ঢাকার গুলশানে ২০১৬ সালের ১ জুলাই নারকীয় এক রূপ দেখেছে বিশ্ববাসী। হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় খুন হন দেশি-বিদেশী ২০ জন। প্রাণ হারান দুই পুলিশ কর্মকর্তাও। পরদিন সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে অবসান ঘটে জিম্মিদশার। নিহত হয় ৫ জঙ্গি।
২০১৯ সালে নিম্ন আদালত সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও ২০২৩ সালে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন উচ্চ আদালত। এখন ঝুলে আছে আপিল বিভাগে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা বলছেন, মামলাটির বিচারকাজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে
সম্পর্কিত।
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আমাদের দেশের যেকোনো মামলা শুনানি নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে নানা রকম প্রতিবন্ধকতার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যে আপিল বিভাগে বর্তমানে পাঁচ জন বিচারপতি আছেন এবং মামলার যে চাপ এই বিচারটির সঙ্গে শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় না আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও এর একটা গুরুত্ব আছে। তো সে বিষয়টি বিবেচনা রেখে আমরা উদ্যোগী হব।
বিভিন্ন সময় তৌহিদী জনতার নামে মব তৈরি এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক জঙ্গী গোষ্ঠীর পতাকার সঙ্গে মিল থাকা পতাকা নিয়ে মিছিল ভাবাচ্ছে বিশ্লেষকদের।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেন, ছোট ঘটনা বড় ঘটনার পূর্বাভাস দেয় কিনা? আমি বলব ইয়েস দেয়। সুতরাং এই ঘটনাগুলোকে হালকাভাবে নেয়ার কোনো অবকাশ নেই। ডটগুলোকে জোড়া দিতে হবে, দিয়ে কারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, কারা করছে, এটা কি দেশের ভেতরে যারা আছে তারা করছে? নাকি দেশের বাইরের যারা আছে তারা তাদের ইন্ধনে দেশে যারা আছে তাদের মাধ্যমে এই কাজটা করছে? এই লিংক পুরোটাকে বের করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে হলি আর্টিজান পরবর্তী সময়ে মাঠ পর্যায়ে উগ্রবাদীদের তৎপরতা নস্যাৎ করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মাহফুজুল আলম রাসেল বলেন, যেখানেই যেটা হোক না কেন আমরা প্রথমেই দেখি সেটা আমাদের আইনের আওতাভুক্ত কিনা এবং আমাদের মনিটরিং এর একটা ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা আমাদের কার্যক্রম যাতে সুক্ষ্মভাবে সুন্দরভাবে আমরা সম্পন্ন করতে পারি সেজন্য আমরা সর্বদা কর্মরত আছি।
বিশ্লেষকরা বলছেন জঙ্গিবাদ নির্মূলে জনসচেতনতার বিকল্প নেই।
২০১৯ সালে নিম্ন আদালত সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও ২০২৩ সালে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন উচ্চ আদালত। এখন ঝুলে আছে আপিল বিভাগে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা বলছেন, মামলাটির বিচারকাজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে
সম্পর্কিত।
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আমাদের দেশের যেকোনো মামলা শুনানি নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে নানা রকম প্রতিবন্ধকতার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যে আপিল বিভাগে বর্তমানে পাঁচ জন বিচারপতি আছেন এবং মামলার যে চাপ এই বিচারটির সঙ্গে শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় না আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও এর একটা গুরুত্ব আছে। তো সে বিষয়টি বিবেচনা রেখে আমরা উদ্যোগী হব।
বিভিন্ন সময় তৌহিদী জনতার নামে মব তৈরি এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক জঙ্গী গোষ্ঠীর পতাকার সঙ্গে মিল থাকা পতাকা নিয়ে মিছিল ভাবাচ্ছে বিশ্লেষকদের।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেন, ছোট ঘটনা বড় ঘটনার পূর্বাভাস দেয় কিনা? আমি বলব ইয়েস দেয়। সুতরাং এই ঘটনাগুলোকে হালকাভাবে নেয়ার কোনো অবকাশ নেই। ডটগুলোকে জোড়া দিতে হবে, দিয়ে কারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, কারা করছে, এটা কি দেশের ভেতরে যারা আছে তারা করছে? নাকি দেশের বাইরের যারা আছে তারা তাদের ইন্ধনে দেশে যারা আছে তাদের মাধ্যমে এই কাজটা করছে? এই লিংক পুরোটাকে বের করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে হলি আর্টিজান পরবর্তী সময়ে মাঠ পর্যায়ে উগ্রবাদীদের তৎপরতা নস্যাৎ করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মাহফুজুল আলম রাসেল বলেন, যেখানেই যেটা হোক না কেন আমরা প্রথমেই দেখি সেটা আমাদের আইনের আওতাভুক্ত কিনা এবং আমাদের মনিটরিং এর একটা ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা আমাদের কার্যক্রম যাতে সুক্ষ্মভাবে সুন্দরভাবে আমরা সম্পন্ন করতে পারি সেজন্য আমরা সর্বদা কর্মরত আছি।
বিশ্লেষকরা বলছেন জঙ্গিবাদ নির্মূলে জনসচেতনতার বিকল্প নেই।