রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে শিশু রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে জনতার প্রতিবাদ। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে এসে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’ পালন করেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার এবং প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা।
কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মিরপুর-১০ এলাকায় সৃষ্টি হয় উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ। বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার। তারা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’— এমন নানা স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন।
প্রতিবাদকারীরা বলেন, শিশু রামিসাকে যেভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা পুরো সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এমন ঘটনায় শুধু গ্রেফতার নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই অভিযুক্তদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে সমাজে ভয়াবহ অপরাধ আরও বাড়তে পারে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা এখন চরম উদ্বিগ্ন। রাজধানীর মতো জায়গায় এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তারা দাবি করেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের একটি ভবন থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। পরে একই রাতে সোহেল রানাকেও গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে রামিসা হত্যার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মিরপুর-১০ এলাকায় সৃষ্টি হয় উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ। বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার। তারা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’— এমন নানা স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন।
প্রতিবাদকারীরা বলেন, শিশু রামিসাকে যেভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা পুরো সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এমন ঘটনায় শুধু গ্রেফতার নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই অভিযুক্তদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে সমাজে ভয়াবহ অপরাধ আরও বাড়তে পারে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা এখন চরম উদ্বিগ্ন। রাজধানীর মতো জায়গায় এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তারা দাবি করেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের একটি ভবন থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। পরে একই রাতে সোহেল রানাকেও গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে রামিসা হত্যার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।