ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ বন্যা-পাহাড়ধসে সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে, বড় ধরনের আশঙ্কা নেই : ত্রাণমন্ত্রী আর মুক্তি নয়, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন তরুণদের ট্রেন্ড লাখো মানুষের ঢল, সম্পন্ন হলো খামেনির জানাজা ৪২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টি চট্টগ্রামে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভোট কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৬ দিনে এসেছে ৮৫৪৩ কোটি টাকা রেমিট্যান্স বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ২৩, আহত শতাধিক ‘১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি’ হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৩৩ চট্টগ্রামে হবে চাইনিজ ইকোনমিক জোন: অর্থমন্ত্রী বান্দরবানে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য গ্রেপ্তার ‘আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম...’ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজা : বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার ব্রাজিলের কাছে এখনও যে সমীকরণে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা থেমে যেতে পারে আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ কেপ ভার্দে ম্যাচে যেসব রেকর্ড হতে পারে মেসি-স্কালোনি-আর্জেন্টিনার

রায়ে অসন্তুষ্ট আবু সাঈদের বাবা বললেন, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল

  • আপলোড সময় : ০৯-০৪-২০২৬ ০৫:১৪:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৪-২০২৬ ০৫:১৪:৪৬ অপরাহ্ন
রায়ে অসন্তুষ্ট আবু সাঈদের বাবা বললেন, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে খুশি নন বাবা-মা এবং সহযোদ্ধারা। তাদের মতে, এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিফলিত হয়নি। রয়ের প্রতিক্রিয়ায় বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম বলেছেন, রায়ে আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিৎ ছিল। অনেক অপরাধীর সামান্য শাস্তি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর এলাকার জাফর পাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে রায়ের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা ও মা।


মকবুল হোসেন বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডে মাত্র দুজনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আমার ছেলেকে গলা টিপে ধরেছিল তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো না। আরও কঠোর সাজা দেয়া দরকার ছিল।’


আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন দাবি করেন, অনেক অপরাধী পালিয়ে গেছে। বড় অপরাধীদের এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের বাঁচিয়ে দিয়ে ছোটদের সাজা দেয়া হয়েছে।

 

শহিদ আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এই রায়ে আমরা খুশি নই। আমার ছেলে অনেক অত্যাচারের শিকার হয়েছিল।’ বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা ন্যায় বিচার নিশ্চিতে সরকারের কাছে মামলাটি পুনরায় আপিলের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।

 
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। পুলিশের সামনে দুহাত প্রসারিত করে বুক চিতিয়ে প্রতিবাদের সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে।
 
শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৩০ আসামির মধ্যে ২ জনকে ফাঁসি, তিনজনকে যাবজ্জীবনসহ বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।
 
শহীদ আবু সাঈদের সহযোদ্ধা ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি শওকাত আলী বলেন, ‘অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত হয়নি। রায় পুনরায় বিবেচনার দাবি জানান তারা।’
 
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘোষিত এই রায় কেবল আবু সাইদের পরিবার নয় পুরো রংপুর জুড়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ

৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ