ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য হুমকি।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, একই দিন বাদ জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে।
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক মতভেদ থাকা স্বাভাবিক বিষয়। তবে ভিন্ন মতের কারণে কারও ওপর হামলা, অপমানজনক আচরণ বা সহিংসতা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনের সহনশীলতা নষ্ট করে এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশের পরিপন্থি হিসেবে কাজ করে।
জামায়াত নেতা বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে সহিংসতা, উসকানি এবং প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ করা জরুরি। তিনি মনে করেন, দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি উন্নত করতে হলে সব পক্ষকেই সহনশীল আচরণ করতে হবে। কোনো ধরনের সহিংসতা বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
বিবৃতির শেষে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাখতে সকল রাজনৈতিক দল, নেতা-কর্মী এবং সাধারণ নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।।’
বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, একই দিন বাদ জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে।
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক মতভেদ থাকা স্বাভাবিক বিষয়। তবে ভিন্ন মতের কারণে কারও ওপর হামলা, অপমানজনক আচরণ বা সহিংসতা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনের সহনশীলতা নষ্ট করে এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশের পরিপন্থি হিসেবে কাজ করে।
জামায়াত নেতা বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে সহিংসতা, উসকানি এবং প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ করা জরুরি। তিনি মনে করেন, দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি উন্নত করতে হলে সব পক্ষকেই সহনশীল আচরণ করতে হবে। কোনো ধরনের সহিংসতা বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
বিবৃতির শেষে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাখতে সকল রাজনৈতিক দল, নেতা-কর্মী এবং সাধারণ নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।।’