ম্যাচের তখন ২২তম মিনিট। স্কটিশ ডিফেন্ডার জ্যাক হেনড্রির কাছ থেকে পজেশন রিকভারি করে (বল কেড়ে নিয়ে) দারুণ ফিনিশিংয়ে জালে পাঠান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অথচ গোলটি বাতিল হয়ে যায়। ভিএআর (VAR) চেকের পর সিদ্ধান্ত যায় স্কটিশদের পক্ষে।
রেফারির যুক্তি ছিল, বল কেড়ে নেওয়ার মুহূর্তে হেনড্রিকে ফাউল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। বল স্পর্শ করার আগে তিনি প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পায়ে আঘাত করেন।
গোল বাতিলের এই সিদ্ধান্তে রেফারির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়েন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। অবশ্য এই ক্ষোভই যেন তাঁকে আরও তাতিয়ে দেয়। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত এক হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি আদায় করেন তিনি। অবশ্য ম্যাচের শুরুতে তাঁর গোলেই লিড পেয়েছিল ব্রাজিল।
২২ মিনিটের সেই গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি ছিল বেশ বিতর্কিত। রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কি না, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে মতভেদ তৈরি হয়।
ম্যাচ-পরবর্তী সময়ে এটি নিয়ে কথা বলেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। প্রিমিয়ার লিগের সাবেক সহকারী রেফারি ড্যারেন ক্যান মনে করেন, রেফারি সিজার রামোস এখানে ভুল করেছেন। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, স্কটল্যান্ড এখানে কিছুটা ভাগ্যবান। বল স্পর্শ করার আগে সামান্য সংযোগ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু আমার মনে হয় না ভিনিসিয়ুস কোনো ফাউল করেছেন। তিনি কেবল নিজের জায়গা ধরে রেখেছিলেন এবং ডিফেন্ডার নিজেই তাঁর পায়ে এসে লাথি মারেন। স্কটল্যান্ড এই সিদ্ধান্তে খুশি হতেই পারে, তবে তারা কিছুটা ভাগ্যের জোরেই পার পেয়েছে।’
তবে সাবেক স্কটিশ আন্তর্জাতিক ফুটবলার ও সহ-ভাষ্যকার জেমস ম্যাকফ্যাডেন ক্যানের এই মতের কড়া বিরোধিতা করে বলেন, ‘না, আমি একমত নই। আমার মতে এটি ফাউল ছিল। সংযোগ সামান্য হোক আর যাই হোক, ফাউল তো ফাউলই। রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা গেছে, বল কিক করার মুহূর্তে ডিফেন্ডারকে বাধা দেওয়া হয়েছে, যা তাকে কিক করা থেকে বিরত রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল। আমার কাছে এটি একদম সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।’ ম্যাকফ্যাডেন পরে আরও যোগ করেন, ‘এটি অবশ্যই বড় বাঁচা, তবে ফাউল যখন হয়েছে, তখন সিদ্ধান্ত সঠিক।’
সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার লুকাস লেইভা বিশেষজ্ঞ ক্যানের সুরেই সুর মিলিয়ে বলেন, ‘আমার কাছে এটি কোনোভাবেই ফাউল ছিল না। দারুণ প্রেসিং ছিল, ম্যাচ তখনই ২-০ হতে পারত। রেফারি বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন তা দেখার বিষয়, তবে আমার চোখে এটি ফাউল নয়।’
স্কটল্যান্ডের নারী ফুটবলার র্যাচেল কর্সি বলেন, ‘তর্কের খাতিরে বলা যায় যে বল স্পর্শ করার আগেই ভিনিসিয়ুস ডিফেন্ডারের পায়ে আঘাত করেছিলেন, বলের ওপর তখন তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তিনি আগে স্কটিশ খেলোয়াড়কে আঘাত করেন, তাই এটি স্কটল্যান্ডের জন্য দারুণ ভাগ্যের ব্যাপার।’
রেফারির যুক্তি ছিল, বল কেড়ে নেওয়ার মুহূর্তে হেনড্রিকে ফাউল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। বল স্পর্শ করার আগে তিনি প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পায়ে আঘাত করেন।
গোল বাতিলের এই সিদ্ধান্তে রেফারির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়েন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। অবশ্য এই ক্ষোভই যেন তাঁকে আরও তাতিয়ে দেয়। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত এক হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি আদায় করেন তিনি। অবশ্য ম্যাচের শুরুতে তাঁর গোলেই লিড পেয়েছিল ব্রাজিল।
২২ মিনিটের সেই গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি ছিল বেশ বিতর্কিত। রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কি না, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে মতভেদ তৈরি হয়।
ম্যাচ-পরবর্তী সময়ে এটি নিয়ে কথা বলেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। প্রিমিয়ার লিগের সাবেক সহকারী রেফারি ড্যারেন ক্যান মনে করেন, রেফারি সিজার রামোস এখানে ভুল করেছেন। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, স্কটল্যান্ড এখানে কিছুটা ভাগ্যবান। বল স্পর্শ করার আগে সামান্য সংযোগ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু আমার মনে হয় না ভিনিসিয়ুস কোনো ফাউল করেছেন। তিনি কেবল নিজের জায়গা ধরে রেখেছিলেন এবং ডিফেন্ডার নিজেই তাঁর পায়ে এসে লাথি মারেন। স্কটল্যান্ড এই সিদ্ধান্তে খুশি হতেই পারে, তবে তারা কিছুটা ভাগ্যের জোরেই পার পেয়েছে।’
তবে সাবেক স্কটিশ আন্তর্জাতিক ফুটবলার ও সহ-ভাষ্যকার জেমস ম্যাকফ্যাডেন ক্যানের এই মতের কড়া বিরোধিতা করে বলেন, ‘না, আমি একমত নই। আমার মতে এটি ফাউল ছিল। সংযোগ সামান্য হোক আর যাই হোক, ফাউল তো ফাউলই। রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা গেছে, বল কিক করার মুহূর্তে ডিফেন্ডারকে বাধা দেওয়া হয়েছে, যা তাকে কিক করা থেকে বিরত রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল। আমার কাছে এটি একদম সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।’ ম্যাকফ্যাডেন পরে আরও যোগ করেন, ‘এটি অবশ্যই বড় বাঁচা, তবে ফাউল যখন হয়েছে, তখন সিদ্ধান্ত সঠিক।’
সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার লুকাস লেইভা বিশেষজ্ঞ ক্যানের সুরেই সুর মিলিয়ে বলেন, ‘আমার কাছে এটি কোনোভাবেই ফাউল ছিল না। দারুণ প্রেসিং ছিল, ম্যাচ তখনই ২-০ হতে পারত। রেফারি বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন তা দেখার বিষয়, তবে আমার চোখে এটি ফাউল নয়।’
স্কটল্যান্ডের নারী ফুটবলার র্যাচেল কর্সি বলেন, ‘তর্কের খাতিরে বলা যায় যে বল স্পর্শ করার আগেই ভিনিসিয়ুস ডিফেন্ডারের পায়ে আঘাত করেছিলেন, বলের ওপর তখন তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তিনি আগে স্কটিশ খেলোয়াড়কে আঘাত করেন, তাই এটি স্কটল্যান্ডের জন্য দারুণ ভাগ্যের ব্যাপার।’