নির্বাচনে পরাজয়ের পর নিজের পুরোনো পেশায় ফিরেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোটপরবর্তী সহিংসতার মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানিতে অংশ নেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। মুসলিম ও রাজনৈতিক বিরোধীদের লক্ষ্য করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও খুনের অভিযোগ উঠেছে। সহিংসতায় অন্তত ৪ জন নিহত এবং ১০০০ জনের বেশি আটক হয়েছেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোট পরবর্তী এসব সহিংসতার জন্য মামলা দায়ের করেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে, বহু কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া এবং আক্রান্ত হয়েছেন। সেই সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
এই মামলার শুনানিতে অংশ নিতেই আইনজীবীর পেশায় ফিরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইন নিয়ে পড়াশোনা রয়েছে তার এবং একসময় তিনি আইন পেশার সাথেও যুক্ত ছিলেন। যদিও চলতি বছরের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টে এক মামলার শুনানিতে তিনি সাধারণ পোশাকেই অংশ নিয়েছিলেন, তবে এবার সম্পূর্ণ আইনজীবীর পোশাকেই আদালতে হাজির হলেন তিনি।
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন মমতা। বর্তমানে তিনি বিধায়ক নন, শুধু তৃণমূল নেত্রী হিসেবেই রাজনৈতিক লড়াই চালাচ্ছেন। এবার ভোট পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় আইনজীবী হিসেবে আদালতে ফিরলেন তিনি।
আইনজীবীর পোশাক পরেই আজ সকালে কলকাতার কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন মমতা। হাইকোর্টে পৌঁছানোর সাথে সাথে তাকে ঘিরে কৌতূহলী ভিড় জমে যায়। তবে কোনো মন্তব্য না করেই দ্রুত আদালতের ভেতরে ঢুকে যান তিনি।
আদালতের শুনানিতে অংশ নিয়ে মমতা প্রথমেই জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি একজন আইনজীবী। আইনজীবী হিসেবেই তিনি শুনানিতে অংশ নিতে চান। ভোট পরবর্তী সহিংসতা তিনি জানান, ৯২ বছর বয়সি বৃদ্ধ থেকে ১৮-র তরুণ-তরুণী, সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যালঘু ও তফসিলি জাতি মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
তিনি জানান, তাকেও বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুলিশের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছেন, কিছু তাতেও কাজ হচ্ছে না। কলকাতায় বুলডোজার চালানোরও তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি। মমতা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘এটা বাংলা, উত্তরপ্রদেশ নয়। বাংলাকে বাঁচাতে হবে।’
আদালতে তৃণমূল রাজনীতিক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্বাচনের পর তৃণমূলের ১৫০-১৬০টি কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে, রাজ্যজুড়ে ভাঙচুর চলছে, বুলডোজার চালানো হচ্ছে। বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার প্রসঙ্গে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। আবেদন জানানো হয়, আদালতের নির্দেশ ছাড়া যেন এ রাজ্যে বুলডোজার চালানো না হয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোটপরবর্তী সহিংসতার মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানিতে অংশ নেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। মুসলিম ও রাজনৈতিক বিরোধীদের লক্ষ্য করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও খুনের অভিযোগ উঠেছে। সহিংসতায় অন্তত ৪ জন নিহত এবং ১০০০ জনের বেশি আটক হয়েছেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোট পরবর্তী এসব সহিংসতার জন্য মামলা দায়ের করেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে, বহু কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া এবং আক্রান্ত হয়েছেন। সেই সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
এই মামলার শুনানিতে অংশ নিতেই আইনজীবীর পেশায় ফিরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইন নিয়ে পড়াশোনা রয়েছে তার এবং একসময় তিনি আইন পেশার সাথেও যুক্ত ছিলেন। যদিও চলতি বছরের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টে এক মামলার শুনানিতে তিনি সাধারণ পোশাকেই অংশ নিয়েছিলেন, তবে এবার সম্পূর্ণ আইনজীবীর পোশাকেই আদালতে হাজির হলেন তিনি।
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন মমতা। বর্তমানে তিনি বিধায়ক নন, শুধু তৃণমূল নেত্রী হিসেবেই রাজনৈতিক লড়াই চালাচ্ছেন। এবার ভোট পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় আইনজীবী হিসেবে আদালতে ফিরলেন তিনি।
আইনজীবীর পোশাক পরেই আজ সকালে কলকাতার কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন মমতা। হাইকোর্টে পৌঁছানোর সাথে সাথে তাকে ঘিরে কৌতূহলী ভিড় জমে যায়। তবে কোনো মন্তব্য না করেই দ্রুত আদালতের ভেতরে ঢুকে যান তিনি।
আদালতের শুনানিতে অংশ নিয়ে মমতা প্রথমেই জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি একজন আইনজীবী। আইনজীবী হিসেবেই তিনি শুনানিতে অংশ নিতে চান। ভোট পরবর্তী সহিংসতা তিনি জানান, ৯২ বছর বয়সি বৃদ্ধ থেকে ১৮-র তরুণ-তরুণী, সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যালঘু ও তফসিলি জাতি মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
তিনি জানান, তাকেও বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুলিশের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছেন, কিছু তাতেও কাজ হচ্ছে না। কলকাতায় বুলডোজার চালানোরও তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি। মমতা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘এটা বাংলা, উত্তরপ্রদেশ নয়। বাংলাকে বাঁচাতে হবে।’
আদালতে তৃণমূল রাজনীতিক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্বাচনের পর তৃণমূলের ১৫০-১৬০টি কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে, রাজ্যজুড়ে ভাঙচুর চলছে, বুলডোজার চালানো হচ্ছে। বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার প্রসঙ্গে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। আবেদন জানানো হয়, আদালতের নির্দেশ ছাড়া যেন এ রাজ্যে বুলডোজার চালানো না হয়।