চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সাম্য, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের অর্জনকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জুলাই আন্দোলনে আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধা এবং সাধারণ রোগীদের মধ্যে খাবার বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়।
ডা. আউয়াল বলেন, দুই বছর আগে এই সময়ে আমাদের ‘জার্নি টু ইনফিনিটি’ বা অনিশ্চিত এক যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে সফল হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদল চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে হৃদয়ে ধারণ করে, এটি কোনো বিক্রির বস্তু নয়।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল আন্দোলনের চেতনাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। অথচ আন্দোলনের কঠিন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা এবং এবং স্লোগান শেখানোর মূল কাজটি করেছিল ছাত্রদলের নেতারাই। আন্দোলনে আহত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে সরকারের বিভিন্ন ক্যাটাগরিভিত্তিক আর্থিক সহায়তার উদ্যোগকে স্বাগত জানান ডা. আউয়াল। তিনি বলেন, আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণির মানুষের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। ডা. আউয়াল আরও বলেন, দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অধ্যায়—১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান—সমানভাবে ধারণ করতে পারলেই একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব হবে।
আন্দোলনে আহতদের পুনর্বাসনে সরকারের বর্তমান বাজেটের ক্যাটাগরিভিত্তিক আর্থিক সহায়তার (এ ক্যাটাগরি ২০ হাজার, বি ক্যাটাগরি ১৫ হাজার এবং সি ক্যাটাগরি ১০ হাজার টাকা) প্রশংসা করে ডা. আউয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে আহতদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, দেশের সাধারণ মানুষকেও সেভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে হলে ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪—এই তিনটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনাকে একসাথে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে।
আগামীকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই সফরের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাসেবা খাতে এক নবদিগন্তের সূচনা হবে। দেশের কোনো মেডিকেল হাসপাতালে বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা না যায় তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। খাবার বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ বিন মিজান, ডা. নিশাত সুলতানা, ডা. রাকিবুল ইসলাম শিমুল, ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদল সহ সভাপতি ডা. সাব্বির শরীফ, পপুলার মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ডা. ফাইরুজ ফান্নানা, সাধারণ সম্পাদক ডা. কামরুল হাসান মুন্না, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা শাহ পরান, রিপন পাশা, ন্যাব যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির মাহমুদ তিহান, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা জাহিদ রিফাত, সৈকত, রাহীম, আমিনুল, মাহতাব, সজীব, নার্সিং বিষয়ক সম্পাদক সাগর হালদার, আফরিন ইভা, সোহাগ ইসলাম, আল আমিন, রনি-সহ নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জুলাই আন্দোলনে আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধা এবং সাধারণ রোগীদের মধ্যে খাবার বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়।
ডা. আউয়াল বলেন, দুই বছর আগে এই সময়ে আমাদের ‘জার্নি টু ইনফিনিটি’ বা অনিশ্চিত এক যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে সফল হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদল চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে হৃদয়ে ধারণ করে, এটি কোনো বিক্রির বস্তু নয়।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল আন্দোলনের চেতনাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। অথচ আন্দোলনের কঠিন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা এবং এবং স্লোগান শেখানোর মূল কাজটি করেছিল ছাত্রদলের নেতারাই। আন্দোলনে আহত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে সরকারের বিভিন্ন ক্যাটাগরিভিত্তিক আর্থিক সহায়তার উদ্যোগকে স্বাগত জানান ডা. আউয়াল। তিনি বলেন, আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণির মানুষের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। ডা. আউয়াল আরও বলেন, দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অধ্যায়—১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান—সমানভাবে ধারণ করতে পারলেই একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব হবে।
আন্দোলনে আহতদের পুনর্বাসনে সরকারের বর্তমান বাজেটের ক্যাটাগরিভিত্তিক আর্থিক সহায়তার (এ ক্যাটাগরি ২০ হাজার, বি ক্যাটাগরি ১৫ হাজার এবং সি ক্যাটাগরি ১০ হাজার টাকা) প্রশংসা করে ডা. আউয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে আহতদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, দেশের সাধারণ মানুষকেও সেভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে হলে ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪—এই তিনটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনাকে একসাথে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে।
আগামীকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই সফরের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাসেবা খাতে এক নবদিগন্তের সূচনা হবে। দেশের কোনো মেডিকেল হাসপাতালে বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা না যায় তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। খাবার বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ বিন মিজান, ডা. নিশাত সুলতানা, ডা. রাকিবুল ইসলাম শিমুল, ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদল সহ সভাপতি ডা. সাব্বির শরীফ, পপুলার মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ডা. ফাইরুজ ফান্নানা, সাধারণ সম্পাদক ডা. কামরুল হাসান মুন্না, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা শাহ পরান, রিপন পাশা, ন্যাব যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির মাহমুদ তিহান, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা জাহিদ রিফাত, সৈকত, রাহীম, আমিনুল, মাহতাব, সজীব, নার্সিং বিষয়ক সম্পাদক সাগর হালদার, আফরিন ইভা, সোহাগ ইসলাম, আল আমিন, রনি-সহ নেতৃবৃন্দ।