পৃথিবীতে এমন অনেক প্রাণী রয়েছে যাদের আচরণ ও গতিবিধি মানুষকে বিস্মিত করে। বিশেষ করে সাপ এক ধরনের প্রাণী, যার নাম শুনলেই অনেকের মধ্যে ভয় সৃষ্টি হয়। এমনকি রাস্তার পাশে একটি সাপ দেখলেই অনেকে আতঙ্কে দূরে সরে যান। কিন্তু কানাডার ম্যানিটোবা প্রদেশের নারসিস শহরে এমন এক অদ্ভুত প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যায়, যা ভয়কে কৌতূহলে পরিণত করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারসিস বর্তমানে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ‘সাপের হানিমুন স্পট’ হিসেবে। প্রতি বসন্তে প্রায় ৭৫ হাজার লাল ডোরাকাটা ইস্টার্ন গার্টার সাপ এখানে একত্রিত হয়। মার্চ থেকে জুনের মধ্যে শীতের পর এই সাপগুলো ভূগর্ভস্থ চুনাপাথরের গুহা থেকে বের হতে শুরু করে। প্রথমে পুরুষ সাপ বাইরে আসে এবং স্ত্রী সাপের জন্য অপেক্ষা করে। যখন স্ত্রী সাপ বের হয়, তখন শত শত পুরুষ সাপ তাকে ঘিরে মিলনের চেষ্টা চালায়।
বিজ্ঞানীরা এই অনন্য প্রজনন আচরণকে ‘মেটিং বল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, মাটির ওপর যেন একটি বিশাল সাপের গোলক নড়াচড়া করছে। বিশ্বের খুব কম স্থানে কাছ থেকে এমন বিরল দৃশ্য দেখা সম্ভব। এই সময় নারসিস শহরে পর্যটক ও গবেষকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যারা এই অদ্ভুত প্রাকৃতিক ঘটনার সাক্ষী হতে আগ্রহী।
তবে এই সাপযাত্রা নিয়ে কিছু উদ্বেগও রয়েছে। নারসিসের পাশ দিয়ে যাওয়া মহাসড়কে অতীতে বহু সাপ যানবাহনের চাপায় মারা যেত। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবেশবিদরা সাপদের জন্য বিশেষ টানেল ও সুরক্ষা বেড়া নির্মাণ করেছেন। এতে দুর্ঘটনার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
এভাবেই নারসিস শহর প্রতি বসন্তে ভিন্ন এক প্রাকৃতিক দৃশ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বিজ্ঞানী ও প্রাকৃতিক প্রেমীদের জন্য এটি শুধু দৃষ্টিনন্দনই নয়, বরং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দিক থেকেও শিক্ষণীয় উদাহরণ। সাপের এমন ব্যতিক্রমী প্রজনন আচরণ পর্যটক এবং গবেষকদের জন্য বরাবরের মতোই আকর্ষণীয় হয়ে আছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারসিস বর্তমানে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ‘সাপের হানিমুন স্পট’ হিসেবে। প্রতি বসন্তে প্রায় ৭৫ হাজার লাল ডোরাকাটা ইস্টার্ন গার্টার সাপ এখানে একত্রিত হয়। মার্চ থেকে জুনের মধ্যে শীতের পর এই সাপগুলো ভূগর্ভস্থ চুনাপাথরের গুহা থেকে বের হতে শুরু করে। প্রথমে পুরুষ সাপ বাইরে আসে এবং স্ত্রী সাপের জন্য অপেক্ষা করে। যখন স্ত্রী সাপ বের হয়, তখন শত শত পুরুষ সাপ তাকে ঘিরে মিলনের চেষ্টা চালায়।
বিজ্ঞানীরা এই অনন্য প্রজনন আচরণকে ‘মেটিং বল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, মাটির ওপর যেন একটি বিশাল সাপের গোলক নড়াচড়া করছে। বিশ্বের খুব কম স্থানে কাছ থেকে এমন বিরল দৃশ্য দেখা সম্ভব। এই সময় নারসিস শহরে পর্যটক ও গবেষকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যারা এই অদ্ভুত প্রাকৃতিক ঘটনার সাক্ষী হতে আগ্রহী।
তবে এই সাপযাত্রা নিয়ে কিছু উদ্বেগও রয়েছে। নারসিসের পাশ দিয়ে যাওয়া মহাসড়কে অতীতে বহু সাপ যানবাহনের চাপায় মারা যেত। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবেশবিদরা সাপদের জন্য বিশেষ টানেল ও সুরক্ষা বেড়া নির্মাণ করেছেন। এতে দুর্ঘটনার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
এভাবেই নারসিস শহর প্রতি বসন্তে ভিন্ন এক প্রাকৃতিক দৃশ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বিজ্ঞানী ও প্রাকৃতিক প্রেমীদের জন্য এটি শুধু দৃষ্টিনন্দনই নয়, বরং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দিক থেকেও শিক্ষণীয় উদাহরণ। সাপের এমন ব্যতিক্রমী প্রজনন আচরণ পর্যটক এবং গবেষকদের জন্য বরাবরের মতোই আকর্ষণীয় হয়ে আছে।