ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় পাঁচ বছরের কন্যা শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের দ্রুত উদ্ধার তৎপরতায় মা ও শিশু দুজনকেই জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তারা বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে নলছিটি ফেরিঘাটের পল্টুন থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন লাকী আক্তার নামে ওই নারী। তিনি উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক মাস আগে লাকী আক্তারের সঙ্গে তার স্বামী সাইদুল ইসলামের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানটি মায়ের সঙ্গেই বসবাস করছিল। তবে শিশুটিকে নিজের কাছে রাখাকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন স্বামী বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
স্থানীয়দের দাবি, পারিবারিক ওই বিরোধের জেরেই মেয়েকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন লাকী আক্তার। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদী থেকে মা ও শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বলেন, মা ও শিশু চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে নলছিটি ফেরিঘাটের পল্টুন থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন লাকী আক্তার নামে ওই নারী। তিনি উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক মাস আগে লাকী আক্তারের সঙ্গে তার স্বামী সাইদুল ইসলামের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানটি মায়ের সঙ্গেই বসবাস করছিল। তবে শিশুটিকে নিজের কাছে রাখাকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন স্বামী বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
স্থানীয়দের দাবি, পারিবারিক ওই বিরোধের জেরেই মেয়েকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন লাকী আক্তার। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদী থেকে মা ও শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বলেন, মা ও শিশু চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।