জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি (দেয়ালচিত্র) অপসারণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কোনো নির্দেশনা দেননি বলে জানিয়েছে চসিক কর্তৃপক্ষ।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৭ মে) এক বিবৃতিতে বিষয়টি স্পষ্ট করে চসিক।
চসিক সূত্র জানায়, মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বরাবরই নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে আসছেন। নগরের কোথাও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার জন্য তার পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে, নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত প্রক্রিয়ায় অবৈধ দেয়াললিখন, ব্যানার-পোস্টার ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণে চসিকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সংস্থাটির দাবি, কোনো শিল্পকর্ম, শিক্ষামূলক বা সামাজিক সচেতনতামূলক গ্রাফিতি অপসারণের জন্য মেয়রের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো নির্দেশ ছিল না। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি অপসারণের প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না ছড়াতে নগরবাসী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।
এদিকে, জুলাইয়ের গ্রাফিতি অপসারণের অভিযোগ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মিডিয়া সেলের প্রধান রিদুয়ান হৃদয়।তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার স্পর্ধা মেয়রকে কে দিয়েছে? ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে তিনি এত দ্রুতই ভুলে গেলেন যে, এই জুলাইয়ের রক্তস্নাত রাজপথ এবং ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের কারণেই আজ তার নামের আগে ‘মেয়র’ তকমা যুক্ত হয়েছে।
‘এসি কক্ষে বসে হয়তো অনুধাবন করা যায় না, এই দেয়াললিখনগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছিল। এগুলো কেবল রং-তুলির আঁচড় নয়; শিক্ষার্থীদের টিফিনের বাঁচানো টাকা, সাধারণ মানুষের অনুদান, ঘাম ও আত্মত্যাগের প্রতীক। শিক্ষার্থীরা দিনরাত পরিশ্রম করে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এঁকেছিল। সেই আবেগের ওপর কালি লেপন করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’
এনসিপি নেতার অভিযোগ, বিপ্লবের স্মৃতিচিহ্ন মুছে সেখানে বাণিজ্যিক বিলবোর্ড বসানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। ক্ষমতার অহংকারে জুলাইয়ের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতা রাজপথে এর দাঁতভাঙা জবাব দেবে।
চসিক সূত্র জানায়, মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বরাবরই নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে আসছেন। নগরের কোথাও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার জন্য তার পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে, নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত প্রক্রিয়ায় অবৈধ দেয়াললিখন, ব্যানার-পোস্টার ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণে চসিকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সংস্থাটির দাবি, কোনো শিল্পকর্ম, শিক্ষামূলক বা সামাজিক সচেতনতামূলক গ্রাফিতি অপসারণের জন্য মেয়রের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো নির্দেশ ছিল না। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি অপসারণের প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না ছড়াতে নগরবাসী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।
এদিকে, জুলাইয়ের গ্রাফিতি অপসারণের অভিযোগ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মিডিয়া সেলের প্রধান রিদুয়ান হৃদয়।তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার স্পর্ধা মেয়রকে কে দিয়েছে? ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে তিনি এত দ্রুতই ভুলে গেলেন যে, এই জুলাইয়ের রক্তস্নাত রাজপথ এবং ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের কারণেই আজ তার নামের আগে ‘মেয়র’ তকমা যুক্ত হয়েছে।
‘এসি কক্ষে বসে হয়তো অনুধাবন করা যায় না, এই দেয়াললিখনগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছিল। এগুলো কেবল রং-তুলির আঁচড় নয়; শিক্ষার্থীদের টিফিনের বাঁচানো টাকা, সাধারণ মানুষের অনুদান, ঘাম ও আত্মত্যাগের প্রতীক। শিক্ষার্থীরা দিনরাত পরিশ্রম করে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এঁকেছিল। সেই আবেগের ওপর কালি লেপন করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’
এনসিপি নেতার অভিযোগ, বিপ্লবের স্মৃতিচিহ্ন মুছে সেখানে বাণিজ্যিক বিলবোর্ড বসানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। ক্ষমতার অহংকারে জুলাইয়ের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতা রাজপথে এর দাঁতভাঙা জবাব দেবে।