দেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১২ জনে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১৩২ শিশু।
শনিবার (২৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে যেসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ১২ জন হামের উপসর্গ নিয়ে এবং একজন শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬ জনে। আর শুধুমাত্র উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪২৬ জনে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ৮ হাজার ৪৯৪ জন। পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নেওয়া বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ৫৬০ জনে।
ভৌগোলিকভাবে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি গুরুতর ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে এখন পর্যন্ত হামে ও এর উপসর্গে মোট ২১৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা সেখানে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৫১৩ জনে, যা দেশের অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সর্বোচ্চ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এই পরিসংখ্যান ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৩ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই সময়ের মধ্যে ধাপে ধাপে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তারা আরও বলছেন, সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং সতর্কতা অবলম্বন করলে সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সরকারি পর্যায়ে নজরদারি ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জোরদার করার কথাও জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে যেসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ১২ জন হামের উপসর্গ নিয়ে এবং একজন শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬ জনে। আর শুধুমাত্র উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪২৬ জনে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ৮ হাজার ৪৯৪ জন। পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নেওয়া বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ৫৬০ জনে।
ভৌগোলিকভাবে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি গুরুতর ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে এখন পর্যন্ত হামে ও এর উপসর্গে মোট ২১৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা সেখানে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৫১৩ জনে, যা দেশের অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সর্বোচ্চ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এই পরিসংখ্যান ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৩ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই সময়ের মধ্যে ধাপে ধাপে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তারা আরও বলছেন, সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং সতর্কতা অবলম্বন করলে সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সরকারি পর্যায়ে নজরদারি ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জোরদার করার কথাও জানানো হয়েছে।