ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমকে রহমান এবং আইনজীবী মহসিন রশিদ।
রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, দেশে বর্তমানে নির্বাচিত সরকার ও কার্যকর সংসদ বিদ্যমান রয়েছে। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, সিদ্ধান্ত বা চুক্তি নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা আলোচনা থাকলে তা সংসদে উত্থাপন ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।
রায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি জানান, আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন যে, এই রিটের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে সরকারের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আদালত বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে রিট আবেদনটি খারিজ করেছেন।
এর আগে গত ১৭ মে শুনানি শেষে আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছিলেন হাইকোর্ট। আর চলতি মাসের ৪ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ এ রিট আবেদন দায়ের করেন।
রিটে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধানে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে নেওয়া বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, প্রণীত আইন, সংস্কার কমিশন গঠন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন চুক্তির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
আবেদনে বলা হয়েছিল, এসব কার্যক্রমের সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি পর্যালোচনা প্রয়োজন। তবে আদালত রিট আবেদন গ্রহণ না করে তা সরাসরি খারিজ করে দেন।
এদিকে হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী মহসিন রশিদ। তিনি বলেন, আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমকে রহমান এবং আইনজীবী মহসিন রশিদ।
রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, দেশে বর্তমানে নির্বাচিত সরকার ও কার্যকর সংসদ বিদ্যমান রয়েছে। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, সিদ্ধান্ত বা চুক্তি নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা আলোচনা থাকলে তা সংসদে উত্থাপন ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।
রায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি জানান, আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন যে, এই রিটের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে সরকারের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আদালত বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে রিট আবেদনটি খারিজ করেছেন।
এর আগে গত ১৭ মে শুনানি শেষে আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছিলেন হাইকোর্ট। আর চলতি মাসের ৪ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ এ রিট আবেদন দায়ের করেন।
রিটে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধানে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে নেওয়া বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, প্রণীত আইন, সংস্কার কমিশন গঠন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন চুক্তির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
আবেদনে বলা হয়েছিল, এসব কার্যক্রমের সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি পর্যালোচনা প্রয়োজন। তবে আদালত রিট আবেদন গ্রহণ না করে তা সরাসরি খারিজ করে দেন।
এদিকে হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী মহসিন রশিদ। তিনি বলেন, আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।