ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ , ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে আবারো বাংলাদেশি নিহত দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ৮৯ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৬৪৩ জনের উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে বিপাকে ইউন, ৩০ বছরের জেল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই লাল কার্ডের ঝড়! ইতিহাস গড়ে মেক্সিকোর জয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস হাম সন্দেহে একদিনেই ঝরল ৮ শিশুর প্রাণ বৃষ্টিতে ভেসে গেল টাইগারদের দ্বিতীয় লড়াই ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ ফিলিপিন্সে ভূমিকম্পের তিনদিন পরও উদ্ধার হচ্ছে লাশ, মৃত্যু বেড়ে ৪৬ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ এক দিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী অভেনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিকে নিইয়ে নতুন গুজব সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, আপিল শুনানি ১৬ জুন ৩০০ কেজি কাঁচা মাছ নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেল নরওয়ে যুবদল নেতা বাবুকে বহিষ্কার, রমনা থানা কমিটি বিলুপ্ত বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি ১ লাখে উন্নীত করতে রা‌শিয়ার সঙ্গে আলোচনা

স্বামীর মার খেয়ে তো মরে যাওনি, নারীকে বিচারক

  • আপলোড সময় : ১৩-০৩-২০২৬ ০২:০৮:৪৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৩-২০২৬ ০২:০৮:৪৯ অপরাহ্ন
স্বামীর মার খেয়ে তো মরে যাওনি, নারীকে বিচারক
স্বামীর হাতে চরম মারধরের শিকার হয়ে এক নারী আদালত শরণাপন্ন হন। এতে বিচারক উল্টো তাকে উপহাস করে বলেছেন, তুমি শুধু এই কারণেই বিচ্ছেদ চাও? সামান্য রাগ আর কয়েকটা মার খেলে তো আর মরে যাবে না।
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের এ ঘটনার আলোচনা সীমান্ত পেরিয়ে আন্তর্জাতিক নজর কেড়েছে।দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বদমেজাজি। সামান্য কারণেই তাকে মারধর করেন। ফারজানার ডান পা বাঁ পায়ের তুলনায় কিছুটা ছোট হওয়ায় স্বামী তাকে নিয়মিত ‘প্রতিবন্ধী’ বলে অপমান ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। খাবার নিয়েও কষ্ট দেন।সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ফারজানা দীর্ঘদিন নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি মারধরের মাত্রা বেড়েছে। আর সহ্য করতে না পেরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।


ওই নারী বলেন, একদিন আমি অনেক অসুস্থ ছিলাম এবং সেদিন রাতের খাবার রান্না করার মতো কোনো শক্তি ছিল না। স্বামী কাজ থেকে ফিরলে আমাকে বলে, এখন তুমি ঘরের কাজটুকুও করো না। আমি তাকে অসুস্থতার কথা জানালে তিনি মোবাইল চার্জারের কেবল দিয়ে আমাকে বেদম পেটায়। আমার পিঠে ও হাতে সেই মারের চিহ্ন কয়েক দিন পর্যন্ত ছিল। এ ঘটনার পর সিদ্ধান্ত নেই, আর একসঙ্গে থাকব না। এরপর আদালতে গিয়ে যখন আমি বলি স্বামী আমাকে মারধর করে, নিয়মিত উপহাস, অপমান করে এবং তাই আমি বিচ্ছেদ চাই— তখন বিচারক পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘তুমি শুধু এই কারণেই ডিভোর্স চাও? আর অন্য কোনো কারণ নেই?



আদালতে বিচারক আরও বলেন, তুমি যখন তরুণী ছিলে তখন স্বামীর সঙ্গে দিনগুলো উপভোগ করেছ। এখন সে বৃদ্ধ হচ্ছে দেখে তুমি বিচ্ছেদের অজুহাত খুঁজছো, যাতে অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারো। ফিরে যাও, তোমার স্বামী অনেক ভালো, তার সঙ্গেই থাকো। ইসলামে স্বামীকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে যেন অবাধ্য স্ত্রীকে শাসনের জন্য মারধর করা হয়। যাও, আর কখনো এসব তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিচ্ছেদ চাইতে আসবে না।



প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে আফগানিস্তানে এমন ঘটনা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নারীদের পারিবারিক সহিংসতার মধ্যেই বেঁচে থাকতে হয়। আদালতেও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না তারা। ওই নারীর ঘটনাই যেন আফগানের প্রতিটি নির্যাতিত নারীর প্রতিচ্ছবি।

কমেন্ট বক্স