ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর ঢাকার বাজারে মার্কিন পণ্য দেখে রাষ্ট্রদূতের উচ্ছ্বাস নতুন ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী বিয়ের ঘোষণা দিলেন রাশমিকা ও বিজয় একই দিনে বিয়ে, আগের রাতে আত্মহত্যা দুই বোনের দ্রুতই কৃষক কার্ড চালু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী জেনে নিন ইফতারে কোন খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী রায়েরবাজারে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৪ মাদক সম্রাট ‘এল মেনচো’র হত্যা ঘিরে মেক্সিকোতে ব্যাপক সহিংসতা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পুরনো কর্মচারীদের ডেকে কথা বললেন তারেক রহমান দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন তারেক রহমান নোংরামি করলে বরদাশত করব না, জামায়াতকে কাদের সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আনলেন জুমা ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫ ট্রাম্পকে ইরানে নয়, নিজ দেশে নজর দিতে বলছেন উপদেষ্টারা এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপ অবৈধ : সুপ্রিম কোর্ট মানুষের দুয়ারে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রমজানের প্রথম জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল

কমলা না লেবু— কোনটি রোগপ্রতিরোধে বেশি কার্যকরী

  • আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৫ ০৪:০৪:১৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৫ ০৪:০৪:১৭ অপরাহ্ন
কমলা না লেবু— কোনটি রোগপ্রতিরোধে বেশি কার্যকরী
আপনার শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যদি আপনি তা না করেন, তবে আপনার শরীরের রোগ বাসা বাঁধবে। সুতরাং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কথা মনে হলেই সবার আগে চলে আসে কমলা ও লেবুর কথা। এ দুটি ফলই ভিটামিন 'সি'সমৃদ্ধ এবং সহজেই পাওয়া যায়। বিশেষ করে এর জুস অনেকের কাছে জনপ্রিয়। কারণ সহজেই বাড়িতে তৈরি করা যায় লেমন জুস। যদিও উভয়ই স্বাস্থ্যকর, তবে অনেকেই তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কমলার রস না লেবুর রস বেছে নেবেন, তা নিয়ে বিভ্রান্ত হন। আপনিও কি তাই? চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে  কমলা না লেবু বেশি কার্যকরী কমলা ও লেবু দুটোই ভিটামিন সি। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন 'সি' ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কমলা ও লেবু উভয়ই এই ভিটামিনের চমৎকার উৎস। তবে পরিমাণ ভিন্ন।



মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের মতে, এক গ্লাসে (প্রায় ২৪০ মিলি) প্রায় ৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' থাকে কমলায়, যা বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য প্রতিদিনের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।অন্যদিকে গবেষণায় দেখা গেছে, একটি লেবুতে প্রায় ৩০-৪০ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' থাকে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। কমলার রসের তুলনায় কম পরিমাণ থাকা সত্ত্বেও লেবুর রস একটি শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী। তবে প্রতি পরিবেশনে কমলার রসে বেশি ভিটামিন 'সি' থাকে।আবার চিনির পরিমাণ এবং প্রতিদিনের ব্যবহার ভিন্ন। কমলার রসে স্বাভাবিকভাবেই বেশি চিনি থাকে (প্রতি ২৪০ মিলিলিটারে প্রায় ২১ গ্রাম), যা শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে। তবে সবার জন্য আদর্শ নাও হতে পারে। বিশেষ করে যারা তাদের চিনি গ্রহণের ওপর নজর রাখেন।অন্যদিকে লেবুর রসে চিনির পরিমাণ খুব কম এবং এটি পানি দিয়ে মিশ্রিত করে কম-ক্যালোরি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী পানীয় হিসেবে তৈরি করা যেতে পারে। এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য দুর্দান্ত।




এ ছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এক নয়। কমলা ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ। এটি একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং প্রদাহ কমায়, যা শরীরকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। সেই সঙ্গে  রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।অন্যদিকে লেবুতে পলিফেনল থাকে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং সংক্রমণকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। আবার কমলা ও লেবু হজমের উপকারিতা করে। কমলা পেটের জন্য উপকারী এবং হাইড্রেট করে, কিন্তু এতে চিনির পরিমাণ কিছুটা বেশি। সর্বাধিক উপকারিতা পেতে, চিনি ছাড়া ১০০ শতাংশ জুস বেছে নেওয়ার কথা বিবেচনা করুন এবং পরিমিত পান করুন।




অন্যদিকে লেবু একটি ডিটক্স পানীয় হিসাবে পরিচিত। হজমকে উদ্দীপিত করে, বিষাক্ত পদার্থ বের করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর প্রাকৃতিক অ্যাসিডিটি লিভারের কার্যকারিতাও সমর্থন করতে পারে। উভয় রসই শরীরকে সংক্রমণ এবং প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। লেবুর রস হজমে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে কমলার রস সরাসরি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর বেশি জোর দেয়। এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রোফাইল প্রদান করে।

কমেন্ট বক্স
ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

ঈদে টানা ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটির সুযোগ