রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে চাকরিচ্যুত ১৫২২ জন পুলিশ সদস্য ও কর্মচারীকে অবিলম্বে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (সোমবার) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভিকটিম পুলিশ পরিবার’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট অপরাধ বা সুষ্ঠু বিভাগীয় তদন্ত ছাড়াই শত শত সৎ ও দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চাকরিচ্যুত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুনর্বহালের পক্ষে ইতিবাচক আদেশ ও পুলিশ সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটির সুস্পষ্ট সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মানবিক দিক বিবেচনা করে চাকরিচ্যুত সদস্যদের পুনর্বহালের পক্ষে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর একজন উপমহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে। দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে কমিটি চারটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করে। কমিটির ৩ নম্বর সুপারিশে স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয় যে, আবেদনকারীদের বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তিতে ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিল।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সদর দপ্তরের নিজস্ব কমিটির এই স্বীকৃতিই প্রমাণ করে যে তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণ বেআইনি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। এছাড়া গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সদর দপ্তরের ‘পুলিশ মিডিয়া সেল’ থেকে গণমাধ্যমে জানানো হয়েছিল যে, চাকরি হারানো এই ১৫২২ জন সদস্য দ্রুত চাকরিতে ফিরছেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের ক্ষেত্রে দ্বিমুখী নীতি ও বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ এবং সদর দপ্তরের ইতিবাচক পদক্ষেপের পরও ফাইলবন্দি হয়ে রয়েছে শত শত পরিবারের ভাগ্য।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি ও মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা বলেন, অভিভাবক হিসেবে একমাত্র সরকারের শীর্ষপর্যায়ের চূড়ান্ত নির্দেশই পারে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করা ১৫১৫টি অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের হারানো সম্মান ফিরিয়ে দিতে।
মানববন্ধনে নিজেদের দুর্দিনের কথা তুলে ধরে সাবেক পুলিশ কনস্টেবল মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, ১৯৯৯ সালে চাকরিতে যোগদানের পর ২০০০ সালে আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন অজুহাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে বরখাস্ত করা হয়। আর্থিক অনটনের কারণে তখন কোনো আইনি লড়াই করতে পারিনি। বর্তমানে অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মানবিক কারণে পুনর্বহালের আদেশ দেওয়া হলেও তা দীর্ঘসূত্রতায় আটকে আছে। কী কারণে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এবং কীভাবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই দুর্ভোগের অবসান ঘটানো সম্ভব, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট অপরাধ বা সুষ্ঠু বিভাগীয় তদন্ত ছাড়াই শত শত সৎ ও দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চাকরিচ্যুত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুনর্বহালের পক্ষে ইতিবাচক আদেশ ও পুলিশ সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটির সুস্পষ্ট সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মানবিক দিক বিবেচনা করে চাকরিচ্যুত সদস্যদের পুনর্বহালের পক্ষে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর একজন উপমহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে। দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে কমিটি চারটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করে। কমিটির ৩ নম্বর সুপারিশে স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয় যে, আবেদনকারীদের বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তিতে ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিল।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সদর দপ্তরের নিজস্ব কমিটির এই স্বীকৃতিই প্রমাণ করে যে তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণ বেআইনি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। এছাড়া গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সদর দপ্তরের ‘পুলিশ মিডিয়া সেল’ থেকে গণমাধ্যমে জানানো হয়েছিল যে, চাকরি হারানো এই ১৫২২ জন সদস্য দ্রুত চাকরিতে ফিরছেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের ক্ষেত্রে দ্বিমুখী নীতি ও বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ এবং সদর দপ্তরের ইতিবাচক পদক্ষেপের পরও ফাইলবন্দি হয়ে রয়েছে শত শত পরিবারের ভাগ্য।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি ও মানবিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা বলেন, অভিভাবক হিসেবে একমাত্র সরকারের শীর্ষপর্যায়ের চূড়ান্ত নির্দেশই পারে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করা ১৫১৫টি অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের হারানো সম্মান ফিরিয়ে দিতে।
মানববন্ধনে নিজেদের দুর্দিনের কথা তুলে ধরে সাবেক পুলিশ কনস্টেবল মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, ১৯৯৯ সালে চাকরিতে যোগদানের পর ২০০০ সালে আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন অজুহাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে বরখাস্ত করা হয়। আর্থিক অনটনের কারণে তখন কোনো আইনি লড়াই করতে পারিনি। বর্তমানে অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মানবিক কারণে পুনর্বহালের আদেশ দেওয়া হলেও তা দীর্ঘসূত্রতায় আটকে আছে। কী কারণে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এবং কীভাবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই দুর্ভোগের অবসান ঘটানো সম্ভব, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।