৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ন্ত একটি দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে অস্বাভাবিক ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত জরুরি অবতরণে গড়ায়। অস্ট্রেলিয়ার বিমান সংস্থা কান্টাসের একটি ফ্লাইটে এক যাত্রীর বিশৃঙ্খল আচরণ ও সহিংস ঘটনার কারণে যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
ঘটনাটি ঘটে মেলবোর্ন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসগামী ফ্লাইট কিউএফ২১-এ। যাত্রা শুরুর প্রায় সাত ঘণ্টা পর হঠাৎ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, এক যাত্রী বিমানের ভেতরে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড় দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই যাত্রী কেবিন ক্রুদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন এবং করিডোরে টলতে টলতে হাঁটছেন। তাকে পেছনের দিকে যেতে বলা হলেও তিনি অশালীন ভাষা ব্যবহার করতে থাকেন। ভিডিওতে তিনি বারবার বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চান যা বিমানের নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গত।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিমানটি নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে ফরাসি পলিনেশিয়ার রাজধানী পাপিতেতে জরুরি অবতরণ করে। সেখানে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে ওই যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে নেয়। ক্যান্টাস কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এমন বিশৃঙ্খল বা হুমকিমূলক আচরণের ক্ষেত্রে কোনও ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানানো হয়।
ঘটনার পর ওই যাত্রীকে ভবিষ্যতে কান্টাস কিংবা তার সহযোগী বিমান সংস্থা জেটস্টারের কোনও ফ্লাইটে ভ্রমণের অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রায় ৩৫ মিনিট পাপিতেতে অবস্থানের পর ফ্লাইটটি আবার যাত্রা শুরু করে এবং পরদিন সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে নিরাপদে পৌঁছায়। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক বিমান ভ্রমণে যাত্রী আচরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
ঘটনাটি ঘটে মেলবোর্ন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসগামী ফ্লাইট কিউএফ২১-এ। যাত্রা শুরুর প্রায় সাত ঘণ্টা পর হঠাৎ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, এক যাত্রী বিমানের ভেতরে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড় দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই যাত্রী কেবিন ক্রুদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন এবং করিডোরে টলতে টলতে হাঁটছেন। তাকে পেছনের দিকে যেতে বলা হলেও তিনি অশালীন ভাষা ব্যবহার করতে থাকেন। ভিডিওতে তিনি বারবার বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চান যা বিমানের নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গত।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিমানটি নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে ফরাসি পলিনেশিয়ার রাজধানী পাপিতেতে জরুরি অবতরণ করে। সেখানে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে ওই যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে নেয়। ক্যান্টাস কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এমন বিশৃঙ্খল বা হুমকিমূলক আচরণের ক্ষেত্রে কোনও ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানানো হয়।
ঘটনার পর ওই যাত্রীকে ভবিষ্যতে কান্টাস কিংবা তার সহযোগী বিমান সংস্থা জেটস্টারের কোনও ফ্লাইটে ভ্রমণের অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রায় ৩৫ মিনিট পাপিতেতে অবস্থানের পর ফ্লাইটটি আবার যাত্রা শুরু করে এবং পরদিন সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে নিরাপদে পৌঁছায়। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক বিমান ভ্রমণে যাত্রী আচরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।
সূত্র: এনডিটিভি