের রাতে আত্মহত্যা দুই বোনের দ্রুতই কৃষক কার্ড চালু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী জেনে নিন ইফতারে কোন খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী রায়েরবাজারে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৪ মাদক সম্রাট ‘এল মেনচো’র হত্যা ঘিরে মেক্সিকোতে ব্যাপক সহিংসতা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পুরনো কর্মচারীদের ডেকে কথা বললেন তারেক রহমান দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন তারেক রহমান নোংরামি করলে বরদাশত করব না, জামায়াতকে কাদের সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আনলেন জুমা ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫ ট্রাম্পকে ইরানে নয়, নিজ দেশে নজর দিতে বলছেন উপদেষ্টারা এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপ অবৈধ : সুপ্রিম কোর্ট মানুষের দুয়ারে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল

প্রতিটি ভোটারের আস্থা নিশ্চিত করা বিএনপির অন্যতম দায়িত্ব -তারেক রহমান

  • আপলোড সময় : ১৮-০৯-২০২৫ ০৪:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৯-২০২৫ ০৪:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন
প্রতিটি ভোটারের আস্থা নিশ্চিত করা বিএনপির অন্যতম দায়িত্ব -তারেক রহমান
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হলো দেশের প্রতিটি ভোটারের আস্থা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যে, আজকের ও আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ছুটে যাচ্ছে তৃণমূল থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের কাছে; গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও মজবুত করছে। এই সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।




ইতোমধ্যে নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭,০০০-এরও বেশি দলীয় সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের দায়ে কেউ পদচ্যুত হয়েছেন; আবার অনেকেই বহিষ্কৃত হয়েছেন। বহুমুখী অপপ্রচারের মাঝেও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না, তবে বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এগুলো ছিল অপরিহার্য। শৃঙ্খলা কোনো দুর্বলতা নয়; বরং সেটিই আমাদের শক্তি। নিজেদের সদস্যদের দায়বদ্ধ করার মাধ্যমেই আবারও প্রমাণ হলো যে, বিএনপি সততার ব্যাপারে আন্তরিক, এবং আমরা ক্ষমতাসীনদের কাছে যেসব মানদণ্ড দাবি করি, নিজেদেরও ঠিক সেই একই মানদণ্ডে দাঁড় করাই।



এইভাবেই আমরা জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করতে চাই  — বিশেষত তরুণদের, যারা রাজনীতিকে কেবলমাত্র ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখতে চায় না; বরং দেখতে চায় সবার অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা একটি মহৎ ক্ষেত্র হিসেবে।
সময়ের চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিএনপি সব সময়ই নিজেকে আধুনিকায়ন করেছে। আমরা জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ ও যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করছি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তরুণদের কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের প্রতিশ্রুতিসহ ৩১ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে আমাদের নীতিমালা গড়ে উঠেছে। আমরা অন্তর্ভুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আরও বেশি নারী, তরুণ নেতা ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যাতে জাতি আরও এগিয়ে যায় এবং রাজনীতি মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকে। আমরা চাই, বিএনপির পরিচয় হোক, সেবা, ন্যায়বিচার ও দক্ষতার প্রতীক হিসেবে; বিভাজন কিংবা সুবিধাভোগের প্রতীক নয়।





বাংলাদেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো আলাদা, তাই আমাদের পদক্ষেপগুলোকেও হতে হবে নতুনভাবে চিন্তা-নির্ভর। তবে আমরা ইতিহাসকে অস্বীকার করি না; বরং তার ভিত্তিতেই এগিয়ে যেতে চাই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে জনগণকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন; জনগণের ক্ষমতায়নকে রাজনীতির কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীনভাবে গণতন্ত্র ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করে গিয়েছেন। আজ আমরা তাঁদের সেই আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলেছি নতুন যুগে; যেখানে সততা, তরুণ নেতৃত্ব ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হবে রাষ্ট্রগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।





নিজ ঐতিহ্যকে ধারণ করে, বিএনপি প্রাধান্য দিচ্ছে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, ভবিষ্যতমুখী এবং আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মানের পথযাত্রাকে। আমরা জানি, তরুণরা চায় বাস্তব সুযোগ, তারা ফাঁকা বুলি চায় না। জনগণ চায় স্থিতিশীলতা, তারা বিশৃঙ্খলা চায় না। আর বিশ্ব চায়, বাংলাদেশ হোক একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সম্মানিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই প্রত্যাশাগুলো পূরণে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।





আমার সহকর্মী ও নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই — আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি, শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকি, এবং জনগণের সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকি। আমি যেমন আপনাদের প্রত্যেকের ওপর আস্থা রাখি, আপনারাও তেমনি আমার ওপর আস্থা রাখুন। তাহলেই গণতন্ত্রের পথ হবে আরও উজ্জ্বল। আমরা একসাথে প্রমাণ করবো যে, বাংলাদেশে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা, স্থিতিশীল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং গণআকাঙ্খিত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ।

কমেন্ট বক্স
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ