ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ , ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে : রাশেদ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় আমি না থাকলে ইসরায়েল চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যেত: ট্রাম্প ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় নতুন মোড়, ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত রেমিট্যান্সে সুবাতাস, ১৭ দিনে এলো ১৮২ কোটি ডলার সিলেটে পৌঁছে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে বসে ছেলের খেলা দেখছিলেন জিনেদিন জিদান গণমাধ্যম কমিশন হবে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান : তথ্যমন্ত্রী তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ১০ অঞ্চলের নদীবন্দরে এক নম্বর সংকেত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল: বুবলী বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল

ইরান আগ্রাসনে নেমে টমাহক মিসাইলের তীব্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র

  • আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৬:৪৭:২৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৬:৪৭:২৪ অপরাহ্ন
ইরান আগ্রাসনে নেমে টমাহক মিসাইলের তীব্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে লক্ষ্য করে চালানো সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার শক্তিশালী অস্ত্র টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত কমে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক জ্যাক বাকবি। তাঁর মতে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা উচ্চমাত্রার বিমান হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিভিন্ন কমান্ড সেন্টার ধ্বংস করতে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়েছে। এর ফলে মার্কিন সামরিক ভাণ্ডারে থাকা এই অস্ত্রের মজুদ উদ্বেগজনকভাবে কমে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-এর নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য টমাহক ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল গত কয়েক দশক ধরে পেন্টাগনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দূরপাল্লার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রায় এক হাজার মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের বড় সুবিধা হলো—পাইলট বা ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমানকে ঝুঁকিতে না ফেলেই শত্রু ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানো যায়। যুদ্ধের শুরুতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংসে এই অস্ত্রই ছিল মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রধান ভরসা।

তবে বিপুল পরিমাণ ব্যবহারের বিপরীতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের গতি তুলনামূলক ধীর হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ধারণা, যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্রের হাতে প্রায় চার হাজার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যার একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। অন্যদিকে সামরিক শিল্পের তথ্য অনুযায়ী, এতদিন বছরে গড়ে মাত্র প্রায় নব্বইটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হতো, যা বর্তমান চাহিদার তুলনায় খুবই কম।

একটি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে দীর্ঘ সময় লাগে। এর ভেতরে থাকা জটিল প্রযুক্তি, বিশেষ যন্ত্রাংশ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় দুই বছর সময় লাগে। এই কারণে হঠাৎ করে উৎপাদন বাড়ানোও সহজ নয়। যদিও ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং বছরে প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে, তবুও এই লক্ষ্য অর্জনে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিটি টমাহক ব্লক ফাইভ সংস্করণের ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় তেরো লাখ মার্কিন ডলার। ফলে বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে পেন্টাগনের বাজেটেও চাপ তৈরি হচ্ছে। মার্কিন নৌবাহিনী আশির দশক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় নয় হাজার টমাহক সংগ্রহ করেছে, তবে এর বড় অংশ বিভিন্ন যুদ্ধ ও সামরিক মহড়ায় ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।

এদিকে ওহাইও-ক্লাস সাবমেরিন একবারে প্রায় ১৫৪টি টমাহক বহন করতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রভিত্তিক আক্রমণক্ষমতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ কমে গেলে এই শক্তিশালী যুদ্ধযানগুলোর কার্যকারিতাও কমে যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো না গেলে আগামী কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতায় একটি বড় ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে : রাশেদ

শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে : রাশেদ