দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১৫ জন শিশুর শরীরে হাম অথবা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত একদিনে সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৬১ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত উপসর্গসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৫৪০ জনে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন করে ৫৪ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৩২৯।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। গত দুই মাসের বেশি সময়ে মোট ৪৭ হাজার ৫১১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৩ হাজার ৪১১ শিশু। তবে এখনো বিপুলসংখ্যক শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মৃত্যুর পরিসংখ্যানও বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪১৪ জন। এছাড়া পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮৫ জনের। সব মিলিয়ে দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৯৯ জনে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করছেন তারা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (২২ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত একদিনে সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৬১ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত উপসর্গসহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৫৪০ জনে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন করে ৫৪ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ হাজার ৩২৯।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। গত দুই মাসের বেশি সময়ে মোট ৪৭ হাজার ৫১১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৩ হাজার ৪১১ শিশু। তবে এখনো বিপুলসংখ্যক শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মৃত্যুর পরিসংখ্যানও বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪১৪ জন। এছাড়া পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮৫ জনের। সব মিলিয়ে দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৯৯ জনে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করছেন তারা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।