ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে তলিয়ে যাওয়া হাওরে কোমরসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন কৃষকেরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে উপজেলার মেদির হাওর, মাছমা হাওর, চিনাকান্দি হাওর, বড়কান্দি হাওরে কৃষকের ধান এখন পানির নিচে। তবে দুদিন ধরে ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় ধান কাটা অব্যাহত রয়েছে। তলিয়ে থাকা ধানের ১০ শতাংশ নতুন করে কাটা সম্ভব হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।
তারা জানান, কষ্টে ফলানো ফসল চোখের সামনে তলিয়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কোমরসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন তারা। এক্ষেত্রেও বিড়ম্বনা রয়েছে শ্রমিক সংকট। বাড়তি খরচ গুণে তাদের শ্রমিক সংগ্রহ করতে হচ্ছে। তবে যে ধান কেটে সংগ্রহ করা হচ্ছে আকাশ মেঘলা হওয়ায় সেগুলো শুকানো যাচ্ছে না। এতে ধান নষ্ট হয়ে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। আবার কিছু কিছু জমির পানি এতটাই বেশি যে ধান কাটাই সম্ভব হচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে করা হয় বোরোর আবাদ। এরইমধ্যে হাওরে আবাদ করা ৭৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।
নাসিরনগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, দুদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হাওরের পানি কিছুটা কমেছে। ধান কাটা অব্যাহত থাকায় তলিয়ে যাওয়া ৩০ শতাংশ জমির মধ্যে নতুন করে ১০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে। ক্ষতির মুখে থাকা কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে উপজেলার মেদির হাওর, মাছমা হাওর, চিনাকান্দি হাওর, বড়কান্দি হাওরে কৃষকের ধান এখন পানির নিচে। তবে দুদিন ধরে ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় ধান কাটা অব্যাহত রয়েছে। তলিয়ে থাকা ধানের ১০ শতাংশ নতুন করে কাটা সম্ভব হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।
তারা জানান, কষ্টে ফলানো ফসল চোখের সামনে তলিয়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। কোমরসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন তারা। এক্ষেত্রেও বিড়ম্বনা রয়েছে শ্রমিক সংকট। বাড়তি খরচ গুণে তাদের শ্রমিক সংগ্রহ করতে হচ্ছে। তবে যে ধান কেটে সংগ্রহ করা হচ্ছে আকাশ মেঘলা হওয়ায় সেগুলো শুকানো যাচ্ছে না। এতে ধান নষ্ট হয়ে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। আবার কিছু কিছু জমির পানি এতটাই বেশি যে ধান কাটাই সম্ভব হচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে করা হয় বোরোর আবাদ। এরইমধ্যে হাওরে আবাদ করা ৭৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।
নাসিরনগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, দুদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হাওরের পানি কিছুটা কমেছে। ধান কাটা অব্যাহত থাকায় তলিয়ে যাওয়া ৩০ শতাংশ জমির মধ্যে নতুন করে ১০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে। ক্ষতির মুখে থাকা কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।