১৯৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ফারাক্কা প্রকল্প চালুর অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই দেশের ক্ষতির প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে চুক্তি হলেও এখনও স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সারাজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি কখনোই ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেননি। ফারাক্কা লংমার্চের মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষকে সংগঠিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি আরও বলেন, ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের প্রায় এক কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি উৎপাদন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ঝুঁকিতে পড়ে। সেই বাস্তবতা থেকেই মওলানা ভাসানী আন্দোলনের পথে এগিয়ে যান। পরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জনগণকে সাথে নিয়ে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেন এবং একটি কার্যকর চুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। এরপর নতুন চুক্তি হলে তা অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদি এবং বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষাকারী হতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফারাক্কা এখন বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছে। গঙ্গা বা পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হলে দেশের মানুষ, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হলে জাতীয় স্বার্থে বিকল্প পদক্ষেপ নিতে হবে। এ সময় সরকারের গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণ উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এটি জাতীয় স্বার্থে একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।
সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে অবিলম্বে ফারাক্কা চুক্তি বিষয়ে বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সমাধানে পৌঁছাতে হবে। অন্যথায় দুই দেশের সুসম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট পদধারী নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, মিজানুর রহমান মিনু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালি প্রমুখ।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সারাজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি কখনোই ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেননি। ফারাক্কা লংমার্চের মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষকে সংগঠিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি আরও বলেন, ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের প্রায় এক কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি উৎপাদন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ঝুঁকিতে পড়ে। সেই বাস্তবতা থেকেই মওলানা ভাসানী আন্দোলনের পথে এগিয়ে যান। পরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জনগণকে সাথে নিয়ে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেন এবং একটি কার্যকর চুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। এরপর নতুন চুক্তি হলে তা অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদি এবং বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষাকারী হতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফারাক্কা এখন বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছে। গঙ্গা বা পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হলে দেশের মানুষ, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হলে জাতীয় স্বার্থে বিকল্প পদক্ষেপ নিতে হবে। এ সময় সরকারের গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণ উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এটি জাতীয় স্বার্থে একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।
সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে অবিলম্বে ফারাক্কা চুক্তি বিষয়ে বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সমাধানে পৌঁছাতে হবে। অন্যথায় দুই দেশের সুসম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট পদধারী নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, মিজানুর রহমান মিনু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালি প্রমুখ।