হামের ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার পরিচালিত হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক। প্রতিষ্ঠানটির স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের বিনামূল্যে হাম-রুবেলা প্রতিরোধী টিকা প্রদান করে রোগ প্রতিরোধ, শিশুমৃত্যু হ্রাস এবং সুস্থ প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর আওতায় প্রতিবছর লাখো শিশুকে বিভিন্ন জীবনরক্ষাকারী টিকা দেওয়া হয়। এসব টিকার মধ্যে রয়েছে যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, পোলিও, হাম, রুবেলা, ডায়রিয়া, চিকেনপক্স ও কলেরার মতো রোগ প্রতিরোধী টিকা।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, গত পাঁচ বছরে তাদের ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ টিকা প্রদান করা হয়েছে। তবে টিকাদান কার্যক্রমের সময় অতিরিক্ত কর্মচাপ ও সীমিত সময়ের কারণে মাঠপর্যায়ে দেওয়া সব টিকার তথ্য নথিভুক্ত করা সম্ভব হয় না। ফলে প্রকৃত টিকাগ্রহণকারীর সংখ্যা রেকর্ডকৃত সংখ্যার চেয়ে আরও বেশি হতে পারে।
শুধু শিশুদের টিকাদানেই নয়, কিশোরী ও নারীদের জন্য জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী টিকা, ধনুষ্টংকার ও হেপাটাইটিসের মতো বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক সেবাও দিয়ে আসছে সূর্যের হাসি। এর মাধ্যমে নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।
ইউএসএআইডির অর্থায়নে পরিচালিত সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক গত ২৯ বছর ধরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর ও মফস্বল এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির ক্লিনিকগুলোতে গর্ভবতী মায়েদের জন্য গর্ভকালীন সেবা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ, নিরাপদ প্রসব এবং প্রসব-পরবর্তী মা ও নবজাতকের সেবা প্রদান করা হয়।
সূর্যের হাসি কর্তৃপক্ষ জানায়, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতকরণ এবং মা-শিশুর মৃত্যুহার কমাতে তাদের দীর্ঘদিনের কার্যক্রম জাতীয় জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি মানসম্মত ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বর্তমান হাম পরিস্থিতিতে সকল অভিভাবক ও পরিচর্যাকারীদের প্রতি শিশুদের বয়স অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক। তাদের মতে, সময়মতো টিকাদান শিশুদের হামসহ বিভিন্ন প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং একটি সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর আওতায় প্রতিবছর লাখো শিশুকে বিভিন্ন জীবনরক্ষাকারী টিকা দেওয়া হয়। এসব টিকার মধ্যে রয়েছে যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, পোলিও, হাম, রুবেলা, ডায়রিয়া, চিকেনপক্স ও কলেরার মতো রোগ প্রতিরোধী টিকা।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, গত পাঁচ বছরে তাদের ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ টিকা প্রদান করা হয়েছে। তবে টিকাদান কার্যক্রমের সময় অতিরিক্ত কর্মচাপ ও সীমিত সময়ের কারণে মাঠপর্যায়ে দেওয়া সব টিকার তথ্য নথিভুক্ত করা সম্ভব হয় না। ফলে প্রকৃত টিকাগ্রহণকারীর সংখ্যা রেকর্ডকৃত সংখ্যার চেয়ে আরও বেশি হতে পারে।
শুধু শিশুদের টিকাদানেই নয়, কিশোরী ও নারীদের জন্য জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী টিকা, ধনুষ্টংকার ও হেপাটাইটিসের মতো বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক সেবাও দিয়ে আসছে সূর্যের হাসি। এর মাধ্যমে নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।
ইউএসএআইডির অর্থায়নে পরিচালিত সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক গত ২৯ বছর ধরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর ও মফস্বল এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির ক্লিনিকগুলোতে গর্ভবতী মায়েদের জন্য গর্ভকালীন সেবা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ, নিরাপদ প্রসব এবং প্রসব-পরবর্তী মা ও নবজাতকের সেবা প্রদান করা হয়।
সূর্যের হাসি কর্তৃপক্ষ জানায়, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতকরণ এবং মা-শিশুর মৃত্যুহার কমাতে তাদের দীর্ঘদিনের কার্যক্রম জাতীয় জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি মানসম্মত ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বর্তমান হাম পরিস্থিতিতে সকল অভিভাবক ও পরিচর্যাকারীদের প্রতি শিশুদের বয়স অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক। তাদের মতে, সময়মতো টিকাদান শিশুদের হামসহ বিভিন্ন প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং একটি সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।