বৃষ্টির কারণে মিরপুর টেস্টে চতুর্থ দিনে ৫০ ওভারও ব্যাট করতে পারেননি বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে টাইগাররা। তবে ৮৮ রানের ব্যবধানেই ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রানেই ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। আর তাতেই জয়ের জন্য পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮।
পঞ্চম দিনের সকালে একে একে ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬৮তম ওভারে নোমান আলীর প্রথম বলেই রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ হন তিনি। বল সোজা এসে আঘাত করে তার প্যাডে। রিভিউ নিয়েও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি। আরেকটি সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়ার হতাশা নিয়ে ১৫০ বল মোকাবিলা করে ৮৭ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শান্ত সাজঘরে ফেরার পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ। নবম ব্যাটার তাসকিন আহমেদের বিদায়ের পর ৯ উইকেটে ২৪০ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এতে দুই ইনিংস মিলিয়ে তাদের মোট লিড দাঁড়ায় ২৬৭ রানে।
শেষ দিনের পুরো দুই সেশন এখনও বাকি আছে। পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্যটা একটু চ্যালেঞ্জিংই বটে। তবে এই রানের মধ্যে সফরকারীদের বেঁধে রাখতে পারাটা স্বাগতিকদের জন্য একটু কষ্টই হবে বৈকি। ম্যাচের যে পরিস্থিতি, তাতে রেজাল্ট পক্ষে আনার সুযোগ রয়েছে দুই দলের সামনেই। আবার ড্রয়ের সম্ভাবনাও আছে।
আগের দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানি ব্যাটার সালমান আগা বলেছিলেন, ‘যদি তারা আমাদের দুই সেশন সময় দেয় এবং লক্ষ্য ২৫০ রানের মতো হয়, তাহলে আমরা অবশ্যই জয়ের জন্যই খেলব।’ শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দেওয়া লক্ষ্য সেই হিসাবের খুব কাছাকাছিই এসে দাঁড়াল।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের লিড ছিল ১৭৯ রান। আজ দিনের শুরুতেই সেই লিড আরও বড় করার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন শান্ত ও মুশফিক জুটি। তবে তৃতীয় ওভারেই আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন মুশফিকুর রহিম। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। মুশফিক ফেরার পরপরই সাজঘরের পথ ধরেন লিটন দাস। শাহিন আফ্রিদির বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মাত্র ১১ রান করে।
এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও তিন অঙ্ক ছোঁয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন তিনি। তবে সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত থেমে যান মাত্র ১৩ রান দূরে। একই সাথে একটি বিশ্বরেকর্ডের কাছাকাছি গিয়েও সেটি ছুঁতে পারলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক— শান্তর সেই অপেক্ষা তাই আরও দীর্ঘ হলো।
এর আগে টেস্ট ক্যারিয়ারে দুবার টানা দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরেই তিনি খেলেছিলেন ১৪৬ ও ১২৪ রানের দুটি ইনিংস, যার ওপর ভর করে বাংলাদেশ জয় পায় রেকর্ড ৫৪৬ রানের ব্যবধানে। এরপর ২০২৫ সালের জুনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টেও একই কীর্তি করেছিলেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার। সেবার ১৪৮ ও ১২৫ রানের দুটি ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
শান্তর বিদায়ের পর দ্রুত ফিরে যান মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। এরপর ৯ উইকেটে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দেয় স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে সফল ছিলেন হাসান আলী ও নোমান আলী— দুজনই নেন ৩টি করে উইকেট।
পঞ্চম দিনের সকালে একে একে ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬৮তম ওভারে নোমান আলীর প্রথম বলেই রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ হন তিনি। বল সোজা এসে আঘাত করে তার প্যাডে। রিভিউ নিয়েও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি। আরেকটি সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়ার হতাশা নিয়ে ১৫০ বল মোকাবিলা করে ৮৭ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শান্ত সাজঘরে ফেরার পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ। নবম ব্যাটার তাসকিন আহমেদের বিদায়ের পর ৯ উইকেটে ২৪০ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এতে দুই ইনিংস মিলিয়ে তাদের মোট লিড দাঁড়ায় ২৬৭ রানে।
শেষ দিনের পুরো দুই সেশন এখনও বাকি আছে। পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্যটা একটু চ্যালেঞ্জিংই বটে। তবে এই রানের মধ্যে সফরকারীদের বেঁধে রাখতে পারাটা স্বাগতিকদের জন্য একটু কষ্টই হবে বৈকি। ম্যাচের যে পরিস্থিতি, তাতে রেজাল্ট পক্ষে আনার সুযোগ রয়েছে দুই দলের সামনেই। আবার ড্রয়ের সম্ভাবনাও আছে।
আগের দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানি ব্যাটার সালমান আগা বলেছিলেন, ‘যদি তারা আমাদের দুই সেশন সময় দেয় এবং লক্ষ্য ২৫০ রানের মতো হয়, তাহলে আমরা অবশ্যই জয়ের জন্যই খেলব।’ শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দেওয়া লক্ষ্য সেই হিসাবের খুব কাছাকাছিই এসে দাঁড়াল।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের লিড ছিল ১৭৯ রান। আজ দিনের শুরুতেই সেই লিড আরও বড় করার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন শান্ত ও মুশফিক জুটি। তবে তৃতীয় ওভারেই আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন মুশফিকুর রহিম। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। মুশফিক ফেরার পরপরই সাজঘরের পথ ধরেন লিটন দাস। শাহিন আফ্রিদির বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মাত্র ১১ রান করে।
এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও তিন অঙ্ক ছোঁয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন তিনি। তবে সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত থেমে যান মাত্র ১৩ রান দূরে। একই সাথে একটি বিশ্বরেকর্ডের কাছাকাছি গিয়েও সেটি ছুঁতে পারলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক— শান্তর সেই অপেক্ষা তাই আরও দীর্ঘ হলো।
এর আগে টেস্ট ক্যারিয়ারে দুবার টানা দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরেই তিনি খেলেছিলেন ১৪৬ ও ১২৪ রানের দুটি ইনিংস, যার ওপর ভর করে বাংলাদেশ জয় পায় রেকর্ড ৫৪৬ রানের ব্যবধানে। এরপর ২০২৫ সালের জুনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টেও একই কীর্তি করেছিলেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার। সেবার ১৪৮ ও ১২৫ রানের দুটি ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
শান্তর বিদায়ের পর দ্রুত ফিরে যান মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। এরপর ৯ উইকেটে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দেয় স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে সফল ছিলেন হাসান আলী ও নোমান আলী— দুজনই নেন ৩টি করে উইকেট।