প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েই চমক দেখিয়েছে অভিনেতা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর ওরফে থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (টিভিকে)। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আন্দবাজার পত্রিকা জানায়, তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়ী হয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে তারা।
তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে এখনও অন্তত ১০ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন দলের। সবকিছু অনুকূলে থাকলে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেই পথ এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।
এই পরিস্থিতিতে বিজয় রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তার আগে তিনি দলের নবনির্বাচিত বিধায়কদের সাথে বৈঠক করবেন।
দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানায়, প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড়ে ইতোমধ্যে ছোট দলগুলোর সাথে যোগাযোগ শুরু হয়েছেন বিজয়। কংগ্রেস ও পাট্টালি মাক্কাল কাছি সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছে। কংগ্রেস পেয়েছে পাঁচটি আসন এবং পাট্টালি মাক্কাল কাছি পেয়েছে চারটি আসন।
অন্যদিকে বাম দলগুলো এখনও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাছি ও দেশিয়া মুরুপোক্কু দ্রাবিড় কাছাগমসহ কয়েকটি ছোট দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত জানাতে চায়।
নির্বাচনে ৭৩টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাছাগম নেতৃত্বাধীন জোট। আর সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাছাগম ও বিজেপি জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন।
ভারতীয় গণমাধ্যমসূত্রে জানা যায়, আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজাগম থেকেও জোটে আসার আগ্রহ ছিল। তবে বিজেপির সাথে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সেই সম্ভাবনা জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ বিজয় ইতোমধ্যে বিজেপিকে ‘নীতিগত শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে এখনও অন্তত ১০ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন দলের। সবকিছু অনুকূলে থাকলে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেই পথ এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।
এই পরিস্থিতিতে বিজয় রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তার আগে তিনি দলের নবনির্বাচিত বিধায়কদের সাথে বৈঠক করবেন।
দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানায়, প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড়ে ইতোমধ্যে ছোট দলগুলোর সাথে যোগাযোগ শুরু হয়েছেন বিজয়। কংগ্রেস ও পাট্টালি মাক্কাল কাছি সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছে। কংগ্রেস পেয়েছে পাঁচটি আসন এবং পাট্টালি মাক্কাল কাছি পেয়েছে চারটি আসন।
অন্যদিকে বাম দলগুলো এখনও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাছি ও দেশিয়া মুরুপোক্কু দ্রাবিড় কাছাগমসহ কয়েকটি ছোট দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত জানাতে চায়।
নির্বাচনে ৭৩টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাছাগম নেতৃত্বাধীন জোট। আর সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাছাগম ও বিজেপি জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন।
ভারতীয় গণমাধ্যমসূত্রে জানা যায়, আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজাগম থেকেও জোটে আসার আগ্রহ ছিল। তবে বিজেপির সাথে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সেই সম্ভাবনা জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ বিজয় ইতোমধ্যে বিজেপিকে ‘নীতিগত শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।