এক শিশুকে যৌন হেনস্তা করায় ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয় কুমারের ছেলে বন্দি ভাগীরথকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরআগে তেলেঙ্গানার হাইকোর্ট তাকে গ্রেপ্তার না করার আবেদন খারিজ করে দেন।গতকাল শনিবার বন্দি সঞ্জয় কুমার জানান তিনি তার ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। তিনি জানান, তার ছেলের বিরুদ্ধে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। তাই নিজেই ছেলেকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।বন্দি সঞ্জয়ের ছেলের বয়স ২৫ বছর। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার শিশু যৌন অপরাধ সুরক্ষা আইনের অধীনে মামলা করা হয়েছে।
সঞ্জয় এ ব্যাপারে মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে একটি পোস্ট করেছেন। এতে লিখেছেন, “আইন ও বিচার বিভাগের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রেখে, আজ (শনিবার) আমার ছেলে বন্দি ভাগীরথ আমাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে তদন্তের মুখোমুখি হতে তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে হাজির হয়েছে। আমি আগেও বলেছি—সে আমার নিজের ছেলেই হোক বা কোনো সাধারণ নাগরিক, আইনের চোখে সবাই সমান। আমার ছেলে শুরু থেকেই একটা কথাই বলে আসছে যে, সে কোনো অন্যায় করেনি। আইনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করার পর এবং আমাদের কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণ তাদের দেখানোর পর, তারা আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন যে এই বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সঠিকভাবে মোকাবিলা করা উচিত।”
একই সঙ্গে, আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বিষয়ে বিশ্বাস করি। যদিও আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আদেশ আসার কথা, তবুও আইনজীবীদের পরামর্শ থাকা সত্ত্বেও আমার মনে হয়েছে তদন্তে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো দ্বিধাবোধ থাকা উচিত নয়। বিচার ব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। ন্যায়বিচার পেতে কিছুটা দেরি হতে পারে, কিন্তু তা কখনো অপূর্ণ থাকে না।
সূত্র: এনডিটিভি
সঞ্জয় এ ব্যাপারে মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে একটি পোস্ট করেছেন। এতে লিখেছেন, “আইন ও বিচার বিভাগের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রেখে, আজ (শনিবার) আমার ছেলে বন্দি ভাগীরথ আমাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে তদন্তের মুখোমুখি হতে তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে হাজির হয়েছে। আমি আগেও বলেছি—সে আমার নিজের ছেলেই হোক বা কোনো সাধারণ নাগরিক, আইনের চোখে সবাই সমান। আমার ছেলে শুরু থেকেই একটা কথাই বলে আসছে যে, সে কোনো অন্যায় করেনি। আইনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করার পর এবং আমাদের কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণ তাদের দেখানোর পর, তারা আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন যে এই বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সঠিকভাবে মোকাবিলা করা উচিত।”
একই সঙ্গে, আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বিষয়ে বিশ্বাস করি। যদিও আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আদেশ আসার কথা, তবুও আইনজীবীদের পরামর্শ থাকা সত্ত্বেও আমার মনে হয়েছে তদন্তে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো দ্বিধাবোধ থাকা উচিত নয়। বিচার ব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। ন্যায়বিচার পেতে কিছুটা দেরি হতে পারে, কিন্তু তা কখনো অপূর্ণ থাকে না।
সূত্র: এনডিটিভি