দাম কমায় ক্রেতারা স্বর্ণ কিনতে শুরু করায় শুক্রবার (২০ মার্চ) মূল্যবান ধাতুটির দাম বেড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের কড়াকড়ি নীতির কারণে স্বর্ণ টানা তৃতীয় সপ্তাহে পতনের পথে রয়েছে। খবর রয়টার্সস্পট স্বর্ণের দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৭৪.৮২ ডলার হয়েছে। ইউএস এপ্রিলে ডেলিভারির জন্য গোল্ড ফিউচারস ১.৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬৭৬.৩০ ডলারে পৌঁছেছে।
ইউবিএস বিশ্লেষক জিওভান্নি স্টাউনোভো বলেন, কম দামে কেনার জন্য অপেক্ষা করা বিনিয়োগকারীরা এখন বাজারে ফিরছেন। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কীভাবে এগোবে এবং তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—এই অনিশ্চয়তার কারণে স্বল্পমেয়াদে দামের ওঠানামা চলতে পারে।
এই সপ্তাহে স্বর্ণের দাম ইতোমধ্যেই ৬ শতাংশের বেশি কমেছে। ফেব্রুয়ারির শেষের ইরান–ইসরায়েল সংঘাতের পর থেকে স্বর্ণ ১০ শতাংশেরও বেশি মূল্যহ্রাস পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের আকর্ষণ কমাচ্ছে, কারণ এটি কোনও সুদ দেয় না।
এদিকে, ইরানের হামলার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে। জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডের ওপর ভিত্তি করে বাজার মনে করছে, ২০২৬ সালে সুদের হার কমবে না। বিশ্লেষক পিটার ফার্টিগ মনে করেন, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত নামতে পারে। তবে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে নতুন উত্তেজনা বাড়লে দাম ৫ হাজার ডলারেরও ওপরে যেতে পারে।
অন্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট সিলভার ৭২.৩৬ ডলারে নেমেছে, প্লাটিনাম ১ হাজার ৯৭৫.৪১ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ১ হাজার ৪৫৯.২৬ ডলারে পৌঁছেছে।
Mytv Online