আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে যশোরের পশুর হাটে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বিশালাকৃতির এক ব্রাহমা ষাঁড়। ব্যতিক্রমী নাম—‘বিসিএস ক্যাডার’।নামটি শুনে যেমন অনেকে মুচকি হাসছেন, তেমনি কৌতূহল নিয়েও প্রতিদিন ভিড় করছেন খামারে। প্রায় এক হাজার কেজি ওজনের এই ষাঁড়টির দাম হাঁকা হয়েছে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।যশোর সদর উপজেলার সীতারামপুর এলাকার বাসিন্দা মহিদুল জামান কাজল পেশায় সমবায় অধিদপ্তরের অডিট অফিসার। ২০১৭ সালে মাত্র পাঁচটি গরু দিয়ে খামার শুরু করলেও বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ৪২টি গরু। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এসব গরু প্রস্তুত করেছেন তিনি।
তবে সব গরুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে ‘বিসিএস ক্যাডার’। বিশাল দেহ, চকচকে গায়ের রং ও রাজকীয় গড়নের কারণে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ গরুটি দেখতে আসছেন।খামারি কাজল জানান, প্রায় ১০ মাস আগে গরুটি কেনার পর বিশেষ যত্নে লালন-পালন করেছেন তিনি। সেই কারণেই শখ করে নাম রেখেছেন ‘বিসিএস ক্যাডার’।তিনি বলেন, ‘যেমন একজন শিক্ষার্থীকে বিসিএস ক্যাডার হতে কঠোর পরিশ্রম ও যত্ন নিতে হয়, তেমনি এই ব্রাহমা গরুটিকেও বিশেষ পরিচর্যায় বড় করতে হয়েছে।গরুটির জন্য রয়েছে আলাদা পরিচর্যার ব্যবস্থা। দিনে দুইবার শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হয়। সার্বক্ষণিক ফ্যান চালিয়ে রাখা হয় এবং মশা থেকে সুরক্ষায় ব্যবহার করা হয় কয়েল।খামারটিতে আরও রয়েছে ১ হাজার ১০০ কেজি ওজনের একটি হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু, যার দাম ধরা হয়েছে ১১ লাখ টাকা। এছাড়া ৮৭৫ কেজি ওজনের একটি শাহীওয়াল জাতের গরুর মূল্য চাওয়া হচ্ছে সাড়ে ৮ লাখ টাকা।
খামারি কাজল জানান, তার খামারের সব গরুকেই প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়। খাদ্যতালিকায় রয়েছে কুঁড়ো, গম, ভুট্টা, ছোলা, সবুজ ঘাস, বিচালি, সয়াবিন ও সরিষার খৈলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। গরুর পেছনে প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার টাকা ব্যয় হয় বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, ‘কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলেও ‘বিসিএস ক্যাডার’ বিক্রি নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছর যশোরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৭৭টি পশু। জেলার চাহিদা ১ লাখ ৩ হাজার ১২৮টি হলেও উদ্বৃত্ত থাকবে প্রায় ১৪ হাজার ৮৪৯টি পশু। জেলায় বর্তমানে খামারির সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৪০ জন। এর মধ্যে রয়েছে ২৮ হাজার ৮৪৪টি ষাঁড়, ৩৬ হাজার ২৫৯টি গাভী, ৮১ হাজার ২৭৬টি ছাগল এবং ৪৪২টি ভেড়া।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সিদ্দীকুর রহমান বলেন, ‘যশোরের কোরবানির পশু স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের অন্যান্য জেলাতেও সরবরাহ করা হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনায় যশোরের পশুর চাহিদা বেশি।’তিনি আরও জানান, ‘খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। তাই দানাদার খাবারের পরিবর্তে বেশি করে সবুজ ঘাস ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ না করার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছে।’
তবে সব গরুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে ‘বিসিএস ক্যাডার’। বিশাল দেহ, চকচকে গায়ের রং ও রাজকীয় গড়নের কারণে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ গরুটি দেখতে আসছেন।খামারি কাজল জানান, প্রায় ১০ মাস আগে গরুটি কেনার পর বিশেষ যত্নে লালন-পালন করেছেন তিনি। সেই কারণেই শখ করে নাম রেখেছেন ‘বিসিএস ক্যাডার’।তিনি বলেন, ‘যেমন একজন শিক্ষার্থীকে বিসিএস ক্যাডার হতে কঠোর পরিশ্রম ও যত্ন নিতে হয়, তেমনি এই ব্রাহমা গরুটিকেও বিশেষ পরিচর্যায় বড় করতে হয়েছে।গরুটির জন্য রয়েছে আলাদা পরিচর্যার ব্যবস্থা। দিনে দুইবার শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হয়। সার্বক্ষণিক ফ্যান চালিয়ে রাখা হয় এবং মশা থেকে সুরক্ষায় ব্যবহার করা হয় কয়েল।খামারটিতে আরও রয়েছে ১ হাজার ১০০ কেজি ওজনের একটি হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু, যার দাম ধরা হয়েছে ১১ লাখ টাকা। এছাড়া ৮৭৫ কেজি ওজনের একটি শাহীওয়াল জাতের গরুর মূল্য চাওয়া হচ্ছে সাড়ে ৮ লাখ টাকা।
খামারি কাজল জানান, তার খামারের সব গরুকেই প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়। খাদ্যতালিকায় রয়েছে কুঁড়ো, গম, ভুট্টা, ছোলা, সবুজ ঘাস, বিচালি, সয়াবিন ও সরিষার খৈলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। গরুর পেছনে প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার টাকা ব্যয় হয় বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, ‘কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলেও ‘বিসিএস ক্যাডার’ বিক্রি নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছর যশোরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৭৭টি পশু। জেলার চাহিদা ১ লাখ ৩ হাজার ১২৮টি হলেও উদ্বৃত্ত থাকবে প্রায় ১৪ হাজার ৮৪৯টি পশু। জেলায় বর্তমানে খামারির সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৪০ জন। এর মধ্যে রয়েছে ২৮ হাজার ৮৪৪টি ষাঁড়, ৩৬ হাজার ২৫৯টি গাভী, ৮১ হাজার ২৭৬টি ছাগল এবং ৪৪২টি ভেড়া।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সিদ্দীকুর রহমান বলেন, ‘যশোরের কোরবানির পশু স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের অন্যান্য জেলাতেও সরবরাহ করা হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনায় যশোরের পশুর চাহিদা বেশি।’তিনি আরও জানান, ‘খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। তাই দানাদার খাবারের পরিবর্তে বেশি করে সবুজ ঘাস ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ না করার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছে।’