২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ রাতে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। মায়ামি স্টেডিয়ামে শেষ চার নিশ্চিত করার ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত তিনটায়।
ইংল্যান্ড ও নরওয়ে এর আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১২ বার মুখোমুখি হলেও, বিশ্বকাপের মঞ্চে এবারই প্রথম একে অপরের বিপক্ষে লড়বে। অতীতের পরিসংখ্যানে ইংল্যান্ড স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে। তাদের ৮ জয়ের বিপরীতে ২টিতে জিতেছে নরওয়ে।
শেষ চারবারের দেখায় ইংল্যান্ডের জালে কোনো বলই পাঠাতে পারেনি নরওয়ে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রীতি ম্যাচে সবশেষ মুখোমুখি হয়েছিল তারা, যেখানে ইংল্যান্ড ১-০ গোলে জিতেছিল।
টমাস টুখেলের অধীনে এবার নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছে ইংলিশরা। নিজেদের গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে পা রাখে ইংল্যান্ড। শেষ ৩২’র লড়াইয়ে কঙ্গোর বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পায় তারা। শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকো সিটিতে ১০ জন নিয়ে মেক্সিকোর বিপক্ষে ৩-২ গোলের দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় থ্রি লায়ন্সরা।
এবারের বিশ্বকাপে ডার্ক হিসেবে হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে নরওয়ে। ২৬ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে সেনেগাল ও ইরানকে পেছনে ফেলে রানার্স-আপ হয়ে নকআউটে ওঠে তারা। এরপর আইভরি কোস্ট এবং ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ভাইকিংসরা।
নরওয়ের সবচেয়ে বড় শক্তির নাম আর্লিং হলান্ড। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচ খেলে ৭ গোল করেছেন এই গোলমেশিন। তার জোড়া গোলেই বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের চেয়ে এক গোল পিছিয়ে রয়েছেন হলান্ড।
ভাইকিংসদের আটকানোর জন্য রয়েছেন হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহাম। দুজনেই রয়েছেন দুর্দান্ত ছন্দে। এবারের বিশ্বকাপ ৬ গোল করেছেন কেইন আর বেলিংহামের পা থেকে এসেছে ৪ গোল। টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষের জালে ১১ বার বল জড়িয়েছে ইংল্যান্ড। যার মধ্যে ১০ বারই এসেছে কেইন-বেলিংহাম জুটি থেকে।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এটি ইংল্যান্ডের ১১তম উপস্থিতি। এই রেকর্ডে তাদের সামনে আছে কেবল ব্রাজিল ও জার্মানি (উভয় দলই ১৪ বার)। নরওয়ের জন্য এটি সম্পূর্ণ নতুন এক অধ্যায়, কারণ এর আগে কখনই তারা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেনি।
গ্যারেথ সাউথগেটের আমলের মতো রক্ষণাত্মক নিয়ন্ত্রণ এখন টুখেলের ইংল্যান্ডে কিছুটা কম। এই টুর্নামেন্টে তারা মাত্র দুটি ম্যাচে ক্লিন শিট রাখতে পেরেছে। হলান্ডের বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় বলা যায়, ইংলিশ ডিফেন্স আজ কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়বে। নরওয়ের ম্যাচ মানেই গোলবন্যা। তাদের খেলা ৫টি ম্যাচের প্রতিটিতেই উভয় দল গোল করেছে (মোট ২১টি গোল)।
নরওয়ে দলে হালকা ঠাণ্ডা-জ্বরের সমস্যা থাকলেও দলের চিকিৎসক ওলা স্যান্ড নিশ্চিত করেছেন, সব খেলোয়াড় এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। ফলে পূর্ণশক্তির দলই পাচ্ছেন কোচ সোলবাকেন। আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড সম্পূর্ণ ফিট আছেন।
ম্যাচের আগে বড় স্বস্তির খবর পেয়েছে ইংল্যান্ড। অসুস্থতা কাটিয়ে ডেকলান রাইস এবং হ্যামস্ট্রিং চোট কাটিয়ে মার্ক গেইহি পূর্ণ অনুশীলনে ফিরেছেন। চোট কাটিয়ে ফিরেছেন রাইট-ব্যাক রিস জেমসও, যদিও তাকে হয়তো বদলি হিসেবে নামানো হতে পারে। তবে লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে ডিফেন্ডার জারেল কুয়ানসা এবং চোটের কারণে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসন এই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন।
নরওয়ের সম্ভাব্য একাদশ: অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড (গোলকিপার); জুলিয়ান রাইয়েরসন, ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, তোরবিয়র্ন হেগগেম, ডেভিড মোলার উলফ; সান্ডার বার্গে, প্যাট্রিক বার্গ, মার্টিন ওডেগার্ড; আলেকসান্ডার সরলথ, আর্লিং হলান্ড, আন্তোনিও নুসা।
ইংল্যান্ড সম্ভাব্য একাদশঃ জর্ডান পিকফোর্ড(গোলিকিপার), এজরি কনসা, জন স্টোনস, মার্ক গিয়েহি, নিকো ও’রাইলি, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ডেক্লান রাইস, বুকায়ো সাকা, জুড বেনিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন, হ্যারি কেন।
ইংল্যান্ড ও নরওয়ে এর আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১২ বার মুখোমুখি হলেও, বিশ্বকাপের মঞ্চে এবারই প্রথম একে অপরের বিপক্ষে লড়বে। অতীতের পরিসংখ্যানে ইংল্যান্ড স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে। তাদের ৮ জয়ের বিপরীতে ২টিতে জিতেছে নরওয়ে।
শেষ চারবারের দেখায় ইংল্যান্ডের জালে কোনো বলই পাঠাতে পারেনি নরওয়ে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রীতি ম্যাচে সবশেষ মুখোমুখি হয়েছিল তারা, যেখানে ইংল্যান্ড ১-০ গোলে জিতেছিল।
টমাস টুখেলের অধীনে এবার নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছে ইংলিশরা। নিজেদের গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে পা রাখে ইংল্যান্ড। শেষ ৩২’র লড়াইয়ে কঙ্গোর বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পায় তারা। শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকো সিটিতে ১০ জন নিয়ে মেক্সিকোর বিপক্ষে ৩-২ গোলের দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় থ্রি লায়ন্সরা।
এবারের বিশ্বকাপে ডার্ক হিসেবে হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে নরওয়ে। ২৬ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে সেনেগাল ও ইরানকে পেছনে ফেলে রানার্স-আপ হয়ে নকআউটে ওঠে তারা। এরপর আইভরি কোস্ট এবং ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ভাইকিংসরা।
নরওয়ের সবচেয়ে বড় শক্তির নাম আর্লিং হলান্ড। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচ খেলে ৭ গোল করেছেন এই গোলমেশিন। তার জোড়া গোলেই বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের চেয়ে এক গোল পিছিয়ে রয়েছেন হলান্ড।
ভাইকিংসদের আটকানোর জন্য রয়েছেন হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহাম। দুজনেই রয়েছেন দুর্দান্ত ছন্দে। এবারের বিশ্বকাপ ৬ গোল করেছেন কেইন আর বেলিংহামের পা থেকে এসেছে ৪ গোল। টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষের জালে ১১ বার বল জড়িয়েছে ইংল্যান্ড। যার মধ্যে ১০ বারই এসেছে কেইন-বেলিংহাম জুটি থেকে।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এটি ইংল্যান্ডের ১১তম উপস্থিতি। এই রেকর্ডে তাদের সামনে আছে কেবল ব্রাজিল ও জার্মানি (উভয় দলই ১৪ বার)। নরওয়ের জন্য এটি সম্পূর্ণ নতুন এক অধ্যায়, কারণ এর আগে কখনই তারা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেনি।
গ্যারেথ সাউথগেটের আমলের মতো রক্ষণাত্মক নিয়ন্ত্রণ এখন টুখেলের ইংল্যান্ডে কিছুটা কম। এই টুর্নামেন্টে তারা মাত্র দুটি ম্যাচে ক্লিন শিট রাখতে পেরেছে। হলান্ডের বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় বলা যায়, ইংলিশ ডিফেন্স আজ কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়বে। নরওয়ের ম্যাচ মানেই গোলবন্যা। তাদের খেলা ৫টি ম্যাচের প্রতিটিতেই উভয় দল গোল করেছে (মোট ২১টি গোল)।
নরওয়ে দলে হালকা ঠাণ্ডা-জ্বরের সমস্যা থাকলেও দলের চিকিৎসক ওলা স্যান্ড নিশ্চিত করেছেন, সব খেলোয়াড় এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। ফলে পূর্ণশক্তির দলই পাচ্ছেন কোচ সোলবাকেন। আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড সম্পূর্ণ ফিট আছেন।
ম্যাচের আগে বড় স্বস্তির খবর পেয়েছে ইংল্যান্ড। অসুস্থতা কাটিয়ে ডেকলান রাইস এবং হ্যামস্ট্রিং চোট কাটিয়ে মার্ক গেইহি পূর্ণ অনুশীলনে ফিরেছেন। চোট কাটিয়ে ফিরেছেন রাইট-ব্যাক রিস জেমসও, যদিও তাকে হয়তো বদলি হিসেবে নামানো হতে পারে। তবে লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে ডিফেন্ডার জারেল কুয়ানসা এবং চোটের কারণে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসন এই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন।
নরওয়ের সম্ভাব্য একাদশ: অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড (গোলকিপার); জুলিয়ান রাইয়েরসন, ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, তোরবিয়র্ন হেগগেম, ডেভিড মোলার উলফ; সান্ডার বার্গে, প্যাট্রিক বার্গ, মার্টিন ওডেগার্ড; আলেকসান্ডার সরলথ, আর্লিং হলান্ড, আন্তোনিও নুসা।
ইংল্যান্ড সম্ভাব্য একাদশঃ জর্ডান পিকফোর্ড(গোলিকিপার), এজরি কনসা, জন স্টোনস, মার্ক গিয়েহি, নিকো ও’রাইলি, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ডেক্লান রাইস, বুকায়ো সাকা, জুড বেনিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন, হ্যারি কেন।