ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির নেতৃত্বে গঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা, যেখানে থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। নতুন এ মন্ত্রিসভায় তিনজন নারী সদস্য স্থান পেয়েছেন। পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তিনজন বিশেষজ্ঞ।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন।নবগঠিত মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন আফরোজা খানম রিতা। তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকবেন। শামা ওবায়েদ ইসলাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ফারজানা শারমিন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে ডাক পাওয়া ২৫ জন হলেন-
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ মন্ত্রণালয়), সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), মো. আমিন উর রশিদ (টেকনোক্র্যাট-কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়), ইকবাল হাসান মাহমুদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়), আব্দুল আওয়াল মিন্টু (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়), মিজানুর রহমান মিনু (ভূমি মন্ত্রণালয়), নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়) ও খন্দকার আব্দুল মোকতাদির (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), আরিফুল হক চৌধুরী (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), জহির উদ্দিন স্বপন (তথ্য, সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), আফরোজা খানম রিতা (বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়), মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়), আসাদুল হাবিব বুলু (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), মো. আসাদুজ্জামান (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), জাকারিয়া তাহের (গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), দীপেন দেওয়ান (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়), আ ন ম এহসানুল হক মিলন (শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়), ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়), ও শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়)।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পাওয়া ২৪ জন হলেন
এম রশিদুল জামান মিল্লাত (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), মো. শরিফুল আলম (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), শামা ওবায়েদ ইসলাম (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ভূমি মন্ত্রণালয়), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়), আমিনুল হক (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়), মীর হেলাল উদ্দীন (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়), হাবিবুর রশিদ এবং মো. রাজিব আহসান (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়), মো. আব্দুল বারী (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়), ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়), ফারজানা শারমিন (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়), শেখ ফরিদুল ইসলাম (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়), মো. নুরুল হক নুর (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), ইয়াসের খান চৌধুরী (তথ্য, সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), এম ইকবাল হোসেইন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), এম এ মুহিত (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়), আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)।
Mytv Online