ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬ , ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কমলো জেট ফুয়েলের দাম ৬৮৯ কোটি টাকার ইউরিয়া-ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিল সরকার ঈদযাত্রার শুরুতেই সড়কে মৃত্যু ১২, ভয়াবহ দুর্ঘটনার ছড়াছড়ি ৫ জেলায় রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী হামে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছাড়াল,বেশি গুরুতর ঢাকা বিভাগ জাতীয় সাইবার ড্রিল ২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’ ২০২৬ বিশ্বকাপে বিদেশি কোচদের দাপট, শীর্ষে আর্জেন্টিনা ড্রোন হামলা প্রতিরোধে তেল ডিপোতে লোহার সুরক্ষা কাঠামো বসাচ্ছে আমিরাত ঝিনাইদহে এনসিপি নেতার ওপর হামলা: জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ বাড্ডায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশা চালকের মৃত্যু জুমার নামাজের পর মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেলো বৃদ্ধ বাবার আলোচিত রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে 'ব্লকেড কর্মসূচি' পাটগ্রাম সীমান্তে চোরাকারবারীদের লক্ষ্য করে বিজিবির গুলি এবারও বিনা টিকিটের যাত্রী ঠেকাতে কমলাপুরে বাঁশের বেড়া সিলেটে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারালেন এক র‌্যাব সদস্য মুঠোফোনে এক চাপেই সর্বনাশ, মুহূর্তেই খালি ব্যাংক হিসাব ‘হানিমুন’-এর জন্য ৭৫ হাজার সাপ প্রতিবছর ভিড় করে কানাডার নারসিসে চট্টগ্রামে ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা পিআইসিইউ সংকটে চমেকে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর শঙ্কা, দিশেহারা স্বজনরা ৮৩ দিনে গড়াল ইরানের ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন দেশটি

মঈনুল রোডের সেই বাড়িটিই খালেদা জিয়ার শেষ স্থায়ী ঠিকানা

  • আপলোড সময় : ১২-০১-২০২৬ ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০১-২০২৬ ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ন
মঈনুল রোডের সেই বাড়িটিই খালেদা জিয়ার শেষ স্থায়ী ঠিকানা
২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মঈনুল রোডের যে বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়েছিল, সেই ঠিকানাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করেছেন বিএনপির প্রয়াত সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। এমনকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামাতেও তিনি এই ঠিকানাই উল্লেখ করেছিলেন।নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১—এই তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য জমা দেওয়া নথিতে খালেদা জিয়া ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মঈনুল রোডের ওই বাড়িটিকেই নিজের ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করেন। যদিও স্থাবর সম্পত্তির বিবরণীতে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বাড়িটি তার মালিকানায় বা দখলে নেই।এই মঈনুল রোডের বাড়িটি শুধু একটি বাসভবন ছিল না; বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার নীরব সাক্ষীও ছিল এটি। ১৯৭২ সালে জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হলেও তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে এখানেই অবস্থান করেন।




১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর বন্দিত্ব এবং ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব—এই দুই ঘটনাও ঘটে এই বাড়ির প্রাঙ্গণেই। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান শাহাদাত বরণের পর জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বার্ষিক মাত্র এক টাকা খাজনার শর্তে বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর প্রায় তিন দশক ধরে এই বাড়িই ছিল তার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সুখ-দুঃখের নীরব সাক্ষী।





১৫ বছর আগে এক কাপড়ে বেরিয়ে আসা মঈনুল রোডের সেই বাড়িতে আর ফেরা হলো না খালেদা জিয়ার। ছবি: সংগৃহীত২০১০ সালের নভেম্বরে এক নাটকীয় উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে ৩৮ বছরের স্মৃতিবিজড়িত এই বাসভবন থেকে খালেদা জিয়াকে বের করে দেওয়া হয়। সে দিন প্রয়োজনীয় মালামাল নেওয়ারও সুযোগ পাননি তিনি। এক কাপড়ে ঘর ছাড়তে বাধ্য হওয়া এবং কান্নায় ভেঙে পড়ার সেই দৃশ্য সারা দেশে আলোড়ন তোলে।পরবর্তীতে ওই বাড়িটি ভেঙে ফেলে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। বর্তমানে সেখানে সেনানিবাসের কর্মকর্তাদের জন্য ১৪ তলা একটি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।





শহীদ মঈনুল রোডের বাড়িটি কেবল একটি ইটের দালান ছিল না। এটি ছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এক টুকরো ইতিহাস। এখানে বেড়ে উঠেছেন তাঁর সন্তানেরা, জমা ছিল তাদের দীর্ঘ দাম্পত্যের হাজারো স্মৃতি।গত কয়েক বছর গুলশানের ‘ফিরোজা’য় কাটলেও খালেদা জিয়ার মনের কোণে হয়তো মঈনুল রোডের সেই বারান্দাটি রয়ে গিয়েছিল। তার পুরোনো কর্মীরা মনে করেন, বাড়িটি হারানোর শোক তিনি কোনো দিন কাটিয়ে উঠতে পারেননি।খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত গাড়িচালক নুরুল আমিনের ভাষায়, ‘ওই বাড়িটা খুব সাদামাটা সাধারণ একটি বাড়ি ছিল। কিন্তু ওই যে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) থাকতেন ওখানে, তারেক রহমান আর আরাফাত রহমান কোকো থাকতেন, তাই ওটা তো হয়ে উঠছিল রাজকীয় বাড়ি, বলতে গেলে ওটা ছিল প্রাসাদ।’




পারিবারিক বন্ধনের স্মৃতি তো আছেই, এর বাইরে এই বাড়ি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরও (বিএনপি) ‘আঁতুড়ঘর’ বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম। তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বাড়িটি।
 

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কনডমের ব্র্যান্ড এ‍্যাম্বাসেডরের মাধ‍্যমে বাড়ছে সচেতনতা-স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নকল পণ্য ঝুঁকি ও পরিবার পরিকল্পনায় কনডম ব্যবহারে নতুন মাত্রা

কনডমের ব্র্যান্ড এ‍্যাম্বাসেডরের মাধ‍্যমে বাড়ছে সচেতনতা-স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নকল পণ্য ঝুঁকি ও পরিবার পরিকল্পনায় কনডম ব্যবহারে নতুন মাত্রা